• ই-পেপার

অস্কারে সেরা অভিনেত্রীর মুকুট বাকলির, সেরা অভিনেতা জর্ডান

বিঠাবাই হয়ে চমকে দিলেন শ্রদ্ধা

বিনোদন ডেস্ক
বিঠাবাই হয়ে চমকে দিলেন শ্রদ্ধা
সংগৃহীত ছবি

বলিউডে একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিলেও শীর্ষ নায়িকাদের আলোচনায় সব সময় খুব বেশি দেখা যায় না শ্রদ্ধা কাপুরকে। তবে নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণ করার চেষ্টায় কখনো পিছিয়ে যাননি তিনি। বরং সময়ের সঙ্গে নিজেকে ভেঙে গড়ে ভিন্নধর্মী চরিত্রে হাজির হওয়ার প্রবণতাই তাঁকে আলাদা করেছে। 

সেই ধারাবাহিকতায় এবার কিংবদন্তি মারাঠি লোকশিল্পী বিঠাবাই ভাউ মাং নারায়ণগাঁওকরের চরিত্রে অভিনয় করে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

নির্মাতা লক্ষ্মণ উতেকারের নতুন সিনেমা ‘ইথা’-তে বিঠাবাইয়ের জীবনকাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত টিজারে শ্রদ্ধার রূপান্তরিত উপস্থিতি দর্শকদের বিস্মিত করেছে। চরিত্রটির প্রতি তাঁর নিবেদন ও অভিনয়ের গভীরতা ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিজারে বিঠাবাইয়ের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের আভাস তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও মঞ্চে পারফর্ম করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। প্রসববেদনায় কাতর হওয়ার পর মঞ্চের পেছনেই সন্তানের জন্ম দেন, কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেন না। কিছুক্ষণ পরই আবার মঞ্চে ফিরে গিয়ে অনুষ্ঠান চালিয়ে যান। শিল্পের প্রতি এমন অসাধারণ নিবেদন টিজারের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।

Eetha Teaser: Shraddha Kapoor Transforms Into Legendary Lavani Dancer  Vithabai Narayangaonkar

এই দৃশ্য শুধু দর্শকদের আবেগাপ্লুতই করেনি, বরং বিঠাবাইয়ের জীবন ও সংগ্রাম সম্পর্কে জানার আগ্রহও বাড়িয়ে দিয়েছে। নির্মাতাদের বিশ্বাস, দর্শকদের এই কৌতূহল সিনেমাটির প্রতি আগ্রহ আরো বাড়াবে।

মারাঠি লোকনাট্যের ইতিহাসে বিঠাবাই ভাউ মাং নারায়ণগাঁওকর এক কিংবদন্তি নাম। ‘তামাশা’ ও ‘লাবণী’ নৃত্যের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন। মহারাষ্ট্রের লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণ ও জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান ছিল অনন্য। শিল্পী পরিবারে বেড়ে ওঠা বিঠাবাই সারা জীবন মঞ্চকেই নিজের ধ্যান-জ্ঞান হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।

এমন একজন সংগ্রামী ও প্রভাবশালী শিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি শ্রদ্ধা কাপুর। 

সিনেমাটি নিয়ে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘অর্থ আর খ্যাতির মোহে নয়, ‘ইথা’ সিনেমাটি বেছে নিয়েছি, একজন কিংবদন্তির জীবন সফর কতটা সংগ্রামী আর ঘটনাবহুল তা এই প্রজন্মকে জানাতে। আমি মনে করি, ‘ইথা’ সিনেমাটি অভিনয় জীবনের এক উল্লেখযোগ্য কাজ হিসেবে থেকে যাবে।’

টিজারে শ্রদ্ধার অভিনয় দেখে অনেকেই মনে করছেন, এটি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং কাজ হতে যাচ্ছে। আগামী ২৮ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

এক পোস্টেই যেন থামল জল্পনা

বিনোদন ডেস্ক
এক পোস্টেই যেন থামল জল্পনা
সংগৃহীত ছবি

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা চলছিল তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় ও অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানকে ঘিরে। বিজয়ের জন্মদিনেও তাকে শুভেচ্ছা জানাননি তার এই কথিত প্রেমিকা। 

শুধু তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম থেকে দুজনেই দুজনকে আনফলো করেছেন বলেও খবর। এরপরই রীতিমতো আলোচনা শুরু হয় নেটিজেনদের মধ্যে। দুজনের সম্পর্কে কি কোনো ঝামেলা চলছে? 

