• ই-পেপার

প্রাণ গেল ২ ভক্তের, আল্লুর পর এবার কাঠগড়ায় রাম চরণ

মা হিন্দু, বাবা মুসলিম; কোন ধর্মে বিশ্বাসী জিনাত আমান?

বিনোদন ডেস্ক
মা হিন্দু, বাবা মুসলিম; কোন ধর্মে বিশ্বাসী জিনাত আমান?
মায়ের দিক থেকে আমার নাম ললিতেশ্বরী বললেন জিনাত আমান। ছবি: সংগৃহীত।

‘সত্যম শিবম সুন্দরম’, ‘কুরবানি’, ‘ডন’ বা ‘হরে রাম হরে কৃষ্ণ’—এর মতো কালজয়ী ছবিতে অভিনয় করে ভারতীয় সিনেমায় নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন জিনাত আমান। পর্দায় সাহসী ও স্বাধীনচেতা চরিত্র ফুটিয়ে তুলে প্রচলিত ধারণা ভেঙে দেওয়া এই অভিনেত্রী বাস্তব জীবনেও বরাবরই স্পষ্টভাষী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের দুটি নাম, মা-বাবার ভিনধর্মে বিয়ে এবং নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই বলিউড তারকা।

সাক্ষাৎকারে জিনাত জানান, আসলে তার দুটি নাম রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাবার দিক থেকে আমার নাম জিনাত আমান, আর মায়ের দিক থেকে আমার নাম— ললিতেশ্বরী।’ জিনাতের মা বর্ধিনী ছিলেন একজন কট্টর হিন্দু মহিলা, যিনি প্রতিদিন ২-৩ ঘণ্টা পুজো করতেন। জন্মের সময় অবশ্য অভিনেত্রীর নাম ছিল জিনাত আমানুল্লাহ খান।

মা হিন্দু ও বাবা মুসলিম হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে জিনাত নিজে কোন ধর্ম মানেন? এর জবাবে অভিনেত্রী স্পষ্ট জানান, তিনি নিজে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মে বিশ্বাসী নন।

জিনাত বলেন, ‘আমি ধার্মিক নই। কারণ ছোট থেকেই আমি নানা রকমের সংস্কৃতি দেখেছি। আমার মা ছিলেন হিন্দু, বাবা মুসলিম, আর আমার সন্তানদের বাবাও মুসলিম। আবার আমি পড়াশোনা করেছি ক্যাথলিক স্কুলে, অন্যদিকে আমার সৎ বাবা ছিলেন জার্মান।’

সব ধর্মকে খুব কাছ থেকে দেখলেও কোনো বিশেষ ধর্ম বেছে নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি জিনাত। নিজের বিশ্বাস নিয়ে তিনি বলেন, ‘সব ধর্মই ভালো, কেউ খারাপ কিছু শেখায় না। আমি মূলত মানবতা, দয়া, শান্তি এবং মানুষ ও প্রাণীদের প্রতি ভালোবাসায় বিশ্বাস করি। এটাই আমার ধর্ম।’

বিয়েবাড়িতে বন্ধু সেজে লাখ লাখ রুপি আয় করেন ওরি!

বিনোদন ডেস্ক
বিয়েবাড়িতে বন্ধু সেজে লাখ লাখ রুপি আয় করেন ওরি!

বলিউডের যেকোনো পার্টি বা ঘরোয়া আড্ডায় ওরি ওরফে ওরহান অবত্রামণিকে দেখা যাবেই। অনেকের কাছে তার আসল পরিচয় অজানা হলেও, তারকাদের সঙ্গে তার ছবি নিয়মিত ভাইরাল হয়। ওরি আসলে কীভাবে আয় করেন—এই প্রশ্নের উত্তর বহুবার ধোঁয়াশায় রাখলেও, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের আকাশছোঁয়া উপার্জন নিয়ে এবার খোলামেলা কথা বললেন এই নেট-তারকা।

ওরি জানান, তার আয়ের একটা বড় অংশ আসে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার, পেড কনটেন্ট ও নামী অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে গিয়ে। ওরি বলেন, ‘গত মাসে আমি শুধু একটি রিল ভিডিও বানিয়েই ৭৬ লাখ রুপি আয় করেছি।’

জনপ্রিয়তার কারণে বিভিন্ন ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য ওরির কাছে প্রচুর প্রস্তাব আসে। বিয়েবাড়ি বা জন্মদিনের মতো অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য তিনি ১৫ থেকে ২৫ লাখ রুপি পর্যন্ত নেন।

এই প্যাকেজ সম্পর্কে ওরি বলেন, ১৫-২৫ লাখ রুপি দিলে আপনারা আমাকে দুপুরের বা রাতের খাবারেও ডাকতে পারেন। আমি বিয়ে বা জন্মদিনে গিয়ে এমনভাবে সবার সাথে কথা বলব, যেন যার বিয়ে বা জন্মদিন, সে আমার শৈশবের বন্ধু। আমি আপনাদের সঙ্গে সময় কাটাব, পরিবারের সঙ্গে মিশে যাব। এই পুরো বিষয়টাই আপনারা রুপি দিয়ে কিনতে পারেন।

