• ই-পেপার

পেঁয়াজের খোসা না ফেলে কাজে লাগাতে পারেন

চুলের যত্নে নারকেল তেলের সঙ্গে মেশাতে পারেন যে ৫ উপাদান

জীবনযাপন ডেস্ক
চুলের যত্নে নারকেল তেলের সঙ্গে মেশাতে পারেন যে ৫ উপাদান
সংগৃহীত ছবি

চুলের যত্নে নারকেল তেলের ব্যবহার বহু যুগ ধরে প্রচলিত। প্রাকৃতিক এই তেল শুধু চুলকে নরম ও উজ্জ্বল রাখে না, বরং চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং চুল ভাঙা কমাতেও সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নারকেল তেলে থাকা লরিক অ্যাসিড চুলের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে, যা চুলের প্রোটিন ক্ষয় কমাতে সাহায্য করে। ফলে চুল থাকে আরো স্বাস্থ্যকর, মজবুত এবং প্রাণবন্ত। তবে নারকেল তেলের সঙ্গে কিছু উপকারী উপাদান মিশিয়ে ব্যবহার করলে এর উপকারিতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। জেনে নিন এমন ৫টি কার্যকর সংমিশ্রণের কথা।

নারকেল তেল ও মেথি

মেথি বীজে রয়েছে প্রোটিন, আয়রন, ফ্ল্যাভোনয়েড ও নিকোটিনিক অ্যাসিডের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান, যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক বলে মনে করা হয়। এছাড়া মেথিতে থাকা লেসিথিন মাথার ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে এবং শুষ্কতা কমায়।

ব্যবহার পদ্ধতি
২ টেবিল চামচ মেথি সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পেস্ট তৈরি করে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বক ও চুলে লাগান।

নারকেল তেল ও ভৃঙ্গরাজ

আয়ুর্বেদে ভৃঙ্গরাজকে ‘ভেষজের রাজা’ বলা হয়। এটি চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে এবং অকালেই চুল পেকে যাওয়া প্রতিরোধে সহায়ক বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে।

ব্যবহার পদ্ধতি
আধা কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ শুকনো ভৃঙ্গরাজ গুঁড়ো মিশিয়ে ১৫ মিনিট হালকা আঁচে গরম করুন। ঠান্ডা হলে ছেঁকে কাচের বোতলে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ব্যবহার করুন।

নারকেল তেল ও কালোজিরা

কালোজিরায় থাকা থাইমোকুইনোন শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক উপাদান হিসেবে পরিচিত। এটি মাথার ত্বকের প্রদাহ ও জ্বালাভাব কমাতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি চুলের গোড়াকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকেও সুরক্ষা দেয় বলে মনে করা হয়।

ব্যবহার পদ্ধতি
গুঁড়ো করা কালোজিরা নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক ঘণ্টা রেখে ব্যবহার করতে পারেন।

নারকেল তেল ও লবঙ্গ

চুলের যত্নে লবঙ্গের ব্যবহার খুব বেশি পরিচিত না হলেও এটি বেশ উপকারী হতে পারে। লবঙ্গে থাকা ইউজেনল অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল গুণে সমৃদ্ধ, যা মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি রক্তসঞ্চালন বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

ব্যবহার পদ্ধতি
৪ থেকে ৫টি লবঙ্গ নারকেল তেলে হালকা গরম করুন। ঠান্ডা হলে সেই তেল মাথার ত্বকে মালিশ করুন।

নারকেল তেল ও রোজমেরি অয়েল

বর্তমানে চুলের বৃদ্ধির জন্য রোজমেরি অয়েল বেশ জনপ্রিয় একটি প্রাকৃতিক উপাদান। এটি মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন বাড়াতে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে।

ব্যবহার পদ্ধতি
২ টেবিল চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ৫ ফোঁটা রোজমেরি এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। সারা রাত রেখে পরদিন শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

যদিও এসব প্রাকৃতিক উপাদান চুলের যত্নে সহায়ক হতে পারে, তবে সবার ত্বক ও চুলের ধরন এক নয়। তাই নতুন কোনো উপাদান ব্যবহার করার আগে অল্প পরিমাণে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। কোনো ধরনের অ্যালার্জি বা সমস্যা দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নিতে চাইলে নারকেল তেলের সঙ্গে এই উপাদানগুলোর সংমিশ্রণ হতে পারে একটি সহজ ও কার্যকর সমাধান।

সূত্র : এই সময়

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উপকারী হতে পারে যে ফল

জীবনযাপন ডেস্ক
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উপকারী হতে পারে যে ফল
সংগৃহীত ছবি

স্বাস্থ্যসচেতনদের খাদ্যতালিকায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অ্যাভোকাডো। সালাদ, টোস্ট কিংবা বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর খাবারে এই বিদেশি ফলের ব্যবহার এখন বেশ পরিচিত। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হওয়ায় একে অনেকেই ‘সুপারফুড’ বলে থাকেন। সম্প্রতি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অ্যাভোকাডোর ভূমিকা নিয়েও আলোচনা বেড়েছে।

পুষ্টিবিদদের মতে, অ্যাভোকাডোতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৬, পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন খনিজ উপাদান, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট (গুড ফ্যাট) । অন্যান্য অনেক ফলের তুলনায় এতে কার্বোহাইড্রেট কম এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বেশি থাকে, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য অ্যাভোকাডো উপকারী হতে পারে কারণ এর উচ্চ ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রক্তে শর্করার দ্রুত ওঠানামা কমাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যাভোকাডো সমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস খাদ্যের গ্লাইসেমিক লোড কমাতে সহায়তা করতে পারে।

সকালের নাস্তায় ব্রাউন ব্রেডের সঙ্গে অ্যাভোকাডোর শাঁস মেখে খাওয়া যেতে পারে। সিদ্ধ ডিমের সঙ্গে খেলে তা আরো পুষ্টিকর হতে পারে। ফাইবারের উপস্থিতির কারণে এটি দীর্ঘ সময় তৃপ্তি দেয় এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমায়। তবে চিকিৎসকদের মতে, অ্যাভোকাডো কোনোভাবেই ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়। এটি কেবল স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি অংশ হতে পারে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সুষম খাদ্য, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাভোকাডো উপকারী হলেও আপেল, পেয়ারা বা অন্যান্য পুষ্টিকর ফলের বিকল্প হিসেবে নয়; বরং সুষম খাদ্যতালিকার অংশ হিসেবেই এটি খাওয়া উচিত।

সূত্র : আনন্দবাজার

ব্রাজিলিয়ানদের প্রিয় খাবার ‘ফেইজোয়াদা’, যেভাবে এলো এই ঐতিহ্যবাহী স্টু

জীবনযাপন ডেস্ক
ব্রাজিলিয়ানদের প্রিয় খাবার ‘ফেইজোয়াদা’, যেভাবে এলো এই ঐতিহ্যবাহী স্টু
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল তারকা নেইমারের দেশ ব্রাজিলকে আমরা সবাই চিনি তাদের সাম্বা নাচ, সঙ্গীত আর ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার জন্য। কিন্তু ফুটবল মাঠের বাইরেও ব্রাজিলের আরেকটি জিনিস বিশ্বজুড়ে দারুণ জনপ্রিয়, আর তা হলো তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার ‘ফেইজোয়াদা ব্রাসিলেইরা’। মাংস ও শিমের মিশ্রণে তৈরি এই স্টু বা ঘন ঝোলকে বলা হয় ব্রাজিলের জাতীয় খাবার। দেশটির মানুষের কাছে এটি কেবল একটি খাবার নয়, বরং এক টুকরো ‘আত্মার খোরাক’।

‘ফেইজোয়াদা’ আসলে কী?
পর্তুগিজ শব্দ ‘ফেইজাও’ (যার অর্থ শিম) থেকে এই খাবারের নাম হয়েছে ফেইজোয়াদা। এটি মূলত বিভিন্ন ধরনের শিম এবং গরু বা শূকরের মাংস একসাথে অনেক সময় ধরে অল্প আঁচে মাটির পাত্রে রান্না করা একটি বিশেষ স্টু। ব্রাজিলের একেক অঞ্চলে এটি একেকভাবে রান্না করা হয়। যেমন রিও ডি জেনেইরোতে কালো শিম দিয়ে এটি তৈরি করা হলেও, বাহিয়া অঞ্চলে লাল বা বাদামী শিম বেশি জনপ্রিয়। ঐতিহ্যবাহী রান্নায় মাংসের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার করা হলেও, আধুনিক রেস্টুরেন্টগুলোতে এখন স্মোকড সসেজ, বেকন বা গরুর মাংস দিয়ে এটি পরিবেশন করা হয়।

ফেইজোয়াদার ইতিহাস নিয়ে চমৎকার কিছু তথ্য রয়েছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন, ব্রাজিলের দাসপ্রথার সময় এই খাবারের জন্ম। সে যুগে দাসেরা তাদের মালিকদের ফেলে দেওয়া মাংসের টুকরো আর শিম দিয়ে এই স্টু তৈরি করত। তবে আধুনিক গবেষকদের মতে, এটি মূলত ইউরোপীয় বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে এসেছে। কম খরচে ও কম পরিশ্রমে অনেক মানুষের খাবার একসঙ্গে তৈরি করার সহজ উপায় হিসেবে তারা এই মাংস-শিমের স্টু রান্না শুরু করেছিল।

ব্রাজিলিয়ানরা সাধারণত সাদা ভাত, বেকন ও কুচানো সবজির সাথে ফেইজোয়াদা উপভোগ করেন। সাথে থাকে কমলার ফালি, যা এই ভারী খাবারটি সহজে হজম করতে সাহায্য করে। খাবার শেষে ব্রাজিলের সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় ‘কাইপিরিনহা’ (আখের রস থেকে তৈরি বিশেষ পানীয়) দিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন তারা।

ব্রাজিলে ফেইজোয়াদা খাওয়ার অর্থ হলো—সবাই মিলে আনন্দ করা। সাধারণত সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতে দিতে অলস দুপুরে এই ভারী খাবারটি খাওয়া হয়। আপনি যদি কখনো ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে যান, তবে সেখানকার ‘কাসা দা ফেইজোয়াদা’ বা ‘বার মিনেরো’র মতো বিখ্যাত জায়গাগুলো থেকে এই আসল ফেইজোয়াদার স্বাদ নিতে ভুলবেন না যেন!

টানা ৭ দিন ডাবের পানি খেলে কী হয় শরীরে?

জীবনযাপন ডেস্ক
টানা ৭ দিন ডাবের পানি খেলে কী হয় শরীরে?
সংগৃহীত ছবি

গরমে এক গ্লাস ঠাণ্ডা ডাবের পানি যেন মুহূর্তেই স্বস্তি এনে দেয়। প্রাকৃতিক এই পানীয় শুধু তৃষ্ণা মেটায় না, শরীরের জন্যও রয়েছে নানা উপকারিতা। তাই অনেকেই নিয়মিত ডাবের পানি পান করেন। কিন্তু টানা ৭ দিন ডাবের পানি খেলে শরীরে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে? এর কি শুধু উপকারই আছে, নাকি কিছু সতর্কতার বিষয়ও রয়েছে?

শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে

ডাবের পানির সবচেয়ে বড় উপকারিতা হলো এটি শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। গরমে অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীর থেকে পানি ও প্রয়োজনীয় খনিজ বের হয়ে যায়। ডাবের পানিতে থাকা প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট, বিশেষ করে পটাশিয়াম ও সোডিয়াম, সেই ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ফলে ক্লান্তি ও অবসাদ কিছুটা কমতে পারে।

হজমে সাহায্য করে

ডাবের পানিতে থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করতে সাহায্য করে। ভারী খাবার খাওয়ার পর অনেকেরই অস্বস্তি বা বদহজমের সমস্যা দেখা দেয়। নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে হজম ভালো হতে পারে এবং পেট তুলনামূলক স্বস্তিতে থাকে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে

ডাবের পানিতে ক্যালোরি কম এবং চর্বি প্রায় নেই বললেই চলে। এছাড়া এটি পেট ভরা অনুভূতি তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কিছুটা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে শুধু ডাবের পানি খেয়ে ওজন কমানো সম্ভব নয়; এর সঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রমও প্রয়োজন।

lll

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে

শরীর পর্যাপ্ত হাইড্রেটেড থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব ত্বকেও দেখা যায়। নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে ত্বক আর্দ্র রাখতে সাহায্য করতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে ব্রণ, রুক্ষতা বা ক্লান্ত দেখানো ত্বকের সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।

চুল ও নখের জন্য উপকারী

ডাবের পানিতে থাকা ভিটামিন ও খনিজ উপাদান চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। এটি চুলের গোড়া মজবুত রাখতে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম নখের ভঙ্গুরতা কমাতে এবং নখকে স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করতে পারে।

চোখের নিচের ফোলা ভাব কমাতে সহায়ক

শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক থাকলে চোখের নিচের ফোলা ভাব কিছুটা কমতে পারে। পর্যাপ্ত হাইড্রেশন ত্বকের স্বাভাবিক সতেজতা বজায় রাখতেও সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় ভূমিকা

ডাবের পানিতে থাকা কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে পারে। এছাড়া এটি ইউরিনারি ট্র্যাক্টকে সুস্থ রাখতে সহায়ক বলেও মনে করা হয়।

kk
কখন ডাবের পানি খাওয়া ভালো?

কখন ডাবের পানি খাওয়া ভালো?

অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, সকালে খালি পেটে ডাবের পানি পান করলে শরীর দ্রুত পুষ্টি উপাদান শোষণ করতে পারে। এছাড়া শরীরচর্চা, দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকার পর বা অতিরিক্ত ঘামের পর ডাবের পানি পান করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

ডাবের পানির কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে

ডাবের পানি উপকারী হলেও সবার জন্য সমানভাবে উপযোগী নাও হতে পারে।

  • কিডনির সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের অতিরিক্ত ডাবের পানি পান করা ঠিক নয়, কারণ এতে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে।
  • ডায়াবেটিস রোগীদেরও পরিমাণ বুঝে পান করা উচিত, কারণ এতে প্রাকৃতিক শর্করা রয়েছে।
  • অতিরিক্ত পান করলে কারও কারও পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে।
  • ডাবের পানি কোনো রোগের চিকিৎসা নয় এবং এটি ওষুধের বিকল্পও নয়।

lll

শেষকথা

টানা ৭ দিন ডাবের পানি খেলে শরীরে কোনো অলৌকিক পরিবর্তন না এলেও হাইড্রেশন, হজম, ত্বকের আর্দ্রতা ও সামগ্রিক সতেজতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। তবে সর্বোচ্চ উপকার পেতে হলে সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি ডাবের পানিকে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করাই সবচেয়ে ভালো।

পেঁয়াজের খোসা না ফেলে কাজে লাগাতে পারেন | কালের কণ্ঠ