• ই-পেপার

বিয়ে প্রসঙ্গে যা বললেন ববি

আয়ুষ্মান নন, ‘আন্ধাধুন’ ছবির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন বরুণ

অনলাইন ডেস্ক
আয়ুষ্মান নন, ‘আন্ধাধুন’ ছবির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন বরুণ

হিন্দি সিনেমা জগতের অন্যতম সেরা সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘আন্ধাধুন’ (২০১৮)। শ্রীরাম রাঘবন পরিচালিত এবং জাতীয় পুরস্কারজয়ী এই ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিলেন আয়ুষ্মান খুরানা ও টাবু। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান জানিয়েছেন, এই ছবির জন্য আয়ুষ্মান বা টাবু নন, বরং প্রথম পছন্দ ছিলেন তিনি নিজে এবং কঙ্গনা রানাউত।

ইউটিউবে কমেডিয়ান তন্ময় ভাটের একটি অনুষ্ঠানে এসে বরুণ ধাওয়ান নিজের ক্যারিয়ারের এই বড় তথ্যটি শেয়ার করেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এমন কোনো সফল ছবি আছে কি না যা হাতছাড়া করার জন্য তিনি আফসোস করেন? উত্তরে বরুণ জানান, বক্স অফিসের হিসাব বাদ দিলেও ‘আন্ধাধুন’ ছবিটি না করতে পারার জন্য তার মনে বড় অনুশোচনা রয়েছে। তিনি বলেন, আমি তখন অন্য একটি সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, তাই এটি করতে পারিনি। আসলে ছবিটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলাম আমি এবং কঙ্গনা ।

আয়ুষ্মানের চরিত্রের জন্য বরুণ প্রথম পছন্দ ছিলেন—এই তথ্যটি বলিপাড়ায় আগে থেকেই কিছুটা জানা ছিল। তবে ছবিটির প্রধান নারী চরিত্রের জন্য যে কঙ্গনাকে ভাবা হয়েছিল, তা এই প্রথম প্রকাশ্যে এল। তবে ছবিতে কঙ্গনাকে কোন চরিত্রের জন্য ভাবা হয়েছিল—টাবুর খলনায়িকা চরিত্র ‘সিমি’, নাকি রাধিকা আপ্তের চরিত্র, তা অবশ্য বরুণ পরিষ্কার করেননি।

‘আন্ধাধুন’ সিনেমার গল্পটি আবর্তিত হয়েছিল একজন পিয়ানোবাদককে ঘিরে, যিনি আসলে চোখে দেখতে পেলেও সবার সামনে অন্ধ হওয়ার ভান করতেন। একদিন ঘটনাক্রমে তিনি এক প্রভাবশালী নারীর (টাবু) স্বামীর লাশ গুম করার ঘটনা দেখে ফেলেন। এরপর থেকেই তার জীবন পুরোপুরি ওলটপালট হয়ে যায়। ছবিটির শেষ দৃশ্যটিকে বলিউডের অন্যতম সেরা ‘টুইস্ট’ বা রহস্য হিসেবে গণ্য করা হয়।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

আইনি লড়াইয়ে জিতে শুটিংয়ে ফিরছেন অভিনেতা কিম সু-হিউন

অনলাইন ডেস্ক
আইনি লড়াইয়ে জিতে শুটিংয়ে ফিরছেন অভিনেতা কিম সু-হিউন
সংগৃহীত ছবি

প্রায় এক বছরের নানা বিতর্ক আর আইনি লড়াই শেষে আবারও দক্ষিণ কোরিয়ায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেতা কিম সু-হিউন। এটি হতে যাচ্ছে দীর্ঘদিন পর দেশের মাটিতে তার প্রথম কাজ। এই খবরের পর ভক্ত ও বিনোদন দুনিয়ার সবার দৃষ্টি এখন তার স্থগিত হয়ে থাকা অন্যান্য বড় প্রজেক্টগুলোর দিকে।

কোরিয়ান সংবাদমাধ্যম হানকুক ইলবোর বরাত দিয়ে অভিনেতার এজেন্সি গোল্ডমেডেলিস্ট জানিয়েছে, আগামী ১৪ই জুলাই কিম সু-হিউন দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি ফিলিপিনো ফ্যাশন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের শুটিং করবেন। 

প্রয়াত অভিনেত্রী কিম সে-রনের সাথে অতীতের সম্পর্ক নিয়ে গুরুতর কিছু অভিযোগ ওঠার পর লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান এই তারকা। অভিযোগ ছিল, ওই অভিনেত্রীর অপ্রাপ্তবয়স্ক বয়স থেকে তাদের সম্পর্ক ছিল এবং আর্থিক লেনদেন নিয়ে সু-হিউন তাকে চাপ দিয়েছিলেন। তবে এক সংবাদ সম্মেলনে অশ্রুসিক্ত চোখে এই দাবিগুলো পুরোপুরি অস্বীকার করেন অভিনেতা। তিনি জানান, ওই অভিনেত্রী প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেই তাদের সম্পর্ক শুরু হয়েছিল।

নিজের সম্মান রক্ষার্থে সু-হিউন আইনি পদক্ষেপ নেন। ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে একটি ইউটিউব চ্যানেলের প্রধান এবং ওই অভিনেত্রীর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। পাশাপাশি বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণও দাবি করেন তিনি। গত মে মাসে পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয় যে, সু-হিউনের বিরুদ্ধে ছড়ানো অডিও রেকর্ড ও চ্যাটিংয়ের বার্তাগুলো এডিট বা কারসাজি করা ছিল। এরপরই মূল অভিযুক্ত ইউটিউবারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।

এই বিতর্কের কারণে গত এক বছরে সু-হিউনের বেশ কিছু ব্র্যান্ড চুক্তি বাতিল হয়ে যায় এবং তার বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ ‘নক-অফ’-এর মুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে যায়। তবে সত্য সামনে আসায় অভিনেতার এজেন্সি তার কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সাথে সঠিক তদন্তের জন্য পুলিশ ও বিচার বিভাগকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারা।

সূত্র : গালফ নিউজ

নার্সদের পোশাকে পরিবর্তন চান কঙ্গনা

অনলাইন ডেস্ক
নার্সদের পোশাকে পরিবর্তন চান কঙ্গনা
সংগৃহীত ছবি

মুম্বাইয়ের ২৬/১১ সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ ছবিতে একজন নার্সের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই ছবির বিষয়বস্তু ও নার্সদের পেশা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তাদের পোশাকে পরিবর্তন আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

কঙ্গনার মতে, বর্তমানে চিকিৎসকদের পোশাকের ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীনতা থাকলেও নার্সদের এখনও নির্দিষ্ট ও ঐতিহ্যবাহী ইউনিফর্মই পরতে হয়। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ব্রিটিশ আমলের নার্সদের ড্রেস কোড আমাদের দেশে এখনও চালু রয়েছে। চিকিৎসকেরা নিজেদের পছন্দমতো পোশাক পরতে পারলেও নার্সদের ক্ষেত্রে গরম বা শীত—সব ঋতুতেই এক ধরনের বিদেশি ধাঁচের ইউনিফর্ম পরতে দেখা যায়।

ইউনিফর্মের ইতিহাস টেনে কঙ্গনা বলেন, এই পোশাকে ব্যবহৃত পিন, ক্যাপ বা বেল্ট মূলত প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার মার্কিন নৌবাহিনীর প্রভাব থেকে এসেছে। তবে তিনি পরিষ্কার জানান, ভবিষ্যতে ইউনিফর্মে কোনো পরিবর্তন এলে তা নার্সদের নিজস্ব প্রয়োজন ও মতামতের ভিত্তিতেই হওয়া উচিত। নার্সদের স্বস্তির কথা মাথায় রেখে যদি ইউনিফর্মে একটি ‘ভারতীয় ছোঁয়া’ আনা যায়, তবে তা অত্যন্ত ইতিবাচক হবে বলে তিনি মনে করেন।

পোশাকের পাশাপাশি নার্সিং পেশাকে কেন্দ্র করে সমাজের কিছু নোংরা মানসিকতারও সমালোচনা করেন কঙ্গনা। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নার্সদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই পেশাকে প্রায়ই ‘যৌনতার’ সঙ্গে যুক্ত করে নানা রকমের মন্তব্য করা হয়। আমার মনে হয় নার্সিং এমন একটি পেশা, যেটিকে সমাজে সবচেয়ে বেশি যৌনতার দৃষ্টিতে দেখা হয়। মানুষের এই ধারণা ও মনোভাব দ্রুত পরিবর্তন হওয়া উচিত।