ছবি তোলার বিশেষ ‘পোজ’-এর জন্য ওরি বেশ পরিচিত। ওরি বলেন, ভারতে মাত্র দুজন মানুষ তাদের নিজস্ব পোজের জন্য বিখ্যাত—একজন শাহরুখ খান, আর অন্যজন তিনি নিজে।

ইনস্টাগ্রামে ২৫ লাখেরও বেশি ফলোয়ার থাকা এই তারকার এত টাকা সামলান কে? ওরি জানান, তার আয়ের সমস্ত আর্থিক বিষয় বা হিসাবনিকাশ এখনো তার মা-বাবাই দেখেন। এই পুরনো অভ্যাস তিনি কখনো ছাড়বেন না বলেও জানান।

স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা

অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে
ছবি: কালের কণ্ঠ

স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনায় অভিযোগে করা মামলায় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী।

শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।

শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়াসহ অনেকেই শুনানি করেন। 
অপর দিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।

আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধু ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। 

আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।

হলিউডে সফল হওয়ার মন্ত্র জানালেন আলি ফজল

বিনোদন ডেস্ক
হলিউডে সফল হওয়ার মন্ত্র জানালেন আলি ফজল

‘ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড আবদুল’, ‘ডেথ অন দ্য নাইল’ বা ‘কান্দাহার’-এর মতো আন্তর্জাতিক ছবিতে অভিনয় করে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন আলি ফজল। হলিউড নিয়ে দর্শকদের কৌতূহলের শেষ নেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেখানে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সফল হওয়ার একটি সহজ উপায় বাতলে দিলেন এই অভিনেতা। তার মতে, হলিউডে সফল হতে হলে কোনো ধরনের লজ্জা বা দ্বিধা রাখা চলবে না।

আলি ফজল জানান, অডিশন দিতে কখনও সঙ্কোচ করা উচিত নয়। ইন্ডাস্ট্রির একটি ভুল ধারণা ভেঙে দিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই ভাবেন হলিউডে কাজ পেতে হলে আগে কোনো বড় এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। ভালো অডিশনের মাধ্যমে কাজ পাওয়ার পরেই এজেন্সিগুলো অভিনেতাদের প্রতি আগ্রহ দেখায়।

এর আগে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়াও নিজের অভিজ্ঞতায় বলেছিলেন, হলিউডে কাজ শুরুর সময় তিনি নিজের ‘বলিউড তারকা’ পরিচয় মাথায় রাখেননি। এক ঘর লোকের সামনে ‘আমি একজন ভারতীয় অভিনেত্রী’ হিসেবে পরিচয় দিতে তার বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছিল না। আলির কথাতেও যেন প্রিয়াঙ্কার সেই আত্মবিশ্বাসের সুরই পাওয়া গেল।

হলিউডের পাশাপাশি বর্তমানে নিজের নতুন ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ ‘রাখ’ নিয়েও বেশ ব্যস্ত আলি ফজল। প্রসিত রায়ের এই সিরিজটিতে তাকে প্রথমবার পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখা যাবে।

আলি ফজল বলেন, পুলিশের এই জাঁদরেল চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার জন্য তাকে বেশ দীর্ঘ প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এই চরিত্রটি গড়ে তোলার পেছনে পুলিশের পোশাক বা উর্দির একটি বিশেষ ভূমিকা ছিল।

পোশাক পরার প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা মনে করে তিনি বলেন, শুরুতে খাকি পোশাকটি পরলেও চরিত্রটি পুরোপুরি নিজের মধ্যে ধারণ করতে পারেননি। তবে দমে যাননি তিনি। ধীরে ধীরে নানারকম খুঁটিনাটি বিষয় রপ্ত করে এবং নিজের মধ্যে মিলিয়ে চরিত্রটিকে নিখুঁতভাবে গড়ে তুলেছেন।

‘রাখ’ সিরিজে প্রথমবারের মতো নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনালি বেন্দ্রের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন আলি। সহ-অভিনেত্রী সম্পর্কে ওনার অভিজ্ঞতা দারুণ।

সোনালি বেন্দ্রের প্রশংসা করে আলি বলেন, তিনি একজন অসাধারণ শিল্পী। কাজের ক্ষেত্রে যেকোনো সমস্যায় সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। শুটিংয়ের সময় সোনালির দুর্দান্ত অভিনয় দেখে তিনি নিজেই অনেক সময় মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতেন বলে জানান আলি ফজল।

প্রাণ গেল ২ ভক্তের, আল্লুর পর এবার কাঠগড়ায় রাম চরণ | কালের কণ্ঠ