• ই-পেপার

দেশে করোনায় আরো ৬ জনের প্রাণহানি, শনাক্ত ৯৪

ফখরুল ভাই আমার ওপর একটু মাইন্ড করেছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ফখরুল ভাই আমার ওপর একটু মাইন্ড করেছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘আমি কয়েক দিন আগে বলেছিলাম, ইসলামী ব্যাংকও ইসলাম না, আমাদের মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম না, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম না। ফখরুল ভাই আমার ওপর একটু মাইন্ড করেছেন। এর জন্য আমি আজকে এটাকে নূরুল ইসলাম বলছি।’

রবিবার (২৮ জুন) রাতে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কালকে আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বললেন, আজকাল ফতোয়া নেওয়ার জন্য হাটহাজারী, পটিয়া এবং লালবাগে যেতে হবে না। কোথায় যেতে হবে—সংসদে। কার কাছে—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। কয় মুফতি-টুফতি আর লাগবে না, আরেকটা কী যেন বলেছেন, ডট ডট দিয়েও বলেছেন...। আমি তো কখনো বলি নাই, জামায়াতে ইসলামী কোনো ইসলামী দল না। এটা আপনারা নিজেরা নিজেরা টেনে এনেছেন। তবে আপনারা কী রকম ইসলামী দল, সেটা একটু বলব।’

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম না। ইসলাম ডিফারেন্ট জিনিস। কিন্তু আপনি কালকে বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ইসলামী দল এবং জামাআতে ইসলামীকে জানতে হলে ১০০ বছরের ইতিহাস জানতে হবে। মাননীয় স্পিকার, ঘাঁটাঘাঁটি করে দেখলাম জামাআতে ইসলামীর জন্মই হয়েছে ১৯৪১ সালের ২৬ আগস্ট মাওলানা সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী তখন ব্রিটিশ-ভারতের লাহোরে ইসলামিয়া পার্কে একটা সম্মেলনের মাধ্যমে এর জন্ম। ১০০ বছর তো নাই, এখন ৮৪ বছর। ১০০ বছর হতে হতে আমি বাঁচব বলে মনে হয় না।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর জামায়াতে ইসলামী হিন্দ নামে একটা শাখা হয়েছিল। আপনাদেরটা তো অনেকটা আন্তর্জাতিক সংগঠনের মতো, জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান, জামায়াতে ইসলামী হিন্দ, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ—কয়েক দিন আগে আপনারা বাংলাদেশ শব্দটা আগে এনেছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা তো ইতিহাস বলছে বলেছেন, ১৯৪৭-এর সময়ে আপনারা পাকিস্তান চাননি। এটা ঐতিহাসিকভাবে ভুল হতে পারে। এখন ১৯৭১-এ ফের আপনারা বাংলাদেশ চাননি। আবার ১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অনুমোদন করলে আপনারা আবার জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ শাখা নামে শুরু করলেন।’

অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
জাতীয় সংসদে কথা বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি : সংগৃহীত।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যমুনার অন্দরে আর কিনারে হওয়া ভয়াবহ দুর্নীতির তদন্ত করতে দুদককে নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে। ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। যা তদন্ত হওয়া দরকার। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন শ্বেতপত্রের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এই তদন্ত হতে পারে। আজ রবিবার রাতে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি বিগত সরকারের আমলে হওয়া প্রাতিষ্ঠানিক লুটপাট ও অর্থ পাচারের তীব্র সমালোচনা করার পাশাপাশি অর্ন্তর্বতীকালীন সরকারের ১৮ মাসের সময়কালেরও যাবতীয় কর্মকাণ্ডের ওপর দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। যে তদন্ত প্রতিবেদন জাতির সামনে প্রকাশ দরকার বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ও জাতীয় স্বার্থে সবাই মিলে একমত হয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে। এরপর অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। গত কয়েকদিন আগে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) একটি রিপোর্ট দিয়েছে, যেখানে বর্তমান সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে। যদিও সেই পত্রিকা বা রিপোর্টটি এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই, তবুও বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তাই এই ১৮ মাসের অস্থির সময়ে কোথায় দুর্নীতি হয়েছে, কীভাবে হয়েছে এবং কারা এর পেছনে জড়িত, তার সবকিছুই দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে খুঁজে বের করা উচিত।’ বর্তমান সরকারের ভিত্তি হচ্ছে স্বচ্ছতা, তাই যেকোনো ধরনের অভিযোগেরই নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া বাঞ্ছনীয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের অতীত ও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বিগত ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে গণতান্ত্রিক জবাবদিহির অভাবে এক ধরনের লুটেরা অর্থনীতি ও ক্রনি ক্যাপিটালিজম গড়ে উঠেছিল। সেই সময়কালে প্রতি বছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং গত ১৫ বছরে সব মিলিয়ে প্রায় ২৯ থেকে ৩০ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে লোন স্ক্যাম, রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংক দখল এবং মেগাপ্রজেক্টের নামে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় বাড়িয়ে বিপুল পরিমাণ জনগণের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক ছিল আইনি মোড়কে দুর্নীতি বা লেজিসলেটিভ ম্যানিপুলেটেড করাপশন, যার মাধ্যমে কুইক রেন্টাল ও ক্যাপাসিটি চার্জের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলোকে ইনডেমনিটি দিয়ে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়েছিল।’  পাশাপাশি আদম ব্যবসার মাধ্যমে ১৩ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ৭৩ শতাংশ বরাদ্দ রাজনৈতিক বিবেচনায় অপাত্রে দেওয়ার খতিয়ানও তিনি তুলে ধরেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত আমলের এই ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা এবং অর্ন্তর্বতীকালীন সরকারের গত ১৮ মাসের চরম অস্থির সময় পার করে সরকার ৯ লক্ষ ৩৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছে।  বৈশ্বিক মুদ্রা ব্যবস্থার পতন ও ভূ-রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও একটি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। যমুনার অভ্যন্তরে ও কিনারে মিলিয়ে যে বহুমুখী সংকট ছিল, সেই অস্থির সময়ে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করেই জুলাই সনদে সমঝোতার মাধ্যমে স্বাক্ষর করতে হয়েছে। দেশের মানুষের কল্যাণে বর্তমান নেতৃত্ব সবসময় সময়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়েই কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদাসল ঋণ মওকুফের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ‘ 

