kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

পঞ্চমবারের মতো পালিত হলো ডাউন সিনড্রোম সচেতনতা মাস

অনলাইন ডেস্ক   

২১ অক্টোবর, ২০২০ ০২:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পঞ্চমবারের মতো পালিত হলো ডাউন সিনড্রোম সচেতনতা মাস

২০১৬ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগ ও ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের উদ্যোগে ধারাবাহিকভাবে পালিত হচ্ছে ডাউন সিনড্রোম সচেতনতা মাস। 

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ‘সকল কাজে অংশ নেব, আমাদের সিদ্ধান্ত আমরাই দেব’—স্লোগানে এবারো সীমিত আকারে দেশের ৫টি জেলায় পালিত হলো মাসটি। মাসব্যাপী কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় ঢাকার বনশ্রীতে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটির রিসোর্স সেন্টারে মঙ্গলবার এ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সরদার এ রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাকিম আরিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক মো. আবু তৈয়ব খান, ঢাবির যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের চেয়ারপার্সন তাওহিদা জাহান। 

বক্তব্য রাখেন ডাটা কনসালটেন্টের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মারুফ আহাম্মেদ মৃদুল, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক উত্তম হাওলাদার, পরিচালক শাহানাজ পারভীন চৌধুরী, আরিফ হোসেন মোল্লাহ প্রমুখ। 

শেষে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন সেল্ফ-অ্যাডভোকেটদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ডাউন সিনড্রোম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা ও তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এই বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের অবহেলা না করে তাদেরকে সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে স্বাভাবিক মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। তাদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও জীবনমান উন্নয়নে সচেতনতার বিকল্প নেই। তবে সবার আগে পরিবারকে এগিয়ে আসতে হবে। কেননা ডাউন সিনড্রোম শিশু ও ব্যক্তিদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পরিবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে পরিবার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা