• ই-পেপার

বক্স অফিস দখলে রাখল অক্ষয়ের ‘রাম সেতু’

সেই ‘অভিশপ্ত রাত’ নিয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানালেন সাইফ আলী খান

বিনোদন ডেস্ক
সেই ‘অভিশপ্ত রাত’ নিয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানালেন সাইফ আলী খান
সংগৃহীত ছবি

গেল বছরের ১৬ জানুয়ারি মধ্যরাতে নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান। পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন তিনি।

ঘটনার এক বছরের বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো সেই ভয়ংকর রাতের স্মৃতি প্রকাশ্যে শেয়ার করলেন অভিনেতা। একই সঙ্গে জানালেন, হামলাকারীকে তিনি ক্ষমা করতে পারবেন কি না।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব কমই কথা বলেন সাইফ। হামলার ঘটনাও এত দিন এড়িয়ে গিয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সেই রাতের প্রতিটি মুহূর্ত এখনো তার মনে গেঁথে আছে।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সাইফ বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকে আলাদাভাবে এই ঘটনাটার মোকাবেলা করেছি। এই অভিজ্ঞতা সারা জীবনের সঞ্চয়। এক দুষ্কৃতি বাথরুমের জানালা দিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। জেহর ন্যানি এসে জানায়, ওর ঘরে একজন ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে টাকা চাইছে। ছেলের ঘরে গিয়ে দেখি জেহকে জাপটে ধরে রেখেছে। সামান্য কেটেও গিয়েছিল। ন্যানিকেও আঘাত করেছে। আমি যদি ঘরের আলো জ্বালিয়ে জিজ্ঞেস করতাম সে আদৌ জানে কি না কোথায় এসেছে বা কী করছে তাহলে হয়তো পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারত। কিন্তু তখন আমার মাথায় অন্য কিছু কাজ করছিল। জেহকে বাঁচাতে আমি ঝাঁপিয়ে পড়ি, হাতাহাতি শুরু হয়। এর পরই সে ছুরি নিয়ে এলোপাতাড়ি আক্রমণ করতে থাকে।’

তিনি জানান, ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় একসময় তার মনে হয়েছিল, আর হয়তো বাঁচবেন না।

সাইফ বলেন, ‘আমি তখন সাদা কুর্তা-পাজামা পরে ছিলাম। পুরো পোশাক রক্তে ভিজে গিয়েছিল। যখন মেঝেতে লুটিয়ে পড়েছিলাম তখন মনে হচ্ছিল আমার আয়ু শেষ। সেই মুহূর্তে আমার শুধু তৈমুরের সঙ্গে থাকতে ইচ্ছা করছিল। ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি কি আমার সঙ্গে হাসপাতালে যাবে? ও আমাকে পালটা জিজ্ঞেস করেছিল, তুমি কি মারা যাবে? আমি বলেছিলাম, না। তারপর আমরা একসঙ্গে হাসপাতালে যাই।’

হামলাকারীকে ক্ষমা করার প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন এই অভিনেতা।

তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই ওকে ক্ষমা করতে চেয়েছিলাম। আমার মনে হয় ও একটা ভয়ঙ্কর ভুল করেছে। সম্ভবত ও মারামারি করতে আসেনি। আমি ওকে ক্ষমা করতে পারি কিন্তু যে মুহূর্তে সে আমাকে খুন করার চেষ্টা করেছিল সেই ভয়ংকর মুহূর্তটা এখনো ভুলতে পারিনি।’

উল্লেখ্য, হামলার তিন দিন পর মুম্বাই পুলিশ থানে এলাকা থেকে অভিযুক্ত ৩০ বছর বয়সী মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।

কাজের ক্ষেত্রে সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে সাইফ আলী খান অভিনীত ‘কর্তব্য’। এ ছাড়া তার হাতে রয়েছে প্রিয়দর্শন পরিচালিত ‘হাইওয়ান’ এবং রাহুল ঢোলাকিয়ার ‘হাম হিন্দুস্তানি’।

