• ই-পেপার

নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর হত্যা, সড়কের পাশে মিলল মরদেহ

রাজশাহীতে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, রাজশাহী
রাজশাহীতে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

সারা দেশের মতো রাজশাহীতেও নজরুল বর্ষের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে তিনি তেজগাঁওস্থ কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেশের ৬৪ জেলা ও নির্বাচিত ৭৪ উপজেলায় একযোগে আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্ম দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো বিস্তৃতভাবে তুলে ধরতে হবে। তিনি বলেন, বছরব্যাপী নানা আয়োজনের মাধ্যমে জেলা, উপজেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে নজরুল বর্ষ উদযাপন করা জরুরি।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার সঙ্গে সমন্বয় রেখে রাজশাহীতেও শুরু হয়েছে বছরব্যাপী কর্মসূচি। এ উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিনব্যাপী বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ সময় নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও সংগীতভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংস্কৃতিপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে।

তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ২ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় নজরুল স্মরণে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৩ জুলাই বিভিন্ন বয়সী প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং ৪ জুলাই নজরুলসংগীতের বিভিন্ন ধারার পরিবেশনা ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা প্রশাসক রাজশাহীর সর্বস্তরের জনগণকে এ উৎসবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

ভার্চুয়ালি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

চুরি ঠেকাতে পুকুরের চারপাশে অরক্ষিত বিদ্যুৎ সংযোগ, ভ্যানচালকের মৃত্যু

ফরিদপুর প্রতিনিধি
চুরি ঠেকাতে পুকুরের চারপাশে অরক্ষিত বিদ্যুৎ সংযোগ, ভ্যানচালকের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাছের পুকুরের মাছ চুরি ঠেকাতে অরক্ষিত বিদ্যুৎ সংযোগের জিআই তারে জড়িয়ে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত মামুন বিশ্বাস রাজাপুর গ্রামের লাকু বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় ভ্যানচালক হলেও কৃষিকাজও করতেন। তার দুই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী উপজেলার রাজাপুর গ্রামের একটি পুকুরে মাছ চাষ করয় চুরি ঠেকাতে আলোর ব্যবস্থা করতে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হয়। খুঁটি স্থির রাখতে চারপাশে জিআই তার টাঙানো ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই জিআই তার বিদ্যুতায়িত অবস্থায় ছিল জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার ভোরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে বাড়ি থেকে বের হন মামুন বিশ্বাস। ঘাস কেটে ফেরার পথে পুকুরপাড়ে মাটিতে থাকা বিদ্যুতায়িত জিআই তার তার পায়ে লেগে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা দাবি, একই বিদ্যুতায়িত জিআই (গ্যালভানাইজড আয়রন) তারে গত এক মাসে তিনটি কুকুর মারা গেলেও দায়িত্বশীলরা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এবার প্রাণ গেল মানুষের।

নিহতের বড় ভাই রুবেল বিশ্বাস বলেন, ‘আমার ভাই গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়েছিল। পুকুরপাড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতায়িত জিআই তার পায়ে জড়িয়ে সে মারা গেছে। আগেও একই তারে তিনটি কুকুর মারা গেছে। তারপরও তারা ব্যবস্থা নেয়নি। এ মৃত্যুর জন্য দায়ীদের বিচার চাই।’

পুকুরের মালিক জাহিদুল শিকদার বলেন,‘ পুকুরটি লিজ দেওয়া ছিল। লিজগ্রহীতারা কীভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছেন, তা জানা ছিল না। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

এ ঘটনায় পুকুর লিজগ্রহীতার দাবি, রাতে আলো জ্বালানোর জন্য বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হয়েছিল এবং সকালে তা খুলে ফেলার কথা। হয়তো অসাবধানতাবশত সেদিন সংযোগ খোলা হয়নি, অথবা অন্য কোনো কারণে তারে বিদ্যুৎ চলে এসেছে।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিস্তা মহাপরিকল্পনা

তিস্তাপারে আলোর মিছিল, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে স্বাগত

পাঁচ জেলায় পালিত হলো কর্মসূচি  দ্রুত একনেকে অনুমোদন দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
তিস্তাপারে আলোর মিছিল, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে স্বাগত
ছবি: কালের কণ্ঠ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত একনেকে অনুমোদন, অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং বাস্তবায়নের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে তিস্তা নদীর দুই তীরের পাঁচ জেলায় গণসমাবেশ ও আলোর মিছিল করা  হয়েছে। 

