• ই-পেপার

ঘুরে যা দেখালেন মধুমিতা

বানসালির শুটিং সেটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কর্মীর মৃত্যু

বিনোদন ডেস্ক
বানসালির শুটিং সেটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কর্মীর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের আলোচিত নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বানসালির বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর শুটিং সেটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। 

এ ঘটনায় প্রযোজনা সংস্থা মৃত কর্মীর পরিবারকে ৪০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও সেই অঙ্ক বাড়িয়ে ৫০ লাখ রুপি করার দাবি তুলেছে ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ (এফডব্লিউআইসিই)।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৭ জুন মুম্বাইয়ের ফিল্ম সিটির রয়্যাল পাম স্টুডিওতে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ৪২ বছর বয়সি কাঠমিস্ত্রি চন্দ্রধারী সিং যাদব। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার সময় একই সেটে অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের শুটিং চলছিল বলেও জানা গেছে।

এই ঘটনার পর বানসালি প্রোডাকশনস যাদবের পরিবারের জন্য ৪০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেয়। তবে এফডব্লিউআইসিই মনে করছে, পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করলে এই অর্থ যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে যাদবের অল্পবয়সি দুই কন্যার পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ অন্তত ৫০ লাখ রুপি হওয়া উচিত।

এফডব্লিউআইসিই-এর সভাপতি বি. এন. তিওয়ারি বলেন, ‘আমরা চাই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৫০ লাখ রুপি করা হোক। তাঁর সন্তানরা এখনও খুব ছোট, তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যতের জন্য পরিবারের আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। পাশাপাশি আমরা সেটে আরও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কর্মীদের কাজের সময়সীমা নিয়ন্ত্রণের দাবিও জানিয়েছি। তিনি একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান ছিলেন। এভাবে তাঁর মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক।’

সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও দাবি জানানো হয়েছে, যাদবের স্ত্রীকে বানসালি প্রোডাকশনসে একটি চাকরি দেওয়া হোক, যাতে পরিবারটির নিয়মিত আয়ের একটি উৎস তৈরি হয়। তবে এসব দাবির বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর শুটিং পুরোদমে চলছে। ‘সাওয়ারিয়া’র পর এই সিনেমার মাধ্যমে আবারও রণবীর কাপুরের সঙ্গে কাজ করছেন সঞ্জয় লীলা বানসালি। ছবিতে আরও অভিনয় করছেন আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশল। বড় বাজেটের এই প্রজেক্টটি ইতোমধ্যেই বলিউডের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমায় পরিণত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ছবিটির মুক্তির তারিখ একাধিকবার পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২০২৬ সালে মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও বর্তমানে সিনেমাটি ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

৪২ দিনে ৩০০ মিলিয়ন আয়, কী আছে সিনেমাটিতে?

বিনোদন ডেস্ক
৪২ দিনে ৩০০ মিলিয়ন আয়, কী আছে সিনেমাটিতে?
সংগৃহীত ছবি

মাত্র ১০ লাখ ডলার বাজেটে নির্মিত একটি স্বাধীন হরর সিনেমা। আর মুক্তির মাত্র ছয় সপ্তাহের মাথায় বিশ্বজুড়ে আয় ছাড়িয়ে গেছে ৩৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এমন অবিশ্বাস্য সাফল্য নিয়েই বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস লিখেছে হরর চলচ্চিত্র ‘অবসেশন’।

বিনোদনবিষয়ক সাময়িকী ভ্যারাইটি–র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির ৪২ দিন পরও ছবিটির বক্স অফিস দাপট কমেনি। বরং সপ্তাহের পর সপ্তাহ দর্শকের আগ্রহ ধরে রেখে একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছে এটি। মাত্র ১০ লাখ ডলারের বিনিয়োগের বিপরীতে ৩০০ গুণেরও বেশি আয় করে ইতোমধ্যেই বছরের অন্যতম আলোচিত সাফল্যের গল্পে পরিণত হয়েছে ‘অবসেশন’।