ভিক্টর হুগোকে ঘিরে ঢাকায় সৌধের বিশেষ পরিবেশনা

বিনোদন প্রতিবেদক
ভিক্টর হুগোকে ঘিরে ঢাকায় সৌধের বিশেষ পরিবেশনা
সংগৃহীত ছবি

ঊনবিংশ শতকের বিশ্বখ্যাত কবি, ঔপন্যাসিক ও চিত্রশিল্পী ভিক্টর হুগোর কাব্যগ্রন্থ ‘ওডস এট বেলাডেস’-এর প্রকাশের ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমধর্মী কবিতা ও সংগীতালেখ্য ‘হুগো থ্রু বেঙ্গলি মিস্টিক্স’। 

ঢাকার আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের নুভেল ভ্যাগ মিলনায়তনে আয়োজিত এই বিশেষ পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ব্রিটেনভিত্তিক দক্ষিণ এশীয় ধ্রুপদী শিল্পসংস্থা ‘সৌধ’-এর পরিবেশনায় ভিক্টর হুগোর কবিতার সঙ্গে বাংলার মরমি সংগীতের এক অনন্য মেলবন্ধন উপস্থাপন করা হয়। কবিতা, সংগীত, আলোক-প্রক্ষেপণ ও দৃশ্য-ভাষ্যের সমন্বয়ে নির্মিত এই আয়োজন দর্শকদের জন্য ছিল এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা।

অনুষ্ঠান শেষে একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক এবং বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, ‘ঢাকায় এই মাপের অনুষ্ঠান খুব কম উপভোগ করেছি। ভিক্টর হুগোকে পুনর্পাঠের ক্ষেত্রে এরকম অপূর্ব পরিবেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।’

বাংলাদেশে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের পরিচালক ফ্রাঁসোয়া শাম্ব্রুও আয়োজনটির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের এরকম সম্মোহনী অভিসার বাংলাদেশে আমি পরিচালক থাকাকালে কিছু দেখেছি বলে মনে পড়ে না। ভিক্টর হুগোর কবিতা দিয়ে প্রকারান্তরে বাংলার মরমী সঙ্গীতের সৌন্দর্য আবিষ্কার করতে পেরে আমি অভিভূত বোধ করছি। সৌধকে আমি আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখছি যেন বছরের বিভিন্ন সময় আমাদের এই ভেন্যুতে এরকম আরও নতুন নতুন শিল্প-প্রকল্প মঞ্চায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।’

কবি ও সাংবাদিক জুনান নাশিত বলেন, ‘ঢাকায় এই মাপের অনুষ্ঠান দেখতে পারা রীতিমতো সৌভাগ্যের। এই সুযোগগুলো আমাদের জন্য খুব সচরাচর আসে না। মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেছি প্রায় প্রতিটি মুহূর্ত—কী সঙ্গীত, কী হুগোর হৃদয়স্পর্শী কবিতা! কিংবা দুই ঐতিহ্যের সম্মিলনের ধারণাটুকুও।’

সৌধের পরিচালক টি এম কায়সার জানান, ঢাকার দর্শকদের অভূতপূর্ব সাড়া তাদের অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্যে এই অসামান্য অভিজ্ঞতা খুব তৃপ্তির, বিশেষত যখন আমরা বৃটেনের গন্ডী পার হয়ে দক্ষিণ এশিয়া, ইউরোপ বা প্রতীচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি আমাদের বিচিত্র শিল্পপ্রকল্প দিয়ে। পিনপতন নীরবতায় কানায় কানায় পূর্ণ অডিটরিয়ামে নগরীর স্বনামধন্য কবি, লেখক, সঙ্গীতশিল্পী, বুদ্ধিজীবী, নাট্য, নৃত্য ও অভিনয়শিল্পী, একাডেমিক, আইনজীবী এবং শিল্পপিপাসু দর্শকেরা আমাদের এই পরিবেশনা আদ্যোপান্ত উপভোগ করেছেন। আমাদের কাজ নিয়ে যে উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন, তা প্রত্যাশার চেয়েও বেশি।’

তিনি আরো বলেন, ‘ব্রিটেনে আমাদের কাজ নিয়ে ঢাকার শিল্পবোদ্ধাদের মধ্যে যে কৌতূহল লক্ষ্য করেছি, তা-ও ভীষণ আনন্দের। প্রায় অর্ধেকেরও বেশি দর্শক স্থান-সংকুলানের অভাবে হলে প্রবেশ করতে না পেরে ক্যাফেতে বসে অপেক্ষা করেছেন শুধু আমাদের কাজ নিয়ে তাদের ভালোবাসার কথা জানাতে। এটুকুই মনে করিয়ে দেয়, আমাদের প্রচেষ্টা হয়তো একটি দৃশ্যমান অর্থ তৈরি করছে।’