অবশেষে সেই জল্পনার মাঝেই বিজয়ের ৫২তম জন্মদিন উপলক্ষে একটি বিশেষ পোস্ট করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন তৃষা।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে গতকাল তৃষা সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবিতে দেখা যায়, গোলাপি ও সাদা রঙের একটি বড় কেকের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন বিজয়। তাঁর দিকে হাসিমুখে তাকিয়ে রয়েছেন তৃষা। 

ছবির সঙ্গে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘যে মানুষ সবকিছুকে সার্থক করে তোলে, তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।’

Aadhi Shiva's Video on X

এই পোস্ট প্রকাশের পরই ভক্তদের মধ্যে চলতে থাকা নানা গুঞ্জন অনেকটাই স্তিমিত হয়েছে। কারণ, বিজয়ের জন্মদিনে এ বছর প্রথমদিকে তৃষার কোনো শুভেচ্ছাবার্তা না আসায় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছিল।

অতীতে বিজয়ের জন্মদিনে নিয়মিতই বিশেষ পোস্ট করেছেন তৃষা। ২০২৫ সালে একটি পোষা কুকুরসহ ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছিলেন, ‘হ্যাপি বার্থডে বেস্টেস্ট’। তার আগের বছর লিফটে তোলা একটি সেলফির সঙ্গে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছিলেন, ‘ঝড়ের মাঝে শান্তি, শান্তির মাঝে ঝড়, সামনে আসুক আরও অনেক মাইলফলক।’ 

২০২৩ সালে বরফে ঢাকা প্রাকৃতিক পরিবেশে তোলা তাঁদের একটি ছবি শেয়ার করে শুধু ‘এইচবিডি’ লিখেছিলেন তিনি।

এবার দীর্ঘ সময় কোনো পোস্ট না আসায় সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা। তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে নতুন এই পোস্টের পর ভক্তদের একাংশ মনে করছেন, সম্পর্ক নিয়ে ছড়ানো বেশিরভাগ গুঞ্জনেরই জবাব মিলেছে।

তৃষা ও বিজয়ের পরিচয় এবং বন্ধুত্বের ইতিহাসও দীর্ঘদিনের। ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ঘিল্লি’ সিনেমায় প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করেন তারা। এরপর ‘থিরুপাচি’, ‘আথি’, ‘কুরুবি’ ও ‘লিও’সহ একাধিক ছবিতে জুটি বেঁধে দর্শকদের মন জয় করেছেন।

একসময় তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল বলে গুঞ্জন শোনা গেলেও পরে সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। প্রায় ১৪ বছর পর আবারও একসঙ্গে কাজ করে তারা আলোচনায় আসেন।

সম্প্রতি বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নানা খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী সংগীতা সর্নালিঙ্গমের সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জনের পর তৃষার নামও বিভিন্ন আলোচনায় উঠে আসে। যদিও এসব বিষয়ে বিজয় কিংবা তৃষা কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

এদিকে বিভিন্ন পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে তাঁদের একসঙ্গে উপস্থিতি, নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বিজয়ের বাসভবনে তৃষার উপস্থিতি এবং শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার ঘটনাগুলোও নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। তবে সব জল্পনার মধ্যেই জন্মদিনের এই একটি পোস্ট যেন আবারও তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে চলা বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল।

পাঁচ দিনে কত আয় করল শাহিদ-রাশমিকার সিনেমা?

বিনোদন ডেস্ক
পাঁচ দিনে কত আয় করল শাহিদ-রাশমিকার সিনেমা?
সংগৃহীত ছবি

মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে শাহিদ কাপুর, কৃতি শ্যানন ও রাশমিকা মান্দানা অভিনীত ‘ককটেল ২’। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত ১৯ জুন প্রেক্ষাগৃহে আসে ছবিটি। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই দর্শকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং মুখে মুখে প্রচারের কারণে আয় বাড়ছে ছবিটির।

উদ্বোধনী সপ্তাহান্ত পার হলেও দর্শক আগ্রহে ভাটা পড়েনি। বরং কর্মদিবসেও সন্তোষজনক ব্যবসা করছে ছবিটি। মুক্তির প্রথম দিনেই ১৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি সংগ্রহ করে আলোচনায় আসে ‘ককটেল ২’।

স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির পঞ্চম দিনে—অর্থাৎ মঙ্গলবার ছবিটি আয় করেছে আরো ৬ কোটি ৬৫ লাখ রুপি। ফলে ভারতের বাজারে সিনেমাটির মোট নেট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৬০ কোটি ৯০ লাখ রুপি।

