• ই-পেপার

বিজ্ঞান জাদুঘরে প্রযুক্তিমন্ত্রী

সোনার বাংলা গড়তে হলে পড়াশোনা করতে হবে

বেইজিংয়ের গ্রেট হলে তারেক রহমানকে চীনের প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ অভ্যর্থনা

অনলাইন ডেস্ক
বেইজিংয়ের গ্রেট হলে তারেক রহমানকে চীনের প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ অভ্যর্থনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে গ্রেট হলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

শুভেচ্ছা বিনিময় এবং দুই দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরিচয় পর্বের পরে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং।

অভিবাদন মঞ্চে তারেক রহমান ও লি কিয়াংকে সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে তোপধ্বনি দেওয়া হয়। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বিএআরএফ মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৯ সাংবাদিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএআরএফ মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৯ সাংবাদিক
আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিকরা। ছবি : সংগৃহীত

কৃষি বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদনের জন্য বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএআরএফ) মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৯ সাংবাদিক। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে নির্বাচিত সাংবাদিকদের হাতে এ অ্যাওয়ার্ড, সনদ ও চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএআরএফ)।

আয়োজকেরা জানান, কৃষি বিষয়ক সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি প্রদান এবং কৃষি সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে।

বিএআরএফ সভাপতি রফিকুল ইসলাম সবুজের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাওসার আজমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম, সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং বাংলাদেশ সীড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কৃষিবিদ মোহাম্মদ মাসুম।

বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো: আবদুছ ছালাম তার বক্তব্যে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো গবেষণাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। যেমন-জাপান তাদের জিডিপির ৩.৫ শতাংশ, চীন ২.১ শতাংশ এবং প্রতিবেশী দেশ ভারত ০.৯ শতাংশ অর্থ গবেষণা খাতে বরাদ্দ রাখে। অথচ বাংলাদেশে এই বরাদ্দের হার মাত্র ০.৬ শতাংশ।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভবিষ্যৎ খাদ্য সংকট এড়াতে এবং মাটির সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহারের জন্য অবিলম্বে গবেষণা খাতে বাজেট বাড়াতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম দেশের বর্তমান কৃষি বিপ্লবের পেছনে সাংবাদিকদের সাহসী ও তথ্যবহুল ভূমিকার প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশ সীড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কৃষিবিদ মোহাম্মদ মাসুম বলেন, দেশের বিশাল উপকূলীয় অঞ্চলে যদি পরিকল্পিতভাবে দেশীয় জাতের নারিকেল গাছ রোপণ করা যায়, তবে তেল ও অন্যান্য কাঁচামাল আমদানির পেছনে প্রতি বছর যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়, তা থেকে দেশ রক্ষা পাবে। এর ফলে বছরে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হাসান সোহেল বলেন, এ ধরনের সুনির্দিষ্ট বিটভিত্তিক স্বীকৃতি আগামী দিনে সাংবাদিকদের কাজের মান আরো বাড়াতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

বিশেষ অবদানের জন্য নির্বাচিত ৯ সাংবাদিক হলেন—শাহাদাত হোসেন বিপ্লব (দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড), শাহিদ আহমেদ সোহাগ (ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন), ফারুক আহমাদ আরিফ (দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ), ডিএম নাজমুল হুসাইন (জাগো নিউজ২৪ডটকম), জাহিদুর রহমান (দৈনিক সমকাল), সাইফুল মাসুম (আজকের পত্রিকা), ফেরদৌস রহমান (এটিএন নিউজ), ইয়াসিন রহমান (দৈনিক যুগান্তর) এবং সাজিদ আরাফাত (এখন টেলিভিশন)।

দেশের বিভিন্ন খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

বাসস
দেশের বিভিন্ন খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও টেকসই উন্নয়ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্রিন টেকনোলজি, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং প্রকৌশল খাতে আরো বেশি সুইডিশ বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুইডিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং লাতিন আমেরিকা বিভাগের পরিচালক ও প্রধান ড্যানিয়েল উলভেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী সুইডেনকে বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত ও দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে অভিহিত করেন। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, লিঙ্গ সমতা এবং জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে সুইডেনের ধারাবাহিক সহায়তার প্রশংসাও করেন তিনি।

তিনি ক্রিয়েটিভ ইকোনমি (সৃজনশীল অর্থনীতি) প্রসারে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ এবং নারীদের ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতা বজায় রাখতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রাখা বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, টেলিযোগাযোগ, প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, মানবাধিকার, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং শান্তি ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বহুমুখী ও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ ছাড়া দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরো বাড়াতে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের ওপর জোর দেন তারা।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্রিন টেকনোলজি, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং প্রকৌশল খাতকে বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে এসব খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ দেন।

ড্যানিয়েল উলভেন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শামা ওবায়েদ ইসলামকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেনের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করাসহ রোহিঙ্গা সংকটের একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য সুইডেনের আরো জোরালো সমর্থন কামনা করেছেন।

বৈঠকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা বিষয়ও পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় উভয় পক্ষই শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং  আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
 

দুর্যোগের আগেই ব্যবস্থা নিতে হবে : ভূমিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
দুর্যোগের আগেই ব্যবস্থা নিতে হবে : ভূমিমন্ত্রী

হাওর ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, জীবিকা সুরক্ষা এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগের পুনরাবৃত্তি ও তীব্রতা বাড়ছে। ফলে শুধু দুর্যোগ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার ওপর নির্ভর না করে আগাম প্রস্তুতি, পূর্বাভাসভিত্তিক কার্যক্রম এবং জীবিকার বহুমুখীকরণের মাধ্যমে ঝুঁকি কমাতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত ‘হাওর বেসিন ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলভিত্তিক পারিবারিক অর্থনীতি বিশ্লেষণ (হাউজহোল্ড ইকোনমি অ্যানালাইসিস-এইচইএ) প্রতিবেদন’ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আবদুস সালাম এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা। এ ছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ফুড প্ল্যানিং অ্যান্ড মনিটরিং ইউনিট (এফপিএমইউ), এফএও, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, মানবিক সংগঠন, গবেষক ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেদনটি শুধু একটি গবেষণা দলিল নয়, বরং ঝুঁকি ও বিপদাপন্নতা বোঝা, আগাম পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা সুরক্ষায় কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক একটি প্রমাণভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার।

তিনি আরো বলেন, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। হাওর অঞ্চলের মানুষ প্রতিবছর আকস্মিক বন্যার মুখোমুখি হচ্ছে, যা কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমিধস, অতিবৃষ্টি ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার মতো বহুমাত্রিক ঝুঁকি রয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, হাওর অঞ্চলের প্রায় ৫৮ শতাংশ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। দরিদ্র ও অতি দরিদ্র পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস দিনমজুরি হলেও তাদের খাদ্যের বড় অংশ বাজার থেকে কিনতে হয়। ফলে দুর্যোগের সময় তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নারীর অর্থনৈতিক অবদানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, উভয় অঞ্চলে অতি দরিদ্র পরিবারের মোট আয়ের প্রায় ৮ দশমিক ৬ থেকে ৯ দশমিক ২ শতাংশ আসে নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে। তবে দুর্যোগের সময় এই আয় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে। তাই নারীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি খাদ্য নিরাপত্তা ও দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরো বলেন, হাওর অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা প্রায়ই বোরো ধান কাটার মৌসুমে আঘাত হানে, ফলে বছরের প্রধান ফসল ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। একইভাবে পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধস ও অতিবৃষ্টি কৃষি উৎপাদন ব্যাহত করার পাশাপাশি বাজার ও সেবায় প্রবেশাধিকার সীমিত করে দেয়।

ভূমিমন্ত্রী জানান, সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, দখল ও দূষণ রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করতে ‘সরকারি জলমহাল আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে দখল, ভরাট, দূষণ ও প্রাকৃতিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, নদী, খাল, বিল, হাওর ও অন্যান্য জলমহাল শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়; এগুলো পরিবেশ ও লাখো মানুষের জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এসব রক্ষায় ‘জাল যার, জলা তার’ নীতি বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে ভূমিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন, এটি ভবিষ্যতের নীতিনির্ধারণ, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সোনার বাংলা গড়তে হলে পড়াশোনা করতে হবে | কালের কণ্ঠ