kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

হুন্দাই-মার্সিডিজ গাড়ির নকশা করছেন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৬:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হুন্দাই-মার্সিডিজ গাড়ির নকশা করছেন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা!

হুন্দাই ও মার্সিডিজ বেঞ্জের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের গাড়ির থ্রি-ডি নকশা প্রস্তুত করছেন অনলাইন মার্কেট প্লেসের বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা। প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সার বিনাপুঁজিতে বছরে আয় করছেন প্রায় এক হাজার কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনো দক্ষ কর্মী আর উচ্চগতির ইন্টারনেটের অভাবে বড় বড় কার্যাদেশ বাতিল করতে হচ্ছে।

তৈরি হচ্ছে হুন্দাই মডেলের গাড়ি। থ্রি-ডি এ নকশা চলে যাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় আর সেখানে তৈরি হবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির আর আধুনিক মডেলের গাড়ি।

ঘরে বসে মাউস আর কী-বোর্ডের ছোঁয়ায় ইন্টারনেটেই কাজ করছেন দেশের তরুণরা। তৃতীয় বিশ্বের দেশ হয়েও প্রযুক্তি ব্যবহার করে বৈদাশিক মুদ্রা আয় করছে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ তরুণ-তরুণী।

বর্তমানে যুক্তরাজ্য, কানাডা, কোরিয়া ও জার্মানিসহ উন্নত দেশগুলো ওয়েব ডিজাইন ও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মতো কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের বেছে নিচ্ছে। আউটসোর্সিংয়ে কর্মী সরবরাহের দিক থেকে বর্তমানে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়। আয়ের দিক থেকে ৮তম।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে বিশ্বে আউটসোর্সিংয়ের বাজার প্রায় এক লাখ কোটি টাকার। বাজার ধরতে দরকার দক্ষ কর্মী। নেই দ্রুত গতির ইন্টারনেট ও পেমেন্ট পাওয়ার সহজ মাধ্যম।

এনবিওয়াই আইটি সলিউশনের প্রধান নির্বাহী পরিচালক বাবুল হোসেন বলেন, অনেকেই অনেক ধরনের কার্ড ব্যবহার করে থাকেন কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাংক সেই সাপোর্ট দিচ্ছে না। কিছু কিছু ব্যাংক দিচ্ছে। আবার কিছু কিছু ব্যাংক তাদের ওইসব ব্যাংক সম্পর্কে ভালো জানেও না।

ফ্রিল্যান্সাদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে তাদের টাকা পাঠানোর জন্য এবং বাংলাদেশের মাটিতে ওয়ালে ওপেনিংয়ের জন্যে ইলেক্ট্রনিক নো ইয়োর কাস্টমার এ  সার্ভিসটা পাওয়ার জন্য। আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলেছি তাদের সঙ্গে কথা বলে ইকেওয়াইসি পলিসি ট্রাস্ট করছি। আমরা আশা করছি, অল্প কিছুদিনের মধ্যে এ পলিসিটা নিয়ে পরিচয় করাতে পারব।

সরকার আশা করছে ‘কানেক্টটেড বাংলাদেশ’সহ চলমান দুটি প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা