• ই-পেপার

দালাল নির্মূলে ঢামেকে অভিযান, আটক ৪৯

ওয়ারীতে স্যানিটারি মিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ওয়ারীতে স্যানিটারি মিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর ওয়ারীর একটি বাসা থেকে জসিম (২৫) নামে এক স্যানিটারি মিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওয়ারীর ২৩/৩, বি. কে. এম. দাস লেনের একটি বাসার নিচতলার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত জসিম জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ভাতখাওয়ার চর গ্রামের মোতালেবের ছেলে। তিনি পেশায় স্যানিটারি মিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তার মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ডিএনসিসির ১৯০৫ কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

অনলাইন ডেস্ক
ডিএনসিসির ১৯০৫ কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় আগামী ২৮ জুন ৫৪টি স্থায়ী এবং ১ হাজার ৮৫১টি অস্থায়ী কেন্দ্রে শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ডিএনসিসির নগর ভবনে স্বাস্থ্যবিভাগের উদ্যোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অবহিতকরণ কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে মোট ৩ হাজার ৮১০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে তদারকির জন্য ১৮৩ জন প্রথম সারির এবং ১০৩ জন দ্বিতীয় সারির সুপারভাইজার নিয়োজিত থাকবেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, আগামী রবিবার (২৮ জুন) দিনব্যাপী ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সব শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১ বছর থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এতে আরো জানানো হয়, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী, বস্তিবাসী এবং বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থানকারী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য ডিএনসিসির পক্ষ থেকে চারটি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হবে। ক্যাম্পেইনের দিনসহ পরবর্তী চারদিন মোবাইল সেবার মাধ্যমে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এ ছাড়া কর্মজীবী অভিভাবকদের সুবিধার্থে ক্যাম্পেইনের দিনসহ পরবর্তী চারদিন ডিএনসিসির স্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকবে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

বাসস
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

রাজধানীর অন্যতম উন্মুক্ত বিনোদনকেন্দ্র সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। দেড় বছর আগেও এ উদ্যানে ঢুকলেই চোখে পড়ত মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের অবাধ আনাগোনা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা এমনকি দূর-দূরান্ত থেকেও এখানে অনেকে আসত মাদক সেবনের উদ্দেশ্যে। তবে সেই দৃশ্যপট এখন অনেকটাই বদলে গেছে। পুলিশের কঠোর নজরদারি, নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানের ফলে এখানে কমে এসেছে মাদকের দৌরাত্ম্য।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, ধারাবাহিক অভিযানের ফলে বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক কার্যক্রম প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, চলতি বছরের গত তিন মাসে (মার্চ, এপ্রিল ও মে) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে মাদক সেবন ও বিক্রির কারণে ৫৩৯ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে মার্চ মাসে ১১৭ জন, এপ্রিল মাসে ১৭৬ জন এবং মে মাসে ২৪৬ জন।

সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান একটি বড় উন্মুক্ত জনসমাগমের স্থান।

করপোরেট চাকরিজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে আসত মাদক সেবনের জন্য। আগে উদ্যানে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যেত গাঁজা। ইয়াবার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। মাঝেমধ্যে ইনজেকশনজাতীয় কিছু মাদকও পাওয়া গেলেও এর পরিমাণ ছিল সীমিত।

কর্মকর্তারা আরো বলেন, উদ্যানে সক্রিয় মাদক বিক্রেতাদের অধিকাংশই ছিল ভাসমান প্রকৃতির। স্থায়ী কোনো ঠিকানা না থাকায় সুযোগ পেলেই তারা মাদক বিক্রির চেষ্টা করত। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ১০ থেকে ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করা হলেও অতীতে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। তবে গত দেড় বছর ধরে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এই সময়ে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মাদক নির্মূলকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তারা জানান, একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি দল ২৪ ঘণ্টা উদ্যানে দায়িত্ব পালন করে। আগে গ্রেপ্তার হওয়া অনেক মাদক ব্যবসায়ী জামিনে বের হয়ে আবার একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ত। কিন্তু ধারাবাহিক অভিযানের ফলে তারা বুঝতে পেরেছে যে আগের মতো এখানে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এছাড়া অস্থায়ী টংঘর উচ্ছেদ করায় তাদের অবস্থানও কমে গেছে। ফলে উদ্যানে মাদক ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

এ উদ্যানে ইউনিফর্মধারী পুলিশ ছাড়াও সাদা পোশাকে প্রায়ই অভিযান চালানো হয়। মাদকবিরোধী অভিযানে শাহবাগ থানা পুলিশ চলতি বছরের ১৩ মে একটি অভিনব কৌশলও অবলম্বন করে। ওইদিন রাত ৯টার দিকে মাদকসেবী ও কারবারিদের বিচরণ ঠেকাতে ছদ্মবেশে গিটার বাজিয়ে গান গাওয়ার আসর জমায়। একপর্যায়ে সেখানে মাদকসেবী ও কারবারিরা জড়ো হলে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ সাতজনকে হাতেনাতে আটক করে। পরে রমনা বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের (সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত) আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।

এ বিষয়ে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আলামিন বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে মাদকমুক্ত রাখতে আমরা নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছি। গত দেড় বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে কাজ করার ফলে এখানে মাদক কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। একসময় দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে মাদক সেবনের উদ্দেশ্যে উদ্যানে আসত। তবে বর্তমানে কঠোর নজরদারি ও অভিযানের কারণে সেই পরিস্থিতির অনেকখানি পরিবর্তন হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মাদক বিক্রেতাদের অধিকাংশই ভাসমান প্রকৃতির হলেও আমরা তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য শুধু মাদক নিয়ন্ত্রণ নয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে সাধারণ মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

পুলিশ জানিয়েছে, আগে মাদকের অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে কিছু ব্যক্তি ছিনতাইয়ের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ত। তবে বর্তমানে মাদক নিয়ন্ত্রণে আসায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড কমেছে। ইভটিজিংয়ের ঘটনাও এখন খুবই সীমিত। তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

মাইকিং, জনসচেতনতামূলক বক্তব্য এবং বিভিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে মাদকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হচ্ছে। একই সঙ্গে সবাইকে উদ্যানে ঘুরতে আসার আহ্বান জানিয়ে মাদক থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শান্ত বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক সেবন ও বিক্রি কমেছে। তবে, আমরা চাই এ উদ্যানের পরিবেশ পার্শ্ববর্তী রমনা পার্কের মতো হোক। রমনা পার্কে যদি সুন্দর পরিবেশ থাকে তাহলে এখানে সে পরিবেশ সৃষ্টি করতে সমস্যা কোথায়? সব শ্রেণির মানুষ যাতে এখানে ঘুরতে আসতে পারে সেটির ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবি।

শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভাসমান লোকজনের মাধ্যমে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক কেনাবেচা হয়। অভিযান চালানোয় এখানে মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমে গেছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। আমরা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক নিয়ন্ত্রণে আমাদের নিয়মিত ফুট পেট্রোল কার্যক্রম চালু রয়েছে। এখানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশি নজরদারি থাকে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিশেষ টিম দায়িত্ব পালন করে এবং তারা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যরা প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনা করে।

এ ছাড়া কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আমরা আরও উৎসাহিত করেছি। তাদের সহযোগিতায় উদ্যানে আগত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায় এবং সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে দ্রুত অপারেশন পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, কোনো অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করা বাস্তবে খুবই কঠিন। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি মাদক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করতে। শতভাগ সফল হতে পারব কি না, তা সময়ই বলবে। তবে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, যতটা সম্ভব মাদক নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কাউকে যাতে মাদক গ্রহণের সুযোগ না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

শাহজালালে উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বিকল, দরজা ভেঙে যাত্রীদের উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
শাহজালালে উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বিকল, দরজা ভেঙে যাত্রীদের উদ্ধার

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চট্টগ্রামগামী একটি উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনা ঘটেছে। উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময় ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিলে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

গত বুধবার (২৪ জুন) সকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটটি রানওয়ের দিকে যাওয়ার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। পরে জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় উড়োজাহাজ থেকে যাত্রীদের দ্রুত বের করে আনা হয়।

জানা গেছে, ফ্লাইটটিতে মোট ৭০ জন যাত্রী ছিলেন। ইঞ্জিনে ত্রুটির বিষয়টি জানাজানি হলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই নিজেদের মালামাল নিয়ে দ্রুত নামার চেষ্টা করেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানান, ককপিটের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় অগ্নি-সতর্ক সংকেত দেখা গেলে পাইলট সঙ্গে সঙ্গে উড়োজাহাজ থামিয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষকে বিষয়টি জানান। এরপর নিরাপত্তা বিধি মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, উড্ডয়নের আগেই সমস্যা শনাক্ত হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

ফ্লাইটটি সকাল ৭টায় ঢাকা ছাড়ার কথা থাকলেও ঘটনার কারণে বিলম্ব হয়। পরে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সকাল ৮টার দিকে ফ্লাইটটি যাত্রা শুরু করে।

দালাল নির্মূলে ঢামেকে অভিযান, আটক ৪৯ | কালের কণ্ঠ