• ই-পেপার

হুন্দাই-মার্সিডিজ গাড়ির নকশা করছেন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা!

তৃণমূলের সেবায় আগ্রহী নন আইনজীবীরা, বাড়ানো হবে ফি : আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
তৃণমূলের সেবায় আগ্রহী নন আইনজীবীরা, বাড়ানো হবে ফি : আইনমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, দেশের দরিদ্র, অসচ্ছল ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার পেতে অসমর্থ জনগণকে আইনি সহায়তা ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) সেবা দিতে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থাকে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর-এ উন্নীত করেছে সরকার। 

গত ৯ এপ্রিল সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাস করার মাধ্যমে এই রূপান্তর ঘটানো হয়েছে। এর ফলে ঢাকার বাইরে অধিদপ্তরের শাখা কার্যালয় স্থাপন এবং মহানগর থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত আইনি সেবা সম্প্রসারণের একটি শক্তিশালী আইনি ভিত্তি তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে এই অধিদপ্তরের আওতায় জনবল কাঠামো সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ১১তম দিনে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক (আইন ও বিচার বিভাগ) মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এই তথ্য জানান। 

সংসদ সদস্যের প্রশ্নে সরকারি খরচে আইনি সহায়তার ক্ষেত্রে প্রচারণার অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্যানেল আইনজীবীদের কম ফি এবং এনজিওগুলোর সঙ্গে ডিজিটাল ইন্টিগ্রেশনের সুনির্দিষ্ট বাধাগুলোর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

আইনমন্ত্রী জানান, সরকার নির্ধারিত ফি কম হওয়ায় অনেক সময় দক্ষ ও অভিজ্ঞ আইনজীবীরা লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী হন না। এর পাশাপাশি মামলা ফাইলিং, কোর্ট ফি কিংবা দলিলের জাবেদা নকল সংগ্রহের মতো প্রাথমিক আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য সরকারিভাবে কোনো অগ্রিম বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় আইনজীবীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়। আইনজীবীদের এই বাস্তব সমস্যাগুলো বিবেচনা করে সরকার ইতোমধ্যে প্যানেল আইনজীবীদের ফি ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে এবং এই ফি আরও যৌক্তিকভাবে বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তৃণমূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে এই সেবা পৌঁছে দিতে এবং সচেতনতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সরকার ও ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে ডিজিটাল লিগ্যাল এইড প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৩০০টি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন, মোবাইল অ্যাপ ও আধুনিক অনলাইন পোর্টাল চালু এবং ১৬৬৯৯ টোল-ফ্রি লিগ্যাল এইড হেল্পলাইনের সক্ষমতা বাড়ানোর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর বাইরেও তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত উঠান বৈঠক, গণশুনানি, পথনাটক, সেমিনার আয়োজন, লিফলেট বিতরণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশব্যাপী জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন করা হচ্ছে।

সরকারি লিগ্যাল এইড সেবার সঙ্গে বেসরকারি এনজিওগুলোর ডিজিটাল সমন্বয় ও ইন্টিগ্রেশনের ক্ষেত্রে কিছু কারিগরি ও আইনি সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর কার্যপদ্ধতি, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং জবাবদিহিতার কাঠামো ভিন্ন হওয়ার কারণে এই সমন্বয় করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। বিশেষ করে একটি সমন্বিত ডেটা-শেয়ারিং নীতিমালার অভাব, পৃথক কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং বিচারপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি এখানে প্রধান বাধা হিসেবে কাজ করছে। তবে এসব সীমাবদ্ধতা দূর করে একটি নিরাপদ, সমন্বিত ও কার্যকর ডিজিটাল লিগ্যাল এইড ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এজন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি এবং বেসরকারি এনজিও ও অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার জরুরি

অনলাইন ডেস্ক
বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার জরুরি
সংগৃহীত ছবি

প্রস্তাবিত ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বিদ্যমান ১০% আয়কর প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)।

করের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সমিতি বলেছে, বাজেট প্রণয়নের পূর্বে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর আয়কর প্রত্যাহারের যৌক্তিকতা বিস্তারিতভাবে বর্ননা করা হয় এবং এ ব্যাপারে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়া গেলেও বাজেট প্রস্তাবে তার প্রতিফলন ঘটেনি।

