• ই-পেপার

হলুদ, জিরা, গোলমরিচে বাড়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা!

বাসি হলেই বেড়ে যায় যেসব খাবারের স্বাদ

অনলাইন ডেস্ক
বাসি হলেই বেড়ে যায় যেসব খাবারের স্বাদ
সংগৃহীত ছবি

আমাদের অনেকে মনে কিছু খাবার বাসি হলেই ভালো লাগে। কথাটি সব খাবারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না হলেও কিছু রান্না সত্যিই এক দিন পর খেতে ভালো লাগে। কারণ, রান্না ঠান্ডা হয়ে কিছু সময় বিশ্রামে থাকলে মসলা, চর্বি, ঝোল ও অন্যান্য উপাদানের স্বাদ একে অপরের সঙ্গে আরো ভালোভাবে মিশে যায়। ফলে খাবারের ফ্লেভার হয় আরো ভারসাম্যপূর্ণ। খবর দ্য গার্ডিয়ান ও দ্য চিকেন

তবে মনে রাখতে হবে, বাসি খাবার সুস্বাদু হওয়ার অর্থ এই নয় যে তা দীর্ঘ সময় বাইরে রেখে খাওয়া নিরাপদ। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে নিচের কয়েকটি খাবার পরের দিন আরো বেশি সুস্বাদু লাগতে পারে।

আসুন, জেনে নেওয়া যাক বাসি হলে কোন খাবার খেতে ভালো লাগে—

  • গরুর মাংসের ঝোল

গরুর মাংসের ঝোল এমন একটি খাবার, যা অনেকেই রান্নার দিন নয়, বরং পরের দিন খেতে বেশি পছন্দ করেন। ফ্রিজে রাখার পর মসলা ও ঝোলের স্বাদ ধীরে ধীরে মাংসের ভেতরে আরও ভালোভাবে প্রবেশ করে। একই সঙ্গে ঝোলের চর্বিও অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিশে স্বাদকে আরও সমৃদ্ধ করে।

পরের দিন ধীরে ধীরে গরম করলে ঝোল আরও ঘন লাগে এবং মাংসও অনেক সময় আরও নরম ও রসালো মনে হয়। গরম ভাত, পরোটা বা নানের সঙ্গে এই ঝোলের স্বাদ যেন আরও বেড়ে যায়।

  • খিচুড়ি

বর্ষার দিনে ধোঁয়া ওঠা খিচুড়ির তুলনা নেই। তবে অনেকের মতে, পরের দিনের খিচুড়ির স্বাদ আরও বেশি জমে। চাল, ডাল, ঘি ও মসলার স্বাদ একসঙ্গে আরও ভালোভাবে মিশে গিয়ে একটি সমৃদ্ধ ফ্লেভার তৈরি করে।

অনেকে পরের দিন সামান্য ঘি বা সরিষার তেল দিয়ে খিচুড়ি গরম করে কিংবা হালকা ভেজে খান। এতে স্বাদ ও ঘ্রাণ আরও বেড়ে যায়।

  • কোরমা ও রেজালা

বাদাম, দই, ঘি ও সুগন্ধি গরম মসলায় তৈরি কোরমা ও রেজালার মতো খাবার সময়ের সঙ্গে আরও সুস্বাদু হয়ে ওঠে। রান্নার কয়েক ঘণ্টা পর থেকেই এর ফ্লেভারে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। পরের দিন গরম করলে ঝোল আরও ঘন লাগে এবং বাদাম, দই ও মসলার স্বাদ একে অপরের সঙ্গে এমনভাবে মিশে যায়, যা প্রথম দিনের তুলনায় অনেকের কাছেই বেশি উপভোগ্য মনে হয়।

  • ডাল

ভাজা পেঁয়াজ, রসুন, শুকনা মরিচ কিংবা কাঁচামরিচের ফোড়ন দেওয়া ডাল পরের দিন খেতে ভালো লাগে। ফ্রিজে রাখার পর ডাল কিছুটা ঘন হয়ে যায় এবং ফোড়নের সুবাস পুরো পাত্রজুড়ে আরও ভালোভাবে ছড়িয়ে পড়ে। পরের দিন গরম ভাত, ভর্তা কিংবা ভাজির সঙ্গে এই ডাল অনেকেরই প্রিয় খাবার।

