• ই-পেপার

ভূরুঙ্গামারীতে সুপারি বাগানে গাঁজা চাষ, অভিযান চালিয়ে গাছ জব্দ

আড়াই ঘন্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাস চলাচল

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
আড়াই ঘন্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাস চলাচল
ছবি: কালের কণ্ঠ

 

নারায়ণগঞ্জে বন্ধন পরিবহনের মালিকানা-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি ও পরিবহন শ্রমিকদের মারধরের অভিযোগে ডাকা ধর্মঘটে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবারও স্বাভাবিক হয়েছে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাস চলাচল। 

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে বাস চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম।

এর আগে বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ব্যানারে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। এতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘মালিকদের মধ্যে একটি বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। পরে তিনি এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের ছেলে আবুল কাউসার আশা মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যার সমাধান করেন। এরপর বাস চলাচল শুরু হয় এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

বন্ধন পরিবহনের এক পরিচালক জানান, কোম্পানির একটি বাসের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে মঙ্গলবার রাতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক এমডি ও মহানগর বিএনপির নেতা মাহবুবউল্লাহ তপন মিশনপাড়া এলাকায় বাসটি আটকে দেন। এর প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে সাবেক ছাত্রদল নেতা জাকির খানের অনুসারী এবং বন্ধন পরিবহনের বর্তমান পরিচালক শাহাদাত খান লিটন ও এমডি দেলোয়ার হোসেনের নির্দেশে তাঁদের অনুসারীরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, যারা পরিবহন শ্রমিক ও মালিকদের ব্যানারে ধর্মঘট ডেকেছে, তাদের অধিকাংশেরই নিজস্