রবিবার (২১ জুন) বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি) কার্যালয়ের পরিচালক বেলাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, ল্যাবরেটরি ও লাইব্রেরির উপকরণ ক্রয় এবং বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভ্যাট ও ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়। এর পাশাপাশি ১০% আয়কর বহাল থাকলে একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে, যা উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি করবে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়। সে ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর আয়কর আরোপ বা বহাল রাখা অলাভজনক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশ্নের জন্ম দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে করমুক্ত রাখার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সামগ্রিকভাবে শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ প্রস্তাব করা হলেও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়নি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ওপর আরোপিত করও বহাল রয়েছে।

দেশে বেসরকারি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বরাদ্দ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে করমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা একান্ত জরুরি।

বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়,ইউজিসি, অর্থ মন্ত্রণালয়, এনবিআর এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত আয়কর প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়ে বলেছে, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ কোনো ব্যয় নয়; এটি দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি, জাতীয়ভাবে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণের অন্যতম প্রধান বিনিয়োগ।

বিনিয়োগকারীদের হয়রানি বন্ধে ‘ওয়ান স্টপ উইন্ডো’ চালু করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বিনিয়োগকারীদের হয়রানি বন্ধে ‘ওয়ান স্টপ উইন্ডো’ চালু করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার লাইসেন্সিং ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরো সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের যাতে এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরতে না হয়, সে জন্য একটি কেন্দ্রীয় অনলাইনভিত্তিক ‘ওয়ান স্টপ উইন্ডো’ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এসব তথ্য জানিয়েছেন।

রবিবার (২১ জুন) সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব তথ্য জানান। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন জেবিসিসিআই সভাপতি তারেক রাফি ভূঁইয়া। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো ভৌত স্থাপনা বা শিল্প-কারখানা স্থাপনের অনুমোদন প্রক্রিয়া বাস্তব অবকাঠামোগত কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় তা ১৫ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে শেষ করা সব ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। কারণ এ ধরনের স্থাপনায় নিরাপত্তা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিবেশগত বিষয়সহ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থাপনা পরিদর্শন করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে।

তিনি জানান, বিনিয়োগ কার্যক্রম যাতে বিলম্বিত না হয়, সে জন্য সরকার অস্থায়ী বা প্রভিশনাল লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা দ্রুত প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে অনুমোদন প্রক্রিয়ার সময় কমিয়ে আনার একটি রূপরেখা নির্ধারণ করেছি। এখন খাতভিত্তিক লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ চলছে। কারণ একেক খাতের জন্য একেক ধরনের অনুমোদন ও নথিপত্র প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন প্রক্রিয়া যেমন টেক্সটাইল কারখানা স্থাপনের প্রক্রিয়া থেকে ভিন্ন।

বৈদ্যুতিক যানবাহন বা ইভি প্রসঙ্গেও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জ্বালানিনির্ভরতা কমিয়ে আরো টেকসই পরিবহনব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হতে চায়। সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে, ডিজেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অর্থনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল এবং সংকটকালে সরবরাহ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, দেশের যানবাহনব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড প্রযুক্তির দিকে নিতে সরকার আগ্রহী। মন্ত্রিসভায় এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনো পুরোপুরি বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্য প্রস্তুত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার আপাতত প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির আমদানি ও ব্যবহারে বেশি গুরুত্ব দেবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে বিনিয়োগকারী অনলাইনে এক প্ল্যাটফর্মে ক্লিক করেই প্রয়োজনীয় সেবা পাবেন। আমাদের লক্ষ্য হলো সময়, ব্যয় ও জটিলতা কমিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করা।’

সভায় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রশংসা করে জেবিসিসিআই নেতারা বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরো জোরদার হবে।

ডিসি সারওয়ার আলমকে সিলেট থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

অনলাইন ডেস্ক
ডিসি সারওয়ার আলমকে সিলেট থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে বদলিপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

২০২৫ সালের ১৮ অগাস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে পদায়ন করা হয়।

হুন্দাই-মার্সিডিজ গাড়ির নকশা করছেন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা! | কালের কণ্ঠ