টি এম আহমেদ কায়সারের পরিচালনায় আয়োজিত এই পরিবেশনায় সংগীত পরিবেশন করেন তরুণ ব্যাঞ্জোবাদক সাব্বির শাহ, ইতালীয় জ্যাজশিল্পী মার্থা, চিত্রশিল্পী তারেক আমিন এবং সরোদবাদক রুমন তারা। 

ভিক্টর হুগোর কবিতা পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুনাসিব কামাল। আলোক-প্রক্ষেপণ, কবিতা ও সংগীতের দৃশ্য-ভাষ্য নির্মাণে ছিলেন আলোকচিত্রী পাবলো খালেদ। নেপথ্য ব্যবস্থাপনা ও ভিডিও ডকুমেন্টেশনের দায়িত্ব পালন করেন তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা মৃত্তিকা কামাল ও উজান।

উল্লেখ্য, গত ১৫ বছর ধরে ব্রিটেনভিত্তিক শিল্পসংস্থা ‘সৌধ’ রয়্যাল অ্যালবার্ট হল, সাউথব্যাংক সেন্টার, হাউস অব কমন্স, স্কটিশ পার্লামেন্ট, ওয়েলশ পার্লামেন্টসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিল্প ও একাডেমিক ভেন্যুতে দক্ষিণ এশীয় ধ্রুপদী শিল্পকে বিশ্বের নানা শিল্পধারার সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটিয়ে পরিবেশনা করে আসছে।

কাকে বিয়ে করছেন ‘জওয়ান’ সংগীত পরিচালক?

বিনোদন ডেস্ক
কাকে বিয়ে করছেন ‘জওয়ান’ সংগীত পরিচালক?
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিন ধরেই গুঞ্জন চলছে, জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক ও গায়ক অনিরুদ্ধ রবিচন্দ্রের সঙ্গে আইপিএল দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মালিক কাব্য মারানের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে কখনোই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি দুজনের কেউ। 

এবার সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করলেন অনিরুদ্ধের পিসেমশাই ও বর্ষীয়ান অভিনেতা ওয়াইজি মহেন্দ্র। তার মন্তব্যের পর থেকেই শোরগোল শুরু হয়েছে বিনোদন অঙ্গনে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওয়াইজি মহেন্দ্র ইঙ্গিত দেন, শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন অনিরুদ্ধ ও কাব্য।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি বলেন, ‘ও (অনিরুদ্ধ) খুবই শান্ত স্বভাবের ছেলে। এই সুযোগে ওকে অভিনন্দন জানাতে চাই। বেশ বড়সড় একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে পা রাখতে চলেছে।’

Who is Kavya Maran? Sunrisers Hyderabad co-owner dating Anirudh Ravichander

মহেন্দ্র আরো দাবি করেন, অনিরুদ্ধের পরিবারের কাছ থেকেই তিনি বিষয়টি জেনেছেন। তার কথায়, ‘আমাকে যা জানানো হয়েছে, তাতে এটা নিশ্চিত। ওরা বিয়ে করছে।’

তবে কবে, কোথায় বা কীভাবে বিয়ের আয়োজন হবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাননি তিনি। তারপরও তার এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে অনিরুদ্ধ ও কাব্যের সম্পর্ক।

সাক্ষাৎকারে কাব্য মারানেরও প্রশংসা করেন ওয়াইজি মহেন্দ্র। তিনি বলেন, ‘ও কোনও সাধারণ মেয়ে নয়। এত বড় একটি দল (হায়দরাবাদের আইপিএল টিম) সামলানোর ক্ষমতা ওর রয়েছে। বাবার ব্যবসায়িক দক্ষতা ওর মধ্যে রয়েছে।’

এই জুটিকে নিয়েও নিজের শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওরা জুটি হিসাবেও দারুণ। দু’জনে একসঙ্গে থাকুক। সঙ্গীতের দুনিয়ায় আরও কিছু করুক, এই আশীর্বাদ করি।’

Kavya Maran (काव्या मारन) Biography: Wiki, Age, Career, Height, Weight,  Boyfriend, Affairs, and More