জাতীয় সংসদে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রত্যয়ের ঘোষণা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে এবং ঘোষণার দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে বুধবার (১জুলাই) রাতে এ কর্মসূচির আয়োজন করে তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে-রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় একযোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সমাবেশ শেষে মশাল প্রজ্বালনের মাধ্যমে আলোর মিছিল বের করা হয়।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাবাজারের আলীবাবা থিম পার্কসংলগ্ন তিস্তাপারে আয়োজিত কেন্দ্রীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী। 

তিনি বলেন, ‘চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ঘোষণা দিয়েছেন, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরেই এই সরকার যে কোনো মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। আমরা এ ঘোষণাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। তবে তিস্তাপারের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে শুধু প্রতিশ্রুতি শুনেছে। এখন তারা নতুন আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চায়।

অধ্যক্ষ নজরুল বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের কাছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা কেবল একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়; এটি নদীভাঙন রোধ, তিস্তার দুই তীর সংরক্ষণ, নদী খনন, শাখা-উপনদী পুনরুজ্জীবন, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ, কৃষি উৎপাদন ও সেচ সম্প্রসারণ, নৌযোগাযোগ, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিল্পায়ন এবং আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করার একটি সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ।

পরিষদ সভাপতি বলেন, ‘জাতীয় সংসদে দেওয়া প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়নই হবে তিস্তাপাড়ের মানুষের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন।’ তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার মানুষ আজ আলোর মিছিলে অংশ নিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত একনেকে  অনুমোদন এবং পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের মতো একটি সুনির্দিষ্ট ও সময়বদ্ধ বাস্তবায়নে রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছে।’

সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন প্রকৌশলী শেখ রেজওয়ান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলমগীর কবির, বাবুল আক্তার, আশিকুর রহমান,ববিউল ইসলাম,স্থানীয় সংগঠক আব্দুস ছাত্তার, জিয়াউর কামরুজ্জামান ও রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন,  আমরা আশা করেছিলাম মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা এবং একনেকে অনুমোদন দেওয়া হবে। যদিও সেটি এখনো হয়নি, তবু চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা তিস্তাপারের মানুষের মনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। এখন তার বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চাই।

পদ্মা হলে তিস্তা নয় কেন-এই স্লোগানকে সামনে রেখে পুরো জুন মাসজুড়ে নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে সভা-সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, হাটসভা, উঠান বৈঠক, বিক্ষোভ ও মশাল প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে বলে জানান  বক্তারা।

এদিকে, একই দাবিতে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আউলিয়ার বাজার পয়েন্টে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য আব্দুন নুর দুলাল ও মাহমুদ আলম এবং কেন্দ্রীয় নেতা আশরাফুল ইসলাম, পারভিন আক্তার, ওমর ফারুক ও মোনায়েম সরকার।

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শৈলমারী ও বানপাড়া তিস্তাপারের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান, স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছাদেকুল ইসলাম, শৈলমারী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জামান এবং কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম পাশা এলিচ ও জাহাঙ্গীর রহমান। 

এছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বুড়িরহাট তিস্তা তীর এবং উলিপুর উপজেলার হোকোডাঙার তিস্তাপারেও পৃথক কর্মসূচি পালন করা হয়। সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান বলেন, ‘জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিস্তা অববাহিকার মানুষের মধ্যে নতুন আশা সঞ্চার করেছে। সেটাকে বাস্তবে রূপ দিতে দ্রুত একনেকে অনুমোদন, অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা এখন সময়ের দাবি।’

শফিয়ার রহমান বলেন, আগামী দিনে রংপুর অঞ্চলের রাজনৈতিক, সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

সমাবেশ থেকে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত একনেক অনুমোদন ও বাস্তবায়নের রোডম্যাপ ঘোষণা; অভিজ্ঞ নদী প্রকৌশলী, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ও তিস্তা আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে তিস্তা কর্তৃপক্ষ গঠন এবং দক্ষ প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ।  

এ ছাড়া সরকারি ব্যবস্থাপনায় তিস্তা বন্ড চালু ও বালু-পাথর বিক্রির আয় প্রকল্পে বিনিয়োগ; ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের আওতায় পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল, কৃষি অঞ্চল, সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র, কৃষিভিত্তিক সমবায় ও কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলার দাবি করা হয় সমাবেশে।

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল যুবকের

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল যুবকের
সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বাসের ধাক্কায় আলাউদ্দিন (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানী উপজেলার মাজড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কাশিয়ানী উপজেলার সাজাইল ইউনিয়নের ভাট্টাইধোপা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ খানের ছেলে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে মাজড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন যুবক আলাউদ্দিন। এসময় দ্রুতগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে তিনি নিহত হন। এঘটনায় চালক ও হেলপার পালিয়ে গেলেও ঘাতক বাসটিকে আটক করেছে পুলিশ।

তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। আইনিপ্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।