kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

ইরাকের পাহাড়েও রামের ছায়া খুঁজছে মোদি সরকার!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ জুন, ২০১৯ ১৭:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইরাকের পাহাড়েও রামের ছায়া খুঁজছে মোদি সরকার!

ইরান, কুর্দিস্তান আর তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। পাশেই দাঁড়িয়ে আছে জাগরোস পর্বতমালা। প্রায় দুই হাজার বছর আগে এই অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল প্রাচীন সভ্যতা। নানা নিদর্শন ছড়ানো-ছিটানো। তারদুন্নি রিলিফ আর্ট এসব নিদর্শনের অন্যতম। 

রিলিফ চিত্রকর্মটির বয়স দুই হাজার বছর। পর্বতের পাথরের গায়ে খোদাই করে তৈরি। ইরাকের হোরেন শেখান অঞ্চলের দারবান্দ-ই-বেলুলা ক্লিফে এটি খোদাই করা।

ছবিতে ফর্ম হিসেবে স্থান পেয়েছে মানব ফিগার। একজন রাজা, রাজসভাসদ কিংবা রাজপরিবারের কোনো সদস্য। হাতে তীর-ধনুক উদ্ধত ভঙ্গিমায়। কোমরে ধারালো অস্ত্র গোঁজা। পায়ের কাছে হাত জোড় করে উপবিষ্ট আরো দুটি ফিগার।

সম্প্রতি এই রিলিফ চিত্রকর্মটি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ইরাকের ইতিহাসবিদ এবং প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, এটি ইরানের প্রাচীন পাহাড়িদের রাজা তারদুন্নির অবয়ব। 

ইতিহাসের বর্ণনা অনুযায়ী, তারদুন্নি ছিলেন ইক্কির পুত্র। আর ইক্কি জাগরোস পর্বতাঞ্চলে গড়ে ওঠা প্রাচীন রাজ্যের শাসক কিংবা ওই অঞ্চলের জাতিগোষ্ঠীর প্রতাপশালী নেতা ছিলেন। ইরান সীমান্তের কাছে ইরাকের উত্তর-পূর্বে দায়ালা নদীর যে পর্বত, সেখানে ছবির পাশে নাম খোদিত রয়েছে তারদুন্নির। 

কিন্তু, ভারতীয় দূতাবাস কর্মকর্তাদের দাবি, মূর্তিটি আসলে রামের। সম্প্রতি ভারতীয় প্রতিনিধিদের একটি দল চিত্রকর্মটি পরিদর্শনে ইরাক যায়। দলটির  নেতৃত্বে ছিলেন ইরাকে ভারতীর রাষ্ট্রদূত প্রদীপ সিং রাজপুরোহিত, ইবরিল দূতাবাসের ভারতীয় কূটনীতিক চন্দ্রমৌলি করণ, সুলেইমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ এবং কুর্দিস্তানের ইরাকি রাজ্যপাল। চিত্রকর্মের মূল ফিগারটি রামের হতে পারে বলে মত দেন তাঁরা।

ভারতের অযোধ্যার সোধ সংস্থানের পরিচালক যোগেন্দ্র প্রতাপ সিং-এর মতে, এই প্রাণী আর কেউ নন, প্রবল বলশালী হনুমান।

টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাত্‍কারে যোগেন্দ্র প্রতাপ সিং বলেন, এই রিলিফ চিত্রকর্ম নিয়ে গবেষণার জন্য ইরাক সরকারের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বের বহু জায়গায় রামের নানা প্রাচীন মূর্তি ও ম্যুরাল রয়েছে। সেসব প্রতিরূপ এনে অযোধ্যায় রাখা হবে।

সূত্র : এই সময়, রিভলবি 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা