• ই-পেপার

বইয়ের শিক্ষায় নয়, বিবেকের ঘাটতিতেই বাড়ছে সমাজের সংকট

গরমের দুপুরে আম-ভাত কতটা উপকারী?

জীবনযাপন ডেস্ক
গরমের দুপুরে আম-ভাত কতটা উপকারী?
সংগৃহীত ছবি

গ্রীষ্ম এলেই বাঙালির ঘরে ঘরে আমের রাজত্ব শুরু হয়। পাকা আমের মিষ্টি সুবাস, কাঁচা আমের টক স্বাদ কিংবা আম দিয়ে তৈরি নানা পদ—সব কিছুই যেন গরমের দিনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। তবে আমের অসংখ্য পদের ভিড়ে একটি খাবার আজও গ্রামবাংলার উঠান থেকে শুরু করে শহুরে ঘরেও সমান জনপ্রিয়—আম-ভাত।

পাকা আমের রসালো মিষ্টতা আর সাদা ভাতের মোলায়েম স্বাদ একসঙ্গে মিশে তৈরি করে এক ভিন্নধর্মী স্বাদ। কেউ কেউ এতে সামান্য দুধ মিশিয়ে খান, কেউ আবার একটু চিনি বা গুড় যোগ করেন। আবার অনেকের পছন্দ একেবারে সাদামাটা—শুধু পাকা আম চটকে গরম ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে নেওয়া। স্বাদের এই বৈচিত্র্যই আম-ভাতকে করে তুলেছে আরো আপন।

eee

আম-ভাতে যত পুষ্টিগুণ

পুষ্টিগুণের দিক থেকেও আম-ভাত কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফাইবার এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। অন্যদিকে ভাত শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগায়। ফলে গরমে ক্ষুধামন্দা দেখা দিলেও আম-ভাত অনেকের জন্য হয়ে ওঠে আরামদায়ক ও তৃপ্তিদায়ক খাবার।

নতুন প্রজন্মের কাছেও হোক সমাদৃত

গ্রামের অনেক বাড়িতে এখনো দেখা যায়, খাবারের শেষে নয় বরং মূল খাবার হিসেবেই পরিবেশন করা হয় আম-ভাত। প্রবীণ মানুষের কাছে এটি নস্টালজিয়ার খাবার। কারণ গরমের এই মৌসুমে আম-ভাত তাদের কাছে  শুধু একটি খাবার নয়, হয়তো এই এক প্লেট আম-ভাতই ফিরিয়ে নিয়ে যায়  শৈশবের নির্ভার দিনগুলোতে।

গ্রামের শিশুদের কাছেও এটি অত্যন্ত প্রিয়। আমের মিষ্টি স্বাদ তাদের ভাত খাওয়ার আগ্রহও বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু নতুন প্রজন্ম কিংবা শহরে বেড়ে ওঠা শিশুরা এই স্বাদের সঙ্গে খুব পরিচিত নয়। আমের মৌসুমে পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত আম খাওয়ার ওপর জোর দিতে হবে। তাহলে স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ হবে নতুন প্রজন্ম। 

দেশে দেশে জনপ্রিয় আম-ভাত

সহজ, সাশ্রয়ী এবং সুস্বাদু এই খাবার গরমের দিনের এক অনন্য প্রশান্তি নিয়ে আসে। ফলে শুধু বাংলাদেশেই নয় প্রতিবেশী দেশগুলোতেও এই রসালো ফলটি জনপ্রিয়। বিশেষত থাইল্যান্ডেও আম-ভাত খাওয়া বেশ প্রচলিত।

332

বর্তমান থাই ডেজার্ট ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। বাঙালির আম-ভাতের সঙ্গে তার এক ধরনের আত্মীয়তা রয়েছে। দুটোর মূল উপাদানই আম ও ভাত। তবে বাঙালির সংস্করণটি আরো সহজ, আরো ঘরোয়া। বাঙালির আম-ভাত তৈরির প্রস্তুতি বেশ সরল। একটি পাকা আম আর এক প্লেট ভাতই যথেষ্ট। তবে থাই ডেজার্ট ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস তৈরিতে বিশেষ উপকরণের প্রয়োজন।