ছবিতে নিজের চরিত্রটি নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, তারা সিনেমাটিতে অত্যন্ত সততা ও মর্যাদার সঙ্গে কাজ করেছেন। হাসপাতালের পুরো ব্যবস্থাকে সচল রাখতে নার্সদের অবদান চিকিৎসকদের চেয়ে কম নয় উল্লেখ করে কঙ্গনা বলেন, হাসপাতালের কথা ভাবলেই আমরা শুধু চিকিৎসকদের কথা ভাবি। তাদের অবদান অপরিসীম ঠিকই, কিন্তু যে লক্ষ লক্ষ নার্স ও কর্মী প্রতিদিন এই পুরো ব্যবস্থাকে সচল রাখছেন, আমাদের তাদের কথাও ভাবা উচিত।

সূত্র : এই সময়

৭০ দিনের জেলজীবনের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানালেন পরিচালক

বিনোদন ডেস্ক
৭০ দিনের জেলজীবনের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানালেন পরিচালক
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক ও প্রযোজক বিক্রম ভাট সম্প্রতি জীবনের এক কঠিন অধ্যায়ের কথা প্রকাশ করেছেন। প্রায় ৭০ দিন কারাগারে কাটানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেই সময় এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন যে এক পর্যায়ে মনে হয়েছিল, হয়তো আর জীবিত ফিরে আসতে পারবেন না।

ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিক্রম জানান, ইন্দিরা আইভিএফের প্রতিষ্ঠাতা অজয় মুর্দিয়ার প্রয়াত স্ত্রী ইন্দিরা মুর্দিয়ার জীবন নিয়ে নির্মাণাধীন একটি বায়োপিককে ঘিরে আইনি জটিলতার সৃষ্টি হয়। সেই মামলায় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তাকে এবং তার স্ত্রী শ্বেতাম্বরী ভাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তারা জামিনে মুক্তি পান।

জেলের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে বিক্রম বলেন, তাকে ৬০ থেকে ৮০ জন বন্দির সঙ্গে একই ব্যারাকে থাকতে হয়েছিল। তবে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও সহবন্দিদের কাছ থেকে তিনি অপ্রত্যাশিত মানবিকতা পেয়েছেন।

তার কথায়, সহবন্দিরা তাকে পরিবারের একজন সদস্যের মতোই দেখাশোনা করতেন। খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের খোঁজ নিতেন, এমনকি স্নেহ করে তাকে ‘ভীষ্ম পিতামহ’ বলেও ডাকতেন। প্রতি রাতে অনেকে তার কাছে ভৌতিক গল্প শোনার অনুরোধ করতেন।

তবে শারীরিকভাবে সেই সময় ভীষণ কষ্টের মধ্যে ছিলেন তিনি। বিক্রম জানান, তিনি ‘অ্যাক্সিয়াল স্পন্ডাইলোআর্থ্রাইটিস’ নামের একটি অটোইমিউন রোগে ভুগছেন, যার কারণে শরীরের জয়েন্ট ও পেশিতে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। জেলের মেঝেতে চাটাই পেতে ঘুমাতে হতো তাকে, আর ডিসেম্বর-জানুয়ারির তীব্র শীতে সেই যন্ত্রণা আরও বেড়ে যায়।

পরিচালকের দাবি, সেই সময় তিনি প্রায় মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে পড়েছিলেন।

এর মধ্যেই তিনি জন্ডিসে আক্রান্ত হন। বিক্রমের অভিযোগ, বারবার হাসপাতালে নেওয়ার আবেদন জানানো হলেও দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি। রাতে প্রচণ্ড জ্বর আসত এবং শীতে তিনি কাঁপতে থাকতেন। এমন অবস্থায় সহবন্দিরাই নিজেদের কম্বল তাকে দিয়ে সহায়তা করতেন।

শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে যাওয়ার অপেক্ষা না করে তিনি নিজেই খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। তেল-মসলাযুক্ত খাবার বাদ দিয়ে ছোলা, ফল এবং পর্যাপ্ত পানি খেয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।

জীবনের সেই কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করে বিক্রম ভাট বলেন, কারাগারের অভিজ্ঞতা তাকে মানসিকভাবে বদলে দিয়েছে এবং সেই সময়ই তিনি নিজেকে ঈশ্বরের আরও কাছাকাছি অনুভব করেছিলেন।

বিয়ে প্রসঙ্গে যা বললেন ববি | কালের কণ্ঠ