  • বিরিয়ানি

বিরিয়ানির আসল জাদু অনেক সময় পরের দিন বোঝা যায়। চাল, মাংস, ঘি, জাফরান ও মসলার সুবাস রাতভর একসঙ্গে মিশে আরও সমৃদ্ধ স্বাদ তৈরি করে। পরের দিন অল্প আঁচে বা স্টিম দিয়ে গরম করলে চালের প্রতিটি দানায় মাংস ও মসলার সুগন্ধ আরও ভালোভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিরিয়ানি বারবার গরম করা উচিত নয়, এতে স্বাদ যেমন নষ্ট হয়, তেমনি খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

  • খাবার সংরক্ষণে যেসব বিষয় মনে রাখবেন

বাসি খাবার সুস্বাদু লাগলেও নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। রান্না করা খাবার দুই ঘণ্টার বেশি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা ঠিক নয়। যত দ্রুত সম্ভব ঠান্ডা করে বায়ুরোধী পাত্রে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।

খাওয়ার আগে খাবার ভালোভাবে গরম করুন এবং একই খাবার বারবার গরম করা এড়িয়ে চলুন। যদি খাবারের গন্ধ, রং বা স্বাদে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায়, তাহলে সেটি না খাওয়াই নিরাপদ।

যেসব কারণে নীরবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় লিভার

অনলাইন ডেস্ক
যেসব কারণে নীরবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় লিভার
প্রতীকী ছবি

বর্তমানে ফ্যাটি লিভার একটি অত্যন্ত সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। অনেকেই মনে করেন, শুধু মদ্যপান করলেই ফ্যাটি লিভার হয়। কিন্তু বাস্তবে যারা কখনো অ্যালকোহল পান করেন না, তাদেরও এই রোগ হতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও স্থূলতা এর অন্যতম কারণ।

  • ফ্যাটি লিভার কী?

ফ্যাটি লিভার হলো এমন একটি অবস্থা, যখন লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করে। সাধারণত লিভারে সামান্য চর্বি থাকা স্বাভাবিক। তবে লিভারের মোট ওজনের ৫ শতাংশের বেশি চর্বি জমলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

  • ফ্যাটি লিভার হওয়ার প্রধান কারণ

১. অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা : যাদের ওজন বেশি বা পেটের মেদ বেশি, তাদের ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি অনেক বেশি। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি লিভারেও জমতে থাকে।

২. অতিরিক্ত চিনি ও জাঙ্ক ফুড খাওয়া : কোমল পানীয়, মিষ্টি, কেক, বিস্কুট, ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়মিত খেলে লিভারে চর্বি জমার আশঙ্কা বাড়ে।

৩. ডায়াবেটিস : বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ফ্যাটি লিভার খুবই সাধারণ। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ঝুঁকি আরও বাড়ে।

৪. রক্তে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি থাকা : রক্তে ক্ষতিকর চর্বির মাত্রা বেড়ে গেলে তা লিভারের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৫. নিয়মিত ব্যায়াম না করা : অলস জীবনযাপন ও দীর্ঘ সময় বসে থাকার অভ্যাস ফ্যাটি লিভারের অন্যতম কারণ।

৬. অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান : অতিরিক্ত মদ্যপান লিভারের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং অ্যালকোহলজনিত ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৭. কিছু ওষুধ ও অন্যান্য রোগ : দীর্ঘদিন কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ সেবন, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া, অপুষ্টি কিংবা কিছু হরমোনজনিত সমস্যার কারণেও ফ্যাটি লিভার হতে পারে।

  • কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

প্রাথমিক অবস্থায় অনেকেরই কোনো লক্ষণ থাকে না। তবে ধীরে ধীরে দেখা দিতে পারে—
১. ডান পাশের ওপরের পেটে অস্বস্তি বা ব্যথা
২. অতিরিক্ত ক্লান্তি
৩. দুর্বলতা
৪. ক্ষুধামন্দা
৫. ওজন কমে যাওয়া (গুরুতর ক্ষেত্রে)

  • কিভাবে প্রতিরোধ করবেন?