অবশ্য অনিরুদ্ধ ও কাব্যের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন নতুন নয়। ২০২৫ সালের জুনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে রয়েছেন তারা। তখন আরও শোনা যায়, অনিরুদ্ধের আরেক পিসেমশাই, দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্ত নাকি কাব্যের বাবা কলানিধি মারানের সঙ্গে বিয়ের বিষয়ে আলোচনাও করেছেন।

তবে সে সময় বিয়ের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে অনিরুদ্ধ সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘বিয়ে? শান্ত হও বন্ধুরা। গুজব ছড়ানো বন্ধ করো।’

তবে বিয়ের খবর অস্বীকার করলেও কাব্য মারানের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে তিনি সরাসরি কিছু বলেননি। এবারও নতুন করে ছড়িয়ে পড়া বিয়ের খবরে অনিরুদ্ধ কিংবা কাব্য—কেউই আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। ফলে জল্পনা চললেও নিশ্চিত ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা।

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে ‘কাট’ বলার পরও থামেননি কঙ্গনা!

বিনোদন ডেস্ক
ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে ‘কাট’ বলার পরও থামেননি কঙ্গনা!
সংগৃহীত ছবি

প্রায় এক যুগ আগের একটি সিনেমার দৃশ্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রিভলবার রানি’ সিনেমায় অভিনেতা-কমেডিয়ান বীর দাসের সঙ্গে তার একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল। 

সম্প্রতি সেই দৃশ্য নিয়েই বিস্ফোরক দাবি করেছেন এক সাংবাদিক, যা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

সম্প্রতি সাংবাদিক সিমি চান্দোক সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্টে অতিথি হয়ে দাবি করেন, সিনেমার একটি চুম্বনের দৃশ্যের শুটিং চলাকালে ‘কাট’ বলার পরও কঙ্গনা নাকি বীর দাসকে চুম্বন করতে থাকেন। এমনকি এতে অভিনেতার ঠোঁট কেটে রক্তও বের হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

পডকাস্টে সিমি বলেন, ‘বীর দাসকে একদিন আমার পডকাস্টে আনতে হবে। ওই সময়ের কথা মনে করলে হয়তো কেঁদেই ফেলবে।’ ‘রিভলবার রানি’ সিনেমার একটি দৃশ্যে কঙ্গনার তাঁকে গভীরভাবে চুমু খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দৃশ্য শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তিনি থামেননি। বেচারার ঠোঁট কামড়ে রক্ত বের করে দিয়েছিলেন।

Kangana Ranaut-Vir Das' bloody kiss in 'Revolver Rani' (view pics) |  Bollywood News – India TV

তবে এই দাবি কেবল সিমি চান্দোকের ব্যক্তিগত বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে। ঘটনাটির পক্ষে স্বাধীন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। এ ছাড়া এ বিষয়ে কঙ্গনা রানাউত কিংবা বীর দাস—কেউই নতুন করে কোনো মন্তব্য করেননি।

অবশ্য বিষয়টি একেবারে নতুন নয়। ২০২৩ সালেও একই অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন কঙ্গনা। 

তিনি লিখেছিলেন, ‘হৃতিক রোশনের পর এবার নাকি বেচারা বীর দাসেরও মানহানি করলাম? এটা আবার কবে হলো?’ পোস্টটির সঙ্গে হাসি, জিভ বের করা এবং ফেসপাম ইমোজিও যুক্ত করেছিলেন তিনি। 

তার ওই প্রতিক্রিয়া থেকেই স্পষ্ট, অভিযোগটিকে তিনি গুরুত্ব না দিয়ে রসিকতার সুরেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

কাজের ক্ষেত্রে কঙ্গনাকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ভারত ভাগ্যবিধাতা’ সিনেমায়। গত ১২ জুন মুক্তি পাওয়া ছবিটি ২০০৮ সালের মুম্বাইয়ের ২৬/১১ সন্ত্রাসী হামলার সময় কামা অ্যান্ড অ্যালব্লেস হাসপাতালের কর্মীদের সাহসিকতার সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত।

অন্যদিকে বীর দাস সম্প্রতি ‘হ্যাপি প্যাটেল: খতরনাক জাসুস’ ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন।
 

বক্স অফিস দখলে রাখল অক্ষয়ের ‘রাম সেতু’ | কালের কণ্ঠ