এদিকে বক্স অফিসে ছবিটির সামনে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে একাধিক বড় বাজেটের সিনেমা। বরুণ ধাওয়ানের ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’, রাম চরণ ও জাহ্নবী কাপুরের ‘পেড্ডি’, ববি দেওলের ‘বন্দর’, কঙ্গনা রানাওয়াতের ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’, দিলজিৎ দোসাঞ্জের ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’ এবং ‘হন্টেড থ্রিডি : ইকোজ অব দ্য পাস্ট’-এর মতো ছবির ভিড়েও নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে ‘ককটেল ২’।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া জনপ্রিয় রোমান্টিক-কমেডি ‘ককটেল’-এর সিক্যুয়াল হিসেবে নির্মিত হয়েছে ‘ককটেল ২’। প্রথম কিস্তিতে অভিনয় করেছিলেন সাইফ আলি খান, দীপিকা পাড়ুকোন, ডায়ানা পেন্টি, ডিম্পল কাপাডিয়া, বোমান ইরানি ও রণদীপ হুদা। সেই সময় ছবিটি দর্শকপ্রিয়তার পাশাপাশি বক্স অফিসেও বড় সাফল্য পেয়েছিল।

প্রথম ছবির জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে নির্মিত সিক্যুয়ালটিও একই পথে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পাঁচ দিনের আয়ই ইঙ্গিত দিচ্ছে, খুব শিগগিরই ১০০ কোটির ক্লাবে নাম লেখাতে পারে শাহিদ-রাশমিকার এই সিনেমা।

আইসিসির মাতৃত্বকালীন নীতির প্রশংসায় দীপিকা

অনলাইন ডেস্ক
আইসিসির মাতৃত্বকালীন নীতির প্রশংসায় দীপিকা
সংগৃহীত ছবি

নারী ক্রিকেটারদের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নতুন মাতৃত্বকালীন নির্দেশিকার মন খুলে প্রশংসা করেছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। এই উদ্যোগটিকে খেলাধুলার জগতে নারীদের জন্য একটি ‘যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।

বর্তমানে দীপিকা ও রণবীর সিং তাদের দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় আছেন। মা হতে যাওয়া এই অভিনেত্রী তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে আইসিসির নতুন এই নীতিমালার একটি খবর শেয়ার করে এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। ২০২৬ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন আইসিসি মূলত মা হওয়ার পর নারী ক্রিকেটারদের খেলায় ফেরার প্রক্রিয়া সহজ করতে এই আনুষ্ঠানিক নিয়ম চালু করেছে।

আইসিসি জানিয়েছে, সন্তান জন্মদানের পর একজন নারী ক্রিকেটার যেন সহজেই আবার মাঠে ফিরতে পারেন, সে জন্য এই নিয়ম তৈরি করা হয়েছে। এই নতুন নীতিমালার মূল বিষয়গুলো হলো চিকিৎসা ও মানসিক সেবা, ব্যক্তিগত পুনর্বাসন পরিকল্পনা, শিশু পরিচর্যা ও যাতায়াত সহায়তা, চুক্তির নিশ্চয়তা। ক্রিকেট কর্মকর্তারা বলছেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো—কোনো নারী ক্রীড়াবিদকে যেন মা হওয়া এবং নিজের ক্যারিয়ারের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য হতে না হয়।

কাজের জায়গা নারীবান্ধব ও সুস্থ রাখা নিয়ে দীপিকা পাড়ুকোন সব সময়ই সোচ্চার। এর আগেও তিনি বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত নারীদের মানসিক স্বাস্থ্য, আট ঘণ্টার সুনির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও পারিবারিক সহায়তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন। এবার খেলাধুলার জগতেও নারীদের অধিকার নিশ্চিত হওয়ায় তিনি এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেন।

আইসিসি মেডিকক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির তৈরি করা এই কাঠামোটি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম এমন কোনো উদ্যোগ। এটি মোট ছয়টি ধাপে কাজ করবে, যা একজন খেলোয়াড়কে সুস্থ হয়ে ধীরে ধীরে মূল প্রতিযোগিতায় ফিরতে সাহায্য করবে। আইসিসি চায় মাঠের ভেতরে ও বাইরে উভয় জায়গাতেই যেন নারী খেলোয়াড়রা সমান সুযোগ পান।

সূত্র : গালফ নিউজ