১. স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার খান।
২. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করুন।
৩. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৪. কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন।
৫. ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৬. অ্যালকোহল পান করলে তা পরিহার বা সীমিত করুন।

শ্যাম্পু করার পরও বারবার খুশকি? জেনে নিন করণীয়

জীবনযাপন ডেস্ক
শ্যাম্পু করার পরও বারবার খুশকি? জেনে নিন করণীয়
সংগৃহীত ছবি

সকালে শ্যাম্পু করার পর বিকেলেই মাথায় আবার অস্বস্তি ও চুলকানি, আর চুলকালেই নখের গোড়ায় সাদা গুঁড়ো পদার্থ—এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। চিরুনি চালালেই চুল পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝরে পড়ে মরা চামড়া। অনেকেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দামি শ্যাম্পু বা হেয়ার ক্লিনিকের পেছনে হাজার হাজার টাকা খরচ করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খুশকির সমাধান এত জটিল নয়; এর জন্য আগে খুশকি হওয়ার আসল কারণ বুঝতে হবে।

খুশকি কেন হয়?
মানুষের মাথার ত্বকে স্বাভাবিকভাবেই ‘ম্যালাসেজ়িয়া’ নামের এক ধরনের ছত্রাক বা ইস্ট থাকে। কিন্তু যখন মাথায় অতিরিক্ত তেল, ঘাম জমে কিংবা অতিরিক্ত গরম ও মানসিক চাপ তৈরি হয়, তখন এই ছত্রাকের বংশবৃদ্ধি ঘটে। ছত্রাকের এই আধিক্য মাথার ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যার ফলে ত্বকের কোষগুলো দ্রুত নিষ্প্রাণ হয়ে ঝরে পড়তে শুরু করে। এই ঝরে পড়া মৃত কোষই হলো খুশকি।

খুশকি মূলত দুই ধরনের
তৈলাক্ত খুশকি : এই খুশকি কিছুটা হলদেটে ও চটচটে হয়, যা সহজে চুল থেকে ঝরে পড়ে না। এগুলো চুলের গোড়ায় লেগে থেকে অনবরত চুলকানি ও জ্বালা ভাব তৈরি করে। অতিরিক্ত চুলকানির কারণে মাথা কেটে-ছড়ে গিয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। যাদের মাথার ত্বক তৈলাক্ত, গরমে ও ঘামে তাঁদের এই সমস্যা বেশি হয়।

শুষ্ক খুশকি : মাথায় হাত দিয়ে সামান্য ঘষলেই এই খুশকি গুঁড়োর মতো ঝুরঝুর করে কাঁধে, পিঠে ও কপালে ঝরে পড়ে। শুষ্ক ত্বকে ম্যালাসেজ়িয়া ছত্রাকের প্রভাবেই এটি হয় এবং শীতকালে এর প্রকোপ বাড়ে। অনেকের ধারণা মাথায় তেল দিলে এই খুশকি কমবে, যা সম্পূর্ণ ভুল। তেল দিলে এই খুশকি কমার সম্ভাবনা তো নেই-ই, বরং উল্টো হতে পারে।

গরমে কেন বাড়ে খুশকির উপদ্রব?
গরমের তীব্র রোদ ও বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে মাথায় প্রচুর ঘাম ও তেল জমে। এই পরিবেশ ম্যালাসেজ়িয়া ছত্রাকের বৃদ্ধির জন্য একদম আদর্শ। এ ছাড়া গরমে দীর্ঘক্ষণ হেলমেট পরে থাকা কিংবা ভেজা চুল বেঁধে রাখলেও এই ছত্রাক দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে।

প্রতিকার ও শ্যাম্পু ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
সাধারণ শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুলে তা শুধু কয়েক ঘণ্টার জন্য মৃত কোষ দূর করে, কিন্তু ঘাম বা তেল জমলেই খুশকি আবার ফিরে আসে। তাই এর স্থায়ী সমাধানের জন্য ছত্রাকনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধের দোকান থেকে এই শ্যাম্পু কেনা উচিত।