পাকা আম-ভাত রেসিপি

প্রচণ্ড গরমের দিনে যখন ভারী খাবার খেতে ইচ্ছা করে না, তখন আম-ভাত হতে পারে দারুণ একটি বিকল্প। এটি যেমন পেট ভরায়, তেমনি এনে দেয় প্রশান্তির অনুভূতি। যেহেতু নতুন প্রজন্মের অনেকেরই এর স্বাদ সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই। তাই আমের মৌসুমে একদিন হলেও পরিবারের সবাইকে নিয়ে আম-ভাতের আয়োজন করা যেতে পারে। আম-ভাত বানাতে শুধু দুই কিংবা তিনটি উপকরণই যথেষ্ট।

উপকরণ

আম : ১টি (পাকা)
ভাত : আধ/১ প্লেট
দুধ : ৩ টেবিল চামচ 
চিনি : স্বাদমতো
লবণ : পরিমাণমতো

প্রণালি

মিষ্টি ও সুগন্ধীযুক্ত একটি পাকা আম ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। আমের বাকল ছড়িয়ে রাখতে হবে। প্লেটে গরম কিংবা ঠাণ্ডা ভাত নিয়ে এর ওপর আম হাতে চেপে রস বের করে আটি ফেলে দিতে হবে। অল্প পরিমাণে দুধ ঢেলে নিতে হবে। যদি স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে চান তাহলে স্বাদমতো চিনি ও লবণ ছিটিয়ে হাত দিয়ে ভাতের সঙ্গে সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে। এরপরই প্রস্তুত হয়ে যাবে আম-ভাত।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও লিভারের যত্নে জামের উপকারিতা

জীবনযাপন ডেস্ক
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও লিভারের যত্নে জামের উপকারিতা
সংগৃহীত ছবি

গরম পড়লেই বাজারে দেখা মেলে টক-মিষ্টি স্বাদের ফল জামের। এটি শুধু জিভের স্বাদই বাড়ায় না, শরীরের জন্যও দারুণ উপকারী। বিশেষ করে লিভার বা যকৃতের যত্নে জাম অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে এখন জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে তরুণদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দ্রুত বাড়ছে, আর এই পরিস্থিতিতে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় জাম রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, জামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং প্রদাহরোধী উপাদান, যা লিভারের কোষকে সুরক্ষা দেয়। লিভারে ফ্যাট বা চর্বি জমতে শুরু করলে কিছু এনজাইমের মাত্রা বেড়ে যায়। নিয়মিত সীমিত পরিমাণে জাম খেলে সেই ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যাদের প্রাথমিক স্তরের ফ্যাটি লিভার রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সুষম খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি জাম বেশ উপকারী। চিকিৎসকদের মতে, উপকার পেতে প্রতিদিন এক মুঠো জামই যথেষ্ট। তবে এক দিন বেশি খেয়ে পরে বন্ধ করে দিলে লাভ হবে না; নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে খাওয়াটাই আসল।

লিভার ছাড়াও শরীরের আরো নানা উপকারে আসে এই ফল :

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : জাম রক্তে শর্করার (সুগার) মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফ্যাটি লিভারের সঙ্গে ইনসুলিনের ভারসাম্যের সরাসরি যোগ রয়েছে, যা ঠিক রাখতে জাম সাহায্য করে।

হজমশক্তি বৃদ্ধি : জামে থাকা আঁশ বা ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং বিপাকক্রিয়া উন্নত করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ : কম ক্যালরিযুক্ত ফল হওয়ায় এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করতে পারে।

কিভাবে খাবেন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাটকা জাম ধুয়ে সরাসরি খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। অনেকে টকভাব কমাতে সামান্য বিট লবণ মিশিয়ে খান। এ ছাড়া স্মুদি বা ফলের বাটিতে (ফ্রুট সালাদ) মিশিয়েও এটি খাওয়া যেতে পারে।

কিছু সতর্কতা
ওষুধের বিকল্প নয় : জামকে কখনোই লিভারের মূল ওষুধের বিকল্প ভাবা উচিত নয়। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সঠিক খাবার ও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি একটি সহায়ক খাবার মাত্র।

অতিরিক্ত খাওয়ার ক্ষতি : বেশি পরিমাণে জাম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে।

ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে : যারা ডায়াবেটিসের নিয়মিত ওষুধ খান, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জামের পরিমাণ ঠিক করা উচিত। কারণ, এটি রক্তে সুগারের মাত্রা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।

পচনশীলতা : জাম খুব দ্রুত পচে যায়, তাই খাওয়ার আগে ভালো করে দেখে নেওয়া জরুরি।

সূত্র : দ্য ওয়াল

সহজ রেসিপিতে ঘরেই তৈরি করুন জাপানিজ প্রন টেম্পুরা

জীবনযাপন ডেস্ক
সহজ রেসিপিতে ঘরেই তৈরি করুন জাপানিজ প্রন টেম্পুরা
সংগৃহীত ছবি

বিকেলের নাস্তা কিংবা ঘরোয়া আড্ডায় গোল্ডেন ফ্রায়েড প্রন তো প্রায়ই খাওয়া হয়। তবে চিংড়ির স্বাদে যদি একটু ভিন্নতা আনতে চান, তবে ঝটপট বানিয়ে ফেলতে পারেন জাপানিজ স্টাইলের প্রন টেম্পুরা। এটি যেমন মুচমুচে, তেমনই সুস্বাদু। চলুন, জেনে নিই এর সহজ রেসিপি।

উপকরণের জন্য
লেজ-সহ চিংড়ি: ৫০০ গ্রাম
ময়দা: ১ কাপ
কর্নফ্লাওয়ার: ১ কাপ
ডিম: ২টি
খাবার সোডা: এক চিমটে
পাতিলেবু: ১টি
রসুন: ৫-৬ কোয়া
গোলমরিচ গুঁড়ো ও লবণ: পরিমাণমতো
স্প্রিং অনিয়ন (পেঁয়াজ পাতা): আধ মুঠো
সাদা তেল: ১ কাপ (ভাজার জন্য)

সসের জন্য
সয়া সস: ২ টেবিল চামচ
ভিনেগার: ১ চা চামচ
ব্রাউন সুগার: আধা চা চামচ
আদা কুচি: সামান্য

প্রণালি
প্রথমে চিংড়ি মাছগুলো ভালো করে ধুয়ে, খোসা বেছে পানি ঝরিয়ে নিন (লেজটা রেখে দেবেন)। এবার সামান্য রসুন কুচি ও পাতিলেবুর রস দিয়ে মাছগুলো মাখিয়ে কিছুক্ষণ সরিয়ে রাখুন। এবার একটি বড় বাটিতে ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার, খাবার সোডা, ডিম, লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো একসঙ্গে মেশান। এবার এই মিশ্রণে বরফ ঠাণ্ডা পানি ঢেলে একটি মসৃণ ব্যাটার বা গোলা তৈরি করে নিন। কড়াইতে সাদা তেল গরম করুন। ম্যারিনেট করে রাখা চিংড়িগুলো লেজ ধরে একটি একটি করে ব্যাটারে ডুবিয়ে গরম তেলে ছাড়ুন। চিংড়ির গায়ে হালকা লালচে সোনালি রং ধরলে তেল ছেঁকে তুলে নিন। উপর থেকে সামান্য স্প্রিং অনিয়ন কুচি ছড়িয়ে দিন। একটি ছোট পাত্রে সয়া সস, ভিনেগার, ব্রাউন সুগার ও মিহি করে কাটা আদা একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিলেই তৈরি টেম্পুরার বিশেষ সস। ব্যস, তৈরি গরম গরম মুচমুচে প্রন টেম্পুরা। এবার সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন আর বিকালের নাস্তায় উপভোগ করুন।

সূত্র : এই সময়

মলের সঙ্গে রক্ত দেখেও অবহেলা করছেন, এটি পাইলস নাকি ক্যান্সারের লক্ষণ?

