• ই-পেপার

শাশুড়ি সুপ্রিয়া পাঠকের চোখে মীরা ‘হারিয়ে যাওয়া সন্তান’

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা জোভান

অনলাইন ডেস্ক
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা জোভান
সংগৃহীত ছবি

সড়ক দুর্ঘটনায় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি। 

পোস্টে জোভান লেখেন, কিছুদিন আগে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে আমি বাইক অ্যাক্সিডেন্ট করি। আল্লাহর অশেষ রহমতে বড় কোনো ক্ষতি হয়নি, কিন্তু ঘটনাটি আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে।

এই অভিনেতা লেখেন, রাস্তায় আমরা অনেক সময় ভাবি, আরেকটু স্পিডে গেলে কী হবে? বা আমি তো ভালোই চালাই। কিন্তু দুর্ঘটনা কখন, কিভাবে, কার সঙ্গে ঘটবে—তা কেউ জানে না। কয়েক সেকেন্ডের অসাবধানতা জীবন বদলে দিতে পারে।

জোভান আরো লেখেন, বাইক চালানোর সময় হেলমেট ব্যবহার করুন, ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। কারণ আপনার জন্য অপেক্ষা করে আছে আপনার পরিবার, আপনার প্রিয় মানুষগুলো। গন্তব্যে একটু দেরিতে পৌঁছানো ভালো, কিন্তু নিরাপদে পৌঁছানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

অভিনেতার এই পোস্টে তার ভক্ত-অনুরাগীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মন্তব্য করছেন।

মা হিন্দু, বাবা মুসলিম; কোন ধর্মে বিশ্বাসী জিনাত আমান?

বিনোদন ডেস্ক
মা হিন্দু, বাবা মুসলিম; কোন ধর্মে বিশ্বাসী জিনাত আমান?
মায়ের দিক থেকে আমার নাম ললিতেশ্বরী বললেন জিনাত আমান। ছবি: সংগৃহীত।

‘সত্যম শিবম সুন্দরম’, ‘কুরবানি’, ‘ডন’ বা ‘হরে রাম হরে কৃষ্ণ’—এর মতো কালজয়ী ছবিতে অভিনয় করে ভারতীয় সিনেমায় নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন জিনাত আমান। পর্দায় সাহসী ও স্বাধীনচেতা চরিত্র ফুটিয়ে তুলে প্রচলিত ধারণা ভেঙে দেওয়া এই অভিনেত্রী বাস্তব জীবনেও বরাবরই স্পষ্টভাষী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের দুটি নাম, মা-বাবার ভিনধর্মে বিয়ে এবং নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই বলিউড তারকা।

সাক্ষাৎকারে জিনাত জানান, আসলে তার দুটি নাম রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাবার দিক থেকে আমার নাম জিনাত আমান, আর মায়ের দিক থেকে আমার নাম— ললিতেশ্বরী।’ জিনাতের মা বর্ধিনী ছিলেন একজন কট্টর হিন্দু মহিলা, যিনি প্রতিদিন ২-৩ ঘণ্টা পুজো করতেন। জন্মের সময় অবশ্য অভিনেত্রীর নাম ছিল জিনাত আমানুল্লাহ খান।

মা হিন্দু ও বাবা মুসলিম হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে জিনাত নিজে কোন ধর্ম মানেন? এর জবাবে অভিনেত্রী স্পষ্ট জানান, তিনি নিজে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মে বিশ্বাসী নন।

জিনাত বলেন, ‘আমি ধার্মিক নই। কারণ ছোট থেকেই আমি নানা রকমের সংস্কৃতি দেখেছি। আমার মা ছিলেন হিন্দু, বাবা মুসলিম, আর আমার সন্তানদের বাবাও মুসলিম। আবার আমি পড়াশোনা করেছি ক্যাথলিক স্কুলে, অন্যদিকে আমার সৎ বাবা ছিলেন জার্মান।’

সব ধর্মকে খুব কাছ থেকে দেখলেও কোনো বিশেষ ধর্ম বেছে নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি জিনাত। নিজের বিশ্বাস নিয়ে তিনি বলেন, ‘সব ধর্মই ভালো, কেউ খারাপ কিছু শেখায় না। আমি মূলত মানবতা, দয়া, শান্তি এবং মানুষ ও প্রাণীদের প্রতি ভালোবাসায় বিশ্বাস করি। এটাই আমার ধর্ম।’

বিয়েবাড়িতে বন্ধু সেজে লাখ লাখ রুপি আয় করেন ওরি!

বিনোদন ডেস্ক
বিয়েবাড়িতে বন্ধু সেজে লাখ লাখ রুপি আয় করেন ওরি!

বলিউডের যেকোনো পার্টি বা ঘরোয়া আড্ডায় ওরি ওরফে ওরহান অবত্রামণিকে দেখা যাবেই। অনেকের কাছে তার আসল পরিচয় অজানা হলেও, তারকাদের সঙ্গে তার ছবি নিয়মিত ভাইরাল হয়। ওরি আসলে কীভাবে আয় করেন—এই প্রশ্নের উত্তর বহুবার ধোঁয়াশায় রাখলেও, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের আকাশছোঁয়া উপার্জন নিয়ে এবার খোলামেলা কথা বললেন এই নেট-তারকা।

ওরি জানান, তার আয়ের একটা বড় অংশ আসে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার, পেড কনটেন্ট ও নামী অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে গিয়ে। ওরি বলেন, ‘গত মাসে আমি শুধু একটি রিল ভিডিও বানিয়েই ৭৬ লাখ রুপি আয় করেছি।’

জনপ্রিয়তার কারণে বিভিন্ন ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য ওরির কাছে প্রচুর প্রস্তাব আসে। বিয়েবাড়ি বা জন্মদিনের মতো অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য তিনি ১৫ থেকে ২৫ লাখ রুপি পর্যন্ত নেন।

এই প্যাকেজ সম্পর্কে ওরি বলেন, ১৫-২৫ লাখ রুপি দিলে আপনারা আমাকে দুপুরের বা রাতের খাবারেও ডাকতে পারেন। আমি বিয়ে বা জন্মদিনে গিয়ে এমনভাবে সবার সাথে কথা বলব, যেন যার বিয়ে বা জন্মদিন, সে আমার শৈশবের বন্ধু। আমি আপনাদের সঙ্গে সময় কাটাব, পরিবারের সঙ্গে মিশে যাব। এই পুরো বিষয়টাই আপনারা রুপি দিয়ে কিনতে পারেন।

ছবি তোলার বিশেষ ‘পোজ’-এর জন্য ওরি বেশ পরিচিত। ওরি বলেন, ভারতে মাত্র দুজন মানুষ তাদের নিজস্ব পোজের জন্য বিখ্যাত—একজন শাহরুখ খান, আর অন্যজন তিনি নিজে।

ইনস্টাগ্রামে ২৫ লাখেরও বেশি ফলোয়ার থাকা এই তারকার এত টাকা সামলান কে? ওরি জানান, তার আয়ের সমস্ত আর্থিক বিষয় বা হিসাবনিকাশ এখনো তার মা-বাবাই দেখেন। এই পুরনো অভ্যাস তিনি কখনো ছাড়বেন না বলেও জানান।

স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা

অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে
ছবি: কালের কণ্ঠ

স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনায় অভিযোগে করা মামলায় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী।

শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।

শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়াসহ অনেকেই শুনানি করেন। 
অপর দিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।

আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধু ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। 

আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।

শাশুড়ি সুপ্রিয়া পাঠকের চোখে মীরা ‘হারিয়ে যাওয়া সন্তান’ | কালের কণ্ঠ