বক্স অফিস বিশ্লেষকদের তথ্য বলছে, মুক্তির ষষ্ঠ সপ্তাহান্তে শুধু উত্তর আমেরিকাতেই ছবিটি আয় করেছে আরও ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে অতিরিক্ত ১ কোটি ৯ লাখ ডলার। ফলে উত্তর আমেরিকায় ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং বিশ্বব্যাপী আয় পৌঁছেছে ৩৩ কোটি ৩০ লাখ ডলারে।

এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে ‘অবসেশন’ এখন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফোকাস ফিচারসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমা। পাশাপাশি ২০২৬ সালের সবচেয়ে বেশি আয় করা হরর চলচ্চিত্রের স্বীকৃতিও এখন এর দখলে।

শুধু আয়ের দিক থেকেই নয়, বিরল এক বক্স অফিস রেকর্ডও গড়েছে ছবিটি। ১৯৮২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ই.টি. দ্য এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল’-এর পর প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে ছুটির মৌসুমের বাইরে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে সপ্তাহান্তের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ‘অবসেশন’-এর।

‘অবসেশন’-এর নির্মাতা ক্যারি বার্কার একসময় মূলত ইউটিউব ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। ‘দ্য চেয়ার’ নামের একটি হরর শর্টফিল্ম এবং ‘মিল্ক অ্যান্ড সিরিয়াল’ নামে একটি ফাউন্ড-ফুটেজ চলচ্চিত্র তৈরি করে তিনি তা ইউটিউবেই বিনা মূল্যে প্রকাশ করেছিলেন।

২০২৪ সালে মাত্র ৮০০ ডলার বাজেটে নির্মিত ‘মিল্ক অ্যান্ড সিরিয়াল’ ছিল তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। বন্ধুদের নিয়ে তৈরি সেই সিনেমাটি ইউটিউবে প্রকাশের পর দ্রুত ভাইরাল হয় এবং সীমিত সম্পদেও ভয় ও উত্তেজনার আবহ তৈরির দক্ষতার জন্য প্রশংসা কুড়ান বার্কার।

এরপর ২০২৫ সালে তিনি নির্মাণ করেন ‘অবসেশন’। টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ‘মিডনাইট ম্যাডনেস’ বিভাগে প্রথম প্রদর্শিত হওয়ার পর ছবিটি দর্শক ও সমালোচকদের ইতিবাচক সাড়া পায়। পরে এর স্বত্ব কিনে নেয় ফোকাস ফিচারস। 

:/ #obsession #obsessionmovie #edit | Obsessed Movie | TikTok

গত মে মাসে মুক্তির প্রথম দিনেই ছবিটি প্রায় ৭০ লাখ ডলার আয় করে। এরপর দর্শকের মুখে মুখে প্রচারণায় বিশেষ করে ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে সিনেমাটি।


‘অবসেশন’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে বিয়ার নামের এক মিউজিক স্টোর কর্মচারীকে ঘিরে। বন্ধু নিকির প্রতি একতরফা ভালোবাসা থেকে সে একটি রহস্যময় অতিপ্রাকৃত খেলনার সাহায্যে নিকিকে নিজের প্রেমে ফেলতে চায়।

শুরুতে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। নিকি নিজের ব্যক্তিত্ব হারাতে শুরু করে, আর ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা রূপ নেয় এক বিভীষিকাময় দুঃস্বপ্নে। ভালোবাসা, আসক্তি এবং নিয়ন্ত্রণের অন্ধ আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই মনস্তাত্ত্বিক হরর ইতোমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

এদিকে ‘অবসেশন’-এর পর ক্যারি বার্কারের নতুন চলচ্চিত্র ‘অ্যানিথিং বাট গোস্টস’-এর কাজও শেষ হয়েছে। ছবিটির চিত্রনাট্য, পরিচালনা ও অভিনয়—তিনটি দায়িত্বই পালন করেছেন তিনি।

‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’-এর জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন না মনোজ

বিনোদন ডেস্ক
‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’-এর জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন না মনোজ
সংগৃহীত ছবি

জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ দ্য ফ্যামিলি ম্যান-এর নতুন সিজনের অপেক্ষায় আছেন ভক্তরা। এর মধ্যেই চমকপ্রদ এক তথ্য জানিয়েছেন সিরিজটির পরিচালক রাজ নিদিমোরু।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, শুরুতে সিরিজটির প্রধান চরিত্রের জন্য মনোজ বাজপেয়ীর কথা ভাবা হয়নি। বরং তেলুগু সুপারস্টার চিরঞ্জীবীকে মাথায় রেখেই গল্পটি লেখা হয়েছিল। তখন এটিকে ওয়েব সিরিজ নয়, পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল।

রাজ বলেন, ‘আমাদের প্রথম পছন্দ ছিলেন চিরঞ্জীবী। তাকে ভেবেই গল্পটি তৈরি করা হয়েছিল। তবে পরে বিভিন্ন কারণে পরিকল্পনা বদলে যায় এবং এটি ওয়েব সিরিজে রূপ নেয়।’

তত

২০১৯ সালে মুক্তির পর দ্য ফ্যামিলি ম্যান ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। মনোজ বাজপেয়ীর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়। পরে সিরিজটিতে যোগ দেন সামান্থা রুথ প্রভু, জয়দীপ আহলাওয়াত ও নিমরত কৌরের মতো তারকারা।

পরিচালক আরো জানান, তৃতীয় সিজনের পরও গল্প শেষ হচ্ছে না। ইতোমধ্যে চতুর্থ সিজনের কাজও শুরু হয়েছে। তাই ভক্তদের জন্য সামনে আরো বড় চমক অপেক্ষা করছে।

সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম

শুটিংয়ে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ‘ব্রেকিং ব্যাড’ তারকা

অনলাইন ডেস্ক
শুটিংয়ে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ‘ব্রেকিং ব্যাড’ তারকা

জনপ্রিয় মার্কিন সিরিজ ‘ব্রেকিং ব্যাড’-এর অভিনেতা জিয়ানকার্লো এসপোসিতো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। সৌদি আরবে তার নতুন চলচ্চিত্র ‘সেভেন ডগস’-এর শুটিং চলাকালীন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মুসলিম হন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তথ্যটি প্রকাশ্যে আসে।

সৌদি আরবের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান তুর্কি আলালশেখ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, অভিনেতা এসপোসিতো একটি মসজিদের ভেতরে অল্প কয়েকজন মানুষের সাথে রয়েছেন। পরে তিনি সেখানে উপস্থিত অন্যদের সাথে নামাজেও অংশ নেন। ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পরপরই তা নেটদুনিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

তুর্কি আলালশেখ জানিয়েছেন, চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের জন্য সৌদি আরবে থাকাকালীন মুসলিমদের সাথে ইতিবাচক আলাপচারিতা ও তাদের আচার-আচরণে মুগ্ধ হন এসপোসিটো। এরপরই তিনি ইসলাম ধর্মের মূল বিশ্বাস ‘শাহাদা’ (কালেমা) পাঠ করে আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মান্তরিত হন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘সেভেন ডগস’ ও ‘ব্রেকিং ব্যাড’ তারকা জিয়ানকার্লো এসপোসিটো সৌদি আরবে মুসলিমদের সাথে আলাপচারিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এরপর তিনি একটি মসজিদে শাহাদা পাঠ করেন এবং সহ-অভিনেতা ও কলাকুশলীদের সাথে নামাজে যোগ দেন। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।’

জিয়ানকার্লো এসপোসিটো বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরিচিত একজন অভিনেতা। কয়েক দশক ধরে তিনি হলিউডে অভিনয় করছেন। ‘ব্রেকিং ব্যাড’ ও ‘বেটার কল সল’ সিরিজে খলনায়ক ‘গুস্তাভো ফ্রিলিং’-এর চরিত্রে অভিনয় করে তিনি বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয়তা পান। এছাড়া ‘দ্য বয়েজ’, ‘দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান’ ও ‘গডফাদার অফ হারলেম’-এর মতো বিখ্যাত সিরিজ ও সিনেমাতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

সূত্র : এনডিটিভি

ঘুরে যা দেখালেন মধুমিতা | কালের কণ্ঠ