kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩০ জানুয়ারি ২০২০। ১৬ মাঘ ১৪২৬। ৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় মোটরসাইকেল পোড়ানো মামলায়

মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির ২৩ নেতার আগাম জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক    

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির ২৩ নেতার আগাম জামিন

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ বিএনপির ২৩ নেতাকে ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময়ের মধ্যে তাদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রবিবার পৃথক পৃথক আদেশে বিএনপি নেতাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

গত ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেল পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এ জামিন দেন আদালত। তাদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট সগীর হোসেন লিওন, ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক, এ কে এম এহসানুর রহমান ও অ্যাডভোকেট তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ।

জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন- ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, শওকত মাহমুদ, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, কেন্দ্রীয় নেতা শাহ মো. আবু জাফর ও নিপুন রায় চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন ও হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুবদলের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, ঢাকা জেলা বিএনপির খন্দকার আবু আশফাক, কাজী আবুল বাশার, মুক্তিযোদ্ধা দলের ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, আব্দুল হান্নান ও মুন্সী বজলুল বাসেত আঞ্জু।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানিকে কেন্দ্র করে গত ৫ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের এক নম্বর বেঞ্চে আইনজীবীদের হট্টগোল হয়। এ ছাড়া জামিন আবদেনের ওপর ১২ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়। এ অবস্থায় গত ১১ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে পৌনে ৫টার মধ্যে হাইকোর্টের মাজার গেট, ঈদগাহ মাঠের গেট ও বার কাউন্সিলের গেটের সামনে তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৭০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে পৃথক দুটি মামলা করে শাহবাগ থানা পুলিশ। এ মামলায় হাইকোর্টে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা