kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

রাতে শোবার আগে এক গ্লাস পানি পান করেই দেখুন!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৮:৩৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাতে শোবার আগে এক গ্লাস পানি পান করেই দেখুন!

রাতে শোবার আগে  যদি এক গ্লাস পানি পান করা যায়, মানসিক অবসাদের মতো সমস্যা দূরে থাকে, শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়, সারা শরীরে রক্ত চলাচলের উন্নতি ঘটাসহ আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

মানসিক অবসাদের মতো সমস্যা দূরে থাকে : রাতে শোবার আগে পানি পান না করলে দেহের ভেতরে এত মাত্রায় পানির ঘাটতি দেখা দেয় যে তার প্রভাবে শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, যা ডিপ্রেশনের মতো সমস্যাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে লেজুড় হয় অ্যাংজাইটিও।

শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : রাতে শোবার আগে কম করে এক গ্লাস পানি পান করলে পেশি এবং জয়েন্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, সেই সঙ্গে এনার্জি লেভেলও বাড়ে। দেহের ভেতরে পানির ঘাটতি মেটার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হরমোনের ক্ষরণও ঠিক মতো হতে শুরু করে। 

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : রাতে শোবার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়। ফিরে আসে আদ্রতা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিন উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে বলিরেখাও কমতে শুরু করে।

ইনসমনিয়ার মতো সমস্যা দূর হয় : শোবার আগে পানি পান করলে দেহের ভেতরে হরমোনাল ইমব্যালেন্স দূর হয়। সেই সঙ্গে পেশির ক্লান্তিও কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীর এবং মন এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে ঘুম আসতে দেরি লাগে না। 

সারা শরীরে রক্ত চলাচলের উন্নতি ঘটে : রাতে শুতে যাওয়ার আগে গরম পানি পান করতে পারলে আরেকটি উপাকার পাওয়া যায়। এমনটা করলে সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে দেহের ভাইটাল অর্গ্যানদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ধমনীতে জমে থাকা বর্জ পদার্থও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : একথার মধ্যে কোনও ভুল নেই যে রাতে পেট ভর্তি করে পানি খেয়ে শুলে সকাল পর্যন্ত ওজন বেশ অনেকটাই কমে। কারণ ক্যালরি বার্ন করতে জলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। ঠাণ্ডা পানি খাওয়া মাত্র শরীরের তাপমাত্র হঠাৎ করে কমে যায়। ফলে সেই সময় তাপমাত্রা বাড়াতে শরীরকে অতিরিক্ত কাজ করা শুরু করতে হয়। আর এমনটা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকবাবেই বেশি মাত্রায় জ্বালানির প্রয়োজন পরে। ফলে ওজন কমতে সময় লাগে না। 

কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা দূর হয় : রাতে শুতে যাওয়ার আগে এবং সকালে উঠে যদি প্রতিদিন এক গ্লাস করে গরম পানি খেতে পারেন, তাহলে দেখবেন নিমেষে কোষ্টকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমে যাবে। এমনটা করলে বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বেরিয়ে যেতে কোনও অসুবিধাই হয় না।

ইন্টারনেট থেকে

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা