• ই-পেপার

১২০ দিন পর তাঁদের নিয়ে বাইরে অপু

স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার, এখন কেমন আছেন জোভান?

বিনোদন প্রতিবেদক
স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার, এখন কেমন আছেন জোভান?
সংগৃহীত ছবি

ঈদের ছুটিতে স্ত্রীকে নিয়ে কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন তার স্ত্রী সাজিন আহমেদ নির্জনাও। 

দুজনই এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন জোভান। তিনি জানান, হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে এখন বাসাতে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন। 

জোভান জানান, ঈদের পর কাজের চাপ কমিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ভ্রমণই শেষ পর্যন্ত দুর্ঘটনায় পরিণত হয়।

জানা গেছে, গত ১১ জুন এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুজনেরই শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। 

অভিনেতা বলেন, ‘মেরিন ড্রাইভ রোডের হিমছড়িতে আমি নিজে স্কুটি চালাচ্ছিলাম, আমার স্ত্রী পেছনে বসেছিল। হঠাৎই আমাদের সামনে থাকা একটি সিএনজি কোনো সিগন্যাল না দিয়ে দ্রুত ইউটার্ন নেয়। এমন অবস্থায় হঠাৎই ব্রেক করতে গিয়ে আমরা দুজনই রাস্তায় পড়ে যাই।’

No photo description available.

জোভান বলেন, ‘আমরা উভয়েই শরীরের বেশ কিছু জায়গায় আঘাত পাই। আমার স্ত্রীও আহত হয়। আমাদের হাত ও পা ছুলে যায়। কিছু জায়গায় জখম হয়। পরের দিন আমরা ঢাকায় ফিরি। এখন নিয়মিত চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।’

বর্তমানে নিয়মিত হাসপাতালে গিয়ে ড্রেসিং করাতে হচ্ছে বলেও জানান এই অভিনেতা। চিকিৎসকের পরামর্শে আপাতত সব ধরনের শুটিং স্থগিত রেখেছেন তিনি।

‘সম্পর্কের কারণে না, সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার’, বলেছিলেন পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক
‘সম্পর্কের কারণে না, সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার’, বলেছিলেন পরীমনি
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এই ঘটনার পর আবারও সামনে এসেছে চিত্রনায়িকা পরীমনির একটি পুরোনো সাক্ষাৎকার। ২০২৪ সালের ২৫ জুন দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাকলায়েনকে নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন তিনি। 

তখনই দাবি করেছিলেন, সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার।

সাকলায়েনের চাকরি হারানোর বিষয়ে জানতে চাইলে পরীমনি বলেছিলেন, ‘আমি বা সাকলায়েন বলার আগে তো পাবলিকই এটা নিয়ে বলছে। প্রশাসনও এটা নিয়ে বলছে। এটা কিন্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ে এখনো আসেনি, ব্যক্তিগত পর্যায়ে যদি আসে, তখন আমি কথা বলব।’

তাদের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা নানা আলোচনা ও অভিযোগ প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘সম্পর্কের বিষয় যদি আসে, এটা তো একজনের ব্যাপার না, দুজনের পক্ষ থেকেই আসে। এখন পর্যন্তও আমাদের সম্পর্কটা তো মানুষের কাছে পরিষ্কার নয়। আমরা প্রেমে ছিলাম, নাকি কী করছি, কোনো কিছুই তো পরিষ্কার নয়। এটা না সাকলায়েনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, না আমার কাছে। সবখানে মনগড়া জিনিস লেখা হয়েছে।’

সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘যেখানে সম্পর্কটা ডিফাইন করার আগে এত অপবাদ নিয়ে ফেলছি, সেখানে এই সম্পর্কটা কী, তা নিয়ে কথা বলার জায়গাও তো জনগণ রাখেনি। আমার মনে হয় না এটার আর কোনো দরকার আছে।’

সাকলায়েনকে ঘিরে নেওয়া প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে পরীমনির মন্তব্য ছিল, ‘আমার শুধু মনে হয়, সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের মধ্যে পড়েছে।’

তিনি আরো বলেছিলেন, ‘প্রেম-ভালোবাসা যা-ই হোক না কেন, এটা শুধু একটা অদ্ভুত কারণ হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে। আবারও বলছি, আমার মনে হয়, সে অন্য কোথাও ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার।’

কার সেই ব্যক্তিগত আক্রোশ—এমন প্রশ্নের জবাবে পরীমনি বলেছিলেন, ‘আমি জানি না। তবে অবশ্যই ব্যক্তিগত আক্রোশ। কিন্তু এমনটা নয়, প্রেম-ভালোবাসা ও সম্পর্কের কারণে হয়েছে, তা আমি বিশ্বাস করি না।’

সব শেষে তিনি বলেন, ‘তবে সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে। সে ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার।’

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে নৈতিকতাবহির্ভূত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই মো. গোলাম সাকলায়েনকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।

রয়্যাল অ্যাসকটে ‘সুপারম্যান’ হেনরি ক্যাভিলের পাশে সারা

অনলাইন ডেস্ক
রয়্যাল অ্যাসকটে ‘সুপারম্যান’ হেনরি ক্যাভিলের পাশে সারা
সংগৃহীত ছবি

ইংল্যান্ডের বার্কশায়ারে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ঘোড়দৌড় ও সামাজিক অনুষ্ঠান ‘রয়্যাল অ্যাসকট ২০২৬’। এ বছরের রয়্যাল অ্যাসকটে বলিউড তারকা সারা আলি খান এবং হলিউডের ‘সুপারম্যান’ খ্যাত অভিনেতা হেনরি ক্যাভিল একই ফ্রেমে ধরা দিয়েছেন। এই দুই তারকার একসঙ্গে পোজ দেওয়া ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতেই রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ঘড়ি প্রস্তুতকারক ব্র্যান্ড ‘লংজিনস’ এবং সারার অফিশিয়াল পেজ থেকে এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের ছবিগুলো শেয়ার করার পর ভক্তরা যেন নিজেদের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

ব্রিটেনের অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী এই বার্ষিক অনুষ্ঠানে প্রতিবছরের মতো এবারও বসেছিল চাঁদের হাট। খেলাধুলা, ফ্যাশন ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনের এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানে সারা আলি খান ছাড়াও যোগ দিয়েছিলেন রাজা তৃতীয় চার্লস, রানী ক্যামিলা, প্রিন্স উইলিয়াম এবং প্রিন্সেস অব ওয়েলস ক্যাথরিন। এ ছাড়া হলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা হেনরি ক্যাভিলসহ বিশ্বের নামী ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই সমাবেশে অংশ নেন।

রয়্যাল অ্যাসকটের অন্যতম মূল আকর্ষণ থাকে এর কঠোর পোশাকবিধি (ড্রেস কোড) ও ফ্যাশন ঐতিহ্য। এই চিরন্তন ঐতিহ্যকে মাথায় রেখে সারা আলি খান একটি জমকালো আইভরি রঙের পোশাক বেছে নিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে মাথায় পরেছিলেন ঐতিহ্যবাহী ও নজরকাড়া একটি ‘ফ্যাসিনেটর’ (এক ধরণের রাজকীয় টুপি)।

সারার এই মার্জিত ও আভিজাত্যপূর্ণ লুকের ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্বজুড়ে ভক্ত এবং ফ্যাশনপ্রেমীদের মাঝে তার এই লুক দারুণ প্রশংসিত হয়েছে। সারা আলি খানকে সম্প্রতি ‘পতি পত্নী অউর ওহ দো’ সিনেমায় দেখা গেছে। ছবিটিতে তার সাথে আরো অভিনয় করেছেন আয়ুষ্মান খুরানা, রাকুল প্রীত সিং, ওয়ামিকা গাব্বি ও বিজয় রাজ।

ব্রাজিল সমর্থক ঊষসীর উন্মাদনা রোনালদোকে ঘিরে

অনলাইন ডেস্ক
ব্রাজিল সমর্থক ঊষসীর উন্মাদনা রোনালদোকে ঘিরে
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপ ফুটবলের উ”সবে মেতেছে গোটা বিশ্ব। এই উন্মাদনায় ছড়িয়ে পড়েছে সবার মধ্যে। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে রাত জেগে খেলা দেখে সমর্থন জোগাচ্ছে শোবিজ তারকাও। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ নিয়ে নিজেদের অনুভূতির কথা জানালেন অভিনেত্রী ঊষসী রায়। এবারের বিশ্বকাপে সমস্ত উন্মাদনা, উত্তেজনা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে, পর্তুগালকে নিয়েই একটু বেশি চিন্তিত বলে জানান ব্রাজিল সমর্থক এই অভিনেত্রী।

সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে  ঊষসী রায় বলেছেন, আমার কাছে ফুটবল বিশ্বকাপ একটা উৎসবের মতো। কারণ ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা আমাদের বাড়িতে একটু বেশিই। আর এই বিশ্বকাপ নিয়ে আমার বহু স্মৃতি রয়েছে। আমাদের বাড়িতে প্রথম বড় কালার টিভি এসেছিল ২০০২-এর বিশ্বকাপের সময়। শুধুমাত্র বিশ্বকাপ স্পেশাল। ওটা মিস করা যাবে না, ওটা কালার টিভিতেই দেখতে হবে। আমেজ নিতে হবে। টিভি নিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারে যা হয় আর কী! তার আগে আমাদের সাদা-কালো টিভিই ছিল। পরবর্তীতে শুধুমাত্র বিশ্বকাপের জন্যই আমাদের বাড়িতে কালার টিভি আর কেবল লাইন এল। এইরকম অনেক ঘটনা রয়েছে।

বড় টিভিতে এবারের বিশ্বকাপ উপভোগ করছেন জানিয়ে এই অভিনেত্রী আরো বলেছেন, মাঠে গিয়ে তো আর খেলা দেখার উপায় নেই, তাই  দুধের সাধ ঘোলেই মেটাতে হয়! তবে ওই যে আজকাল সবাই বলে ‘মেনিফস্টেশন’। একদিন অবশ্যই সশরীরে গিয়ে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ হবে। আশা করি সেইরকম অবস্থা একদিন তৈরি হবেই।

আমি বরাবরই ব্রাজিলের সমর্থক। কিন্তু এবার তো সমস্ত উন্মাদনা, উত্তেজনা রোনালদোকে ঘিরে। এটা তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। পর্তুগাল কী করবে? আর্জেন্টিনা কী করবে? পর্তুগালকে নিয়েই একটু বেশি চিন্তিত। সিআর সেভেনের এটা শেষ বিশ্বকাপ। চ্যাম্পিয়ান কে হবে? এটা এখন আর বলছি না। মনে মনে থাকুক বলে যোগ করেন তিনি। 

রাত জেগে ফুটবল ম্যাচ দেখা আমার বাড়িতে চাপের নয় উল্লেখ করে  ঊষসী বলেন, ‘কারণ আমাদের বাড়িতে ফুটবল নিয়ে একটা উত্তেজনা আছে। ফলে রাত জেগে খেলা দেখা নিয়ে আমাদের বাড়িতে ঝামেলা হয়নি কখনো। কোনও জার্সি আমার কাছে নেই এখনো অবধি। টিকিটের দাম খুবই আকাশ ছোঁয়া। সেটা চারদিকে যুদ্ধের জন্য কী না, জানি না। অন্যবারের তুলনায় টিকিটের দাম এবার খুব বেশি। একটা নর্মাল টিকিটের দামও বেশি। এমনকী, স্টেডিয়ামের ভিতরে জলের বোতল, খাবার যেটাই হোক দাম বেশি। 

তবে বোধহয় কোনও কোনও ভেন্যুতে কমপেরিটেভলি টিকিটের দাম আমার মনে হয় কম। স্টেডিয়ামের ভিতরে যা যা জিনিস পাওয়া যায় তার দাম তুলনামূলকভাবে কম। এটা আমি কোনও একটা কাগজে পড়েছি। যুদ্ধের আবহে থাকলেও ইরান খেলছে এই বিশ্বকাপে। তাদের অলরেডি একটা ম্যাচ খেলাও হয়ে গিয়েছে। তবে এখানে আমি একটা বিতর্কিত কথা বলতে পারি। একদম নিউট্র্যালভাবে। কাউকে কিছু বলছি না। গত বছর বিশ্বকাপের উদ্বোধনে এবারের তুলনায় উন্মাদনা বেশি ছিল। সেলিব্রেশনটা বিশাল ছিল। এবারের উদ্বোধনটা আমার মনে হয়েছে একটু কম কম। যাই হোক, দেখা যাক। যতদিন বিশ্বকাপ চলবে একটা আনন্দ উৎসব তো চলবেই। আমি খুবই এক্সাইটেড বলে জানিয়েছে তিনি।

১২০ দিন পর তাঁদের নিয়ে বাইরে অপু | কালের কণ্ঠ