যেহেতু খুশকি একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, তাই সাময়িকভাবে কমে গেলেও বিশেষ শ্যাম্পু ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না। এটি ব্যবহারের নিয়ম হলো :
১। শুরুতে প্রতি ২-৩ দিন পর পর একবার ব্যবহার করতে হবে।
২। খুশকি নিয়ন্ত্রণে এলে সপ্তাহে একবার ব্যবহার করতে হবে।
৩। পরবর্তী সময়ে সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাসে অন্তত দুইবার এই শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুতে হবে।

সতর্কতায় করণীয় কিছু অভ্যাস
মাথা ঘামলে যত্ন : মাথার ত্বক ঘেমে গেলে অবশ্যই পরিষ্কার পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে নিতে হবে। ধুয়ে নেওয়া সম্ভব না হলে দ্রুত ফ্যানের বাতাসে চুল ভালো করে শুকিয়ে নিতে হবে।

ভেজা চুল না বাঁধা : কোনো অবস্থাতেই ভেজা চুল বা ঘেমে থাকা চুল বেঁধে রাখা যাবে না।

পরিচ্ছন্নতা : নিয়মিত ব্যবহৃত হেলমেট, স্কাল ক্যাপ ও চিরুনি সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

সূত্র : আনন্দবাজার

স্ট্রোক না হার্ট অ্যাটাক? বুঝবেন যেসব লক্ষণে

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্ট্রোক না হার্ট অ্যাটাক? বুঝবেন যেসব লক্ষণে
সংগৃহীত ছবি

বর্তমানে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। ৩০ পার হতেই কিংবা অল্পবয়সীদের মধ্যেও দেখা দিচ্ছে হার্টের নানা সমস্যা। তবে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক কিন্তু এক বিষয় নয়। হার্ট অ্যাটাক হয় যখন হার্টে রক্ত সরবরাহে বাধা থাকে। আর স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে বা রক্তনালি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ হলে মস্তিষ্কের কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মারা যায়।

হার্ট অ্যাটাক আর স্ট্রোক দুটোই জরুরি অবস্থা, কিন্তু দুটির লক্ষণ আলাদা। দ্রুত বুঝতে পারলে জীবন বাঁচানো যায়। দেখে নিন কোন কোন লক্ষণে আপনি প্রাথমিকভাবে বুঝবেন হার্ট অ্যাটাক নাকি স্ট্রোক।

  • সহজভাবে পার্থক্যগুলো জেনে নিন

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ

  • বুকে চাপ বা ভারী ব্যথা—মাঝখানে, বাঁ-দিকে ছড়াতে পারে
  • ব্যথা ছড়িয়ে পড়া—বাঁ হাত, কাঁধ, পিঠ, চোয়াল
  • শ্বাসকষ্ট
  • ঠাণ্ডা ঘাম হওয়া
  • বমি বমি ভাব বা বমি
  • অস্বাভাবিক ক্লান্তি
  • ব্যথা ৫-১৫ মিনিট বা তার বেশি স্থায়ী হয়
  • বিশ্রামেও কমে না
  • শরীর ভারী বা চাপা লাগে

 স্ট্রোকের লক্ষণ

  • মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া
  • এক হাত দুর্বল হয়ে পড়া, তুলতে না পারা
  • কথা জড়ানো, পরিষ্কারভাবে বলতে না পারা
  • হঠাৎ দৃষ্টি ঝাপসা বা এক চোখে কম দেখা
  • হঠাৎ ভারসাম্য হারানো, মাথা ঘোরা
  • হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা

হার্ট অ্যাটাকে ৪-৬ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা শুরু করলে ক্ষতি কম হয়। স্ট্রোকে সোনালি সময় ৩–৪.৫ ঘণ্টা, এ সময়ের মধ্যে চিকিৎসা পেলে মস্তিষ্কের ক্ষতি কমে।

হলুদ, জিরা, গোলমরিচে বাড়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা! | কালের কণ্ঠ