• ই-পেপার

সাইবার ঝুঁকি বাড়ায় নিরাপত্তা আপডেটের নিয়ম বদলাচ্ছে অ্যাপল

মোবাইল নাম্বার ছাড়া যোগাযোগ করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপে

অনলাইন ডেস্ক
মোবাইল নাম্বার ছাড়া যোগাযোগ করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপে
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বজুড়ে ৩০০ কোটিরও বেশি মানুষের ব্যবহৃত জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য এক যুগান্তকারী প্রাইভেসি বা গোপনীয়তা ফিচার নিয়ে আসছে। এখন থেকে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের জন্য আর নিজের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর শেয়ার করতে হবে না; ফোন নম্বরের পরিবর্তে ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট ‘ইউজারনেম’ ব্যবহার করতে পারবেন। খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-এপি

মেটা-মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি সোমবার (২৯ জুন) জানিয়েছে, এই বছরের শেষের দিকে বিশ্বব্যাপী ফিচারটি সবার জন্য উন্মুক্ত করার আগে প্রাথমিকভাবে ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের পছন্দের ও অনন্য ইউজারনেম অগ্রিম রিজার্ভ বা বুকিং করার সুযোগ দেওয়া শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে এই ফিচার পুরোপুরি চালু হলে ব্যবহারকারীরা চাইলে তাদের ফোন নম্বর লুকিয়ে রেখে কেবল এই ইউজারনেম বা হ্যান্ডেলের মাধ্যমেই একে অপরের সাথে যুক্ত হতে পারবেন।

হোয়াটসঅ্যাপের প্রোডাক্ট বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালিস নিউটন-রেক্স সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটিকে সম্পূর্ণ একটি কোর প্রাইভেসি ফিচার হিসেবে ডিজাইন করেছি। প্রথমবার কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই তার সঠিক ও নিখুঁত ইউজারনেমটি জানতে হবে।’

হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে, এই ইউজারনেমগুলোর কোনো পাবলিক ডিরেক্টরি বা উন্মুক্ত তালিকা থাকবে না। এমনকি সার্চ করার সময় কোনো অটো-কমপ্লিট সাজেস্ট বা অনুমিত নামও প্রদর্শন করা হবে না। অর্থাৎ, হুবহু সঠিক ইউজারনেম না লিখলে কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না, যা ব্যবহারকারীদের অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজ বা স্প্যামিং থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখবে। এতদিন পর্যন্ত যার কাছেই ফোন নম্বর থাকত, সেই হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করতে পারত, যা এখন বন্ধ হতে যাচ্ছে।

অনলাইনে আকর্ষণীয় ও ছোট ইউজারনেম বা হ্যান্ডেল পাওয়ার জন্য ব্যবহারকারীদের মধ্যে সব সময়ই এক ধরনের প্রতিযোগিতা থাকে। বিষয়টি মাথায় রেখেই মূল রোলআউটের বেশ আগেই নাম রিজার্ভ করার উইন্ডো খুলে দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।

মেটার অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন— ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সংস্থা এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ভেরিফাইড বা বিদ্যমান অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তারা হোয়াটসঅ্যাপেও তাদের সেই একই ইউজারনেমটি আগে দাবি বা ক্লেইম করার সুযোগ পাবেন।

হোয়াটসঅ্যাপের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একটি ইউজারনেম সর্বনিম্ন ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ অক্ষরের হতে পারবে। কোনো সেলিব্রেটি, পাবলিক ফিগার বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে যাতে কেউ ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা ইউজারনেম তৈরি করতে না পারে, সেজন্য উচ্চ-প্রোফাইল সম্পন্ন ব্যক্তিদের নামগুলো আগে থেকেই রিজার্ভ বা ব্লক করে রাখছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি সেটিংসে কেবল নির্দিষ্ট নম্বর ব্লক করা কিংবা অজানা নম্বর থেকে আসা কল সাইলেন্ট করে রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্বব্যাপী এই নতুন ইউজারনেম ফিচারটি চালু হলে, তা হোয়াটসঅ্যাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রাইভেসি আপডেট হতে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে তিন ডেটা সেন্টারে ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ

ব্ল্যাকস্টোনের মালিকানাধীন তিনটি ডেটা সেন্টারে অংশীদারি কিনছে ডিজিটাল রিয়ালটি।

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে তিন ডেটা সেন্টারে ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের ডেটা সেন্টার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল রিয়েলটি ব্ল্যাকস্টোনের মালিকানাধীন তিনটি ডেটা সেন্টারে ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের (প্রায় ৪৩,১৯২ কোটি ১০ লাখ বাংলাদেশি টাকা) অংশীদারিত্ব কিনছে।

সোমবার (২৯ জুন) এ চুক্তির ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানটি। খবর প্রকাশের পর প্রাক-বাজার লেনদেনে ডিজিটাল রিয়েলটির শেয়ারের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমে যায়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সিএনবিসির এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়। 

চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠানটি ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার নগদ (১৪,৮০৮ কোটি ৭২ লাখ বাংলাদেশি টাকা) এবং ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের (প্রায় ২৮,৩৮৩ কোটি ৩৮ লাখ বাংলাদেশি টাকা ) শেয়ার দেবে। তিনটি ডেটা সেন্টারের মোট মূল্য ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার  (প্রায় ৯৬,২৫৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা)।

ডিজিটাল রিয়েলটি ভার্জিনিয়ার মানাসাসে থাকা দুটি ৯৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার ডেটা সেন্টারে ব্ল্যাকস্টোনের ৮০ শতাংশ অংশীদারিত্ব কিনবে। এছাড়া স্টার্লিংয়ের আরেকটি ৯৬ মেগাওয়াট ডেটা সেন্টারে ৫০ শতাংশ অংশীদারিত্ব নেবে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা গ্রেগ রাইট বলেন, এই চুক্তি ব্ল্যাকস্টোনের সঙ্গে তাদের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের নতুন ধাপ। এর মাধ্যমে উচ্চমানের ও সম্পূর্ণ ভাড়ায় পরিচালিত ডেটা সেন্টারের মালিকানা আরো বাড়বে।

ডিজিটাল রিয়েলটি বিশেষ করে ভার্জিনিয়ায় নিজেদের উপস্থিতি বাড়াতে চায়। অঞ্চলটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার বাজার হিসেবে পরিচিত।

প্রতিষ্ঠানটির প্রত্যাশা, দুটি ডেটা সেন্টার ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে এবং আরেকটি ২০২৮ সালের প্রথমার্ধে পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালনায় আসবে।

রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান জেএলএলের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকায় বর্তমানে নির্মাণাধীন ডেটা সেন্টারের ৯২ শতাংশ সক্ষমতা আগেই গ্রাহকদের কাছে বরাদ্দ হয়ে গেছে। ফলে ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই খাতে খালি সক্ষমতা কমই থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া বিশ্লেষকদের মতে, অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, মেটা ও গুগলের মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এআই অবকাঠামোয় বিপুল বিনিয়োগ করায় ডেটা সেন্টারের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতেই বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে ডিজিটাল রিয়েলটি।

এআই চিপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশাল বিনিয়োগ, সুযোগের পাশাপাশি বাড়ছে ঝুঁকির শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
এআই চিপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশাল বিনিয়োগ, সুযোগের পাশাপাশি বাড়ছে ঝুঁকির শঙ্কা
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং, এসকে গ্রুপের চেয়ারম্যান চে তায়ে-ওয়ন ও স্যামসাং চেয়ারম্যান লি জে-ইয়ং। ছবি : রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চাহিদাকে সামনে রেখে বিশাল বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার দুই শীর্ষ চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ইলেকট্রনিকস ও এসকে হাইনিক্স। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে এআই চিপের চাহিদা কমে গেলে এই বিনিয়োগ বড় ঝুঁকির কারণও হতে পারে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে প্রায় ৩ হাজার ২০০ ট্রিলিয়ন ওন বা প্রায় ২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন চিপ ক্লাস্টার নির্মাণও রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের মেমোরি চিপ উৎপাদন সক্ষমতা দ্বিগুণ করতে চায়। এ জন্য ইয়ংইন সেমিকন্ডাক্টর ক্লাস্টারে কারখানা নির্মাণও দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে এআই প্রসেসরে ব্যবহৃত হাই-ব্যান্ডউইথ মেমোরি চিপ উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্স। এআই প্রযুক্তির বিস্তারে এই চিপের চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে।

তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, নতুন কারখানা চালু হতে কয়েক বছর সময় লাগবে। এর মধ্যে এআই খাতে বিনিয়োগ কমে গেলে বাজারে অতিরিক্ত চিপ সরবরাহের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

মর্নিংস্টারের বিশ্লেষক জিং জিয়ে ইউ বলেন, দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো বাজারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ এআই কম্পানিগুলো ভবিষ্যতেও একই গতিতে বিনিয়োগ করবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।

সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক লি জং-হো বলেন, এত বড় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। তাই বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সতর্ক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

অতীতে চিপের বাজারে মন্দার কারণে স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্স বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছিল। ২০২৩ সালেও এ দুই প্রতিষ্ঠান বড় অঙ্কের লোকসান গুনেছে।

তবে প্রতিষ্ঠান দুটি জানিয়েছে, বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনে বিনিয়োগের গতি সমন্বয় করা হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সরকার দ্রুত অনুমোদন ও অবকাঠামোগত সহায়তারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এআই যুগে এটি দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য বড় সুযোগ। তবে এই বিশাল বিনিয়োগের সফলতা শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক এআই চিপের চাহিদার ওপর।

৩ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি পেল চীনের চিপ নির্মাতা সিএক্সএমটি

অনলাইন ডেস্ক
৩ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি পেল চীনের চিপ নির্মাতা সিএক্সএমটি
ছবি : রয়টার্স

চীনের মেমোরি চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চ্যাংসিন মেমোরি টেকনোলজিস (সিএক্সএমটি) প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেনসেন্টের সঙ্গে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চুক্তির মূল্য ২০ বিলিয়ন ইউয়ানেরও বেশি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকার সমান।

সোমবার (২৯ জুন) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ চুক্তির আওতায় সিএক্সএমটি আগামী কয়েক বছর টেনসেন্টকে সার্ভারে ব্যবহৃত ডিআরএএম মেমোরি চিপ সরবরাহ করবে। সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চুক্তির মেয়াদ তিন থেকে পাঁচ বছর হতে পারে।

ডিআরএএম চিপ ক্লাউড কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডেটাবেইস এবং ডেটা সেন্টার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশ্বজুড়ে এ ধরনের চিপের চাহিদা বাড়ায় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তিতে আগ্রহী হচ্ছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, সিএক্সএমটি খুব শিগগিরই সাংহাই শেয়ারবাজারে বড় আকারের শেয়ার ছাড়ার (আইপিও) প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর আগে টেনসেন্টের সঙ্গে এ চুক্তি প্রতিষ্ঠানটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সিএক্সএমটি ২০১৬ সালে চীনা সরকারের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম ডিআরএএম চিপ নির্মাতা। ২০২৫ সালে বিশ্ববাজারে প্রতিষ্ঠানটির অংশীদারিত্ব ছিল প্রায় ৭ দশমিক ৭ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটি শুধু টেনসেন্ট নয়, আলিবাবা ক্লাউড, বাইটড্যান্স, লেনোভো ও শাওমিসহ আরও কয়েকটি বড় চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও একই ধরনের চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করছে বলে জানা যায়।

বিশ্বব্যাপী মেমোরি চিপের সংকটের কারণে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ডিআরএএম চিপের দাম আগের প্রান্তিকের তুলনায় প্রায় ৯৫ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৭ সাল পর্যন্ত এ বাজারে উচ্চ চাহিদা অব্যাহত থাকতে পারে।

চাহিদা বাড়ায় উৎপাদনও বাড়াচ্ছে সিএক্সএমটি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির দুটি কারখানা হেফেই এবং একটি বেইজিংয়ে রয়েছে। পাশাপাশি সাংহাইয়ে নতুন একটি ডিআরএএম কারখানা নির্মাণ করছে তারা। নতুন কারখানা চালু হলে মাসিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ হবে।

তবে প্রতিষ্ঠানটি এখনো প্রযুক্তিগত কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ডিডিআর৫ মেমোরি চিপ উৎপাদনে কাঙ্ক্ষিত মান অর্জনে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।