জীবনযাপন ডেস্ক
মলের সঙ্গে রক্ত দেখেও অবহেলা করছেন, এটি পাইলস নাকি ক্যান্সারের লক্ষণ?
সংগৃহীত ছবি

মলত্যাগের সময় রক্ত দেখা গেলে অনেকেই প্রথমে ধরে নেন এটি পাইলসের সমস্যা। আবার কেউ কেউ লজ্জা বা অবহেলার কারণে বিষয়টি নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না। তবে চিকিৎসকদের মতে, মলদ্বার থেকে রক্তপাতের পেছনে পাইলস, ফিসার কিংবা অন্যান্য সাধারণ কারণ থাকতে পারে, আবার কখনও এটি গুরুতর রোগেরও ইঙ্গিত হতে পারে। তাই রক্তপাতের ধরন, রঙ এবং এর সঙ্গে থাকা অন্যান্য উপসর্গের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

ভারতীয় গণমাধ্যম এই সময় মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়ার কারণ ও এর প্রতিকার নিয়ে এই প্রতিবেদন করেছে।

কেন হয় মলদ্বার থেকে রক্তপাত?

মলদ্বার থেকে রক্তপাতের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো পাইলস (অর্শ) এবং অ্যানাল ফিসার। দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য, শক্ত মল, মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে এসব সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কম আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান না করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাব কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি বাড়ায়। ফলে মলদ্বারের শিরা ফুলে গিয়ে পাইলস বা ত্বকে ফাটল তৈরি হয়ে ফিসারের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

পাইলস ও ফিসারের রক্তপাত কীভাবে আলাদা করবেন?

পাইলস হলে সাধারণত মলত্যাগের সময় ব্যথাহীনভাবে উজ্জ্বল লাল রঙের রক্ত বের হয়। অনেক সময় টয়লেটের কমোডে রক্তের দাগ দেখা যায়।

অন্যদিকে অ্যানাল ফিসারের ক্ষেত্রে রক্তপাতের সঙ্গে তীব্র ব্যথা, জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্তি অনুভূত হয়। মলত্যাগের সময় বা পরেও এই ব্যথা কিছু সময় স্থায়ী হতে পারে।

কখন রক্তপাতকে বিপদসংকেত হিসেবে দেখবেন?

সব ধরনের রক্তপাতকে পাইলস ভেবে নিশ্চিন্ত হওয়ার সুযোগ নেই। চিকিৎসকদের মতে, রক্তের রঙ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়।

যদি রক্ত উজ্জ্বল লাল হয় এবং অন্য কোনো উপসর্গ না থাকে, তাহলে তা সাধারণত পাইলস বা ফিসারের মতো সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে রক্ত যদি কালচে লাল হয় কিংবা মল আলকাতরার মতো কালো দেখায়, তাহলে তা পরিপাকতন্ত্রের ভেতরে অন্য কোনো জটিল সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে যেসব উপসর্গ

মলদ্বার থেকে রক্তপাতের পাশাপাশি যদি কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

পেটে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, বারবার দুর্বল লাগা, মাথা ঘোরা, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন বা রক্তস্বল্পতার লক্ষণ দেখা দিলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব লক্ষণ কোলোরেক্টাল ক্যান্সারসহ গুরুতর রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

অবহেলা নয়, প্রয়োজন দ্রুত চিকিৎসা

দেশে এখনও অনেক মানুষ মলদ্বার-সংক্রান্ত সমস্যাকে লজ্জার বিষয় মনে করেন। ফলে দীর্ঘদিন রক্তপাত হলেও চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করেন। এতে রোগ জটিল হয়ে ওঠার ঝুঁকি বাড়ে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, মলদ্বার থেকে বারবার রক্তপাত হলে বা রক্তপাতের সঙ্গে অন্য কোনো অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে নিজে নিজে চিকিৎসা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কারণ নির্ণয় করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা সম্ভব।

সুস্থ থাকতে যা করবেন

মলদ্বার-সংক্রান্ত অনেক সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান, আঁশসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য এড়িয়ে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

মনে রাখতে হবে, মলদ্বার থেকে রক্তপাত সব সময় ভয়ংকর কোনো রোগের লক্ষণ নয়। তবে এটি শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তাও হতে পারে। তাই অবহেলা নয়, সচেতনতাই হতে পারে সুস্থ থাকার সবচেয়ে বড় উপায়।