এবারের বাজেটকে ‘এ বাজেট অফ নিউ ইকোনমিক অর্ডার’ আখ্যা দিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পুরাতন ধ্যান-ধারণা থেকে বেরিয়ে ফরাসি অর্থনীতিবিদ ফ্রেডরিক বাস্টিয়া কিংবা ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোনের জনকল্যাণমুখী দর্শনের আলোকে এই বাজেট তৈরি করা হয়েছে। টেকনাফের সীমান্তের একজন অসহায় বিধবা মহিলাও যেন এই বাজেটের সুফল পান, সেই লক্ষ্যেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কোনো ধরনের ট্যাক্স বাড়ানো হয়নি। ফলে এবার বাজেট দেওয়ার আগে পরে কোনো নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি।’

বাজেটের মূল দর্শন হিসেবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং স্মার্ট রূপান্তরের কথা উল্লেখ করে সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইউ এবং ড. গোহ-এর সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের সফল মডেলের উদাহরণ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘নোবেলজয়ী জোসেফ স্টিগলিৎসের তত্ত্বের আলোকেই বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও মাল্টি-পোলার বিশ্বে বাংলাদেশকে নিজস্ব সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি পুনর্বিন্যাস করতে হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের সাথে মিল রেখে এই বাজেটে রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার, বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনরুদ্ধারসহ পাঁচটি মূল ভিত্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’ এসময়  সকলের সহায়তায় এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিরোধী দল শুধু ক্ষমতার ভাগের সংস্কারের কথা বলে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বিরোধী দল শুধু ক্ষমতার ভাগের সংস্কারের কথা বলে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে কথা বলছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত বলেছেন, বিরোধী দল শুধু সেই সংস্কারের কথাই বলে, যেসব সংস্কার তাদের ক্ষমতার অংশীদারি নিশ্চিত করবে। কিন্তু স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার নিয়ে তারা কখনোই আলোচনা করেনি। আজ রবিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল প্রায়ই সংস্কার ও জুলাই সনদের কথা বলে। কিন্তু স্বাস্থ্য খাতে যে সংস্কার প্রয়োজন, তা নিয়ে তারা এক দিনও কথা বলেনি। স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন দিয়েছে। বিরোধী দল সেটি নিয়ে সংসদে আলোচনা করলে সরকার আরো উৎসাহিত হতো।’

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছরের দুঃশাসনে দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পরিবর্তনের পর গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান সংসদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সেই প্রত্যাশা পূরণে সরকার কাজ করছে।’

স্বাস্থ্য খাতের বাজেট প্রসঙ্গে ডা. এম এ মুহিত বলেন, ‘এ বাজেটের মূল লক্ষ্য ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করে এমন একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা পাবে ‘

তিনি জানান, গত অর্থবছরের ৩৫ হাজার কোটি টাকা থেকে এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৬৯ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ শুধু হাসপাতাল নির্মাণ নয়; এটি মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক বৈষম্য কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি অসংক্রামক রোগের বিস্তার, মহামারি মোকাবিলা, দ্রুত নগরায়ণ, চিকিৎসা ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি এবং প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়গুলো উল্লেখ করেন। তিনি জানান, দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশই অসংক্রামক রোগের কারণে ঘটে। একই সঙ্গে চিকিৎসা ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশ রোগীদের নিজস্ব পকেট থেকে বহন করতে হয়, যা থাইল্যান্ডে ১০ শতাংশ এবং মালদ্বীপে ১৮ শতাংশ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য অপরিকল্পিতভাবে হাসপাতাল নির্মাণ নয়; বরং স্বাস্থ্যব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার, জনবল উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, বিকেন্দ্রীকরণ এবং কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। নগর ও গ্রামের মানুষের জন্য সমমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে ভিত্তি করে একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকার রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে, যাতে মানুষ অসুস্থ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।’

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে : ইসি

অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে : ইসি

আগামী অক্টোবর মাসে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ রবিবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে সভা করে ইসি। চার নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন। পরে ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

ইসি বলছে, এই নির্বাচন আয়োজনে ব্যালট বাক্স, প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার প্রস্তুত আছে। তবে নির্বাচন আয়োজনে বাজেট কিছুটা কমানো যায় কি না, ভাবা হচ্ছে।

ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘সব ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। জানলাম কিভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়। যদি আমাদের ৪ হাজার ৫০০ নির্বাচন আয়োজন করতে হয়, কোনটা আগে করব, কোনটা পরে করব তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও কিভাবে করব, আমাদের জিনিসপত্র প্রস্তুত আছে কি না, আজ অবহিত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যদি অক্টোবর থেকে হয়, বা নভেম্বর-ডিসেম্বর যখন হোক, আমরা অক্টোবর ধরে কাজ আগাচ্ছি। অক্টোবরে হলে এর ৪৫ দিন আগে শিডিউল ঘোষণা করা হবে। আমরা মূলত অক্টোবরে ধরেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

ইসি জানায়, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে এ নির্বাচন আয়োজন করতে কোনো সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে নেওয়া হবে না।

সভা শেষে ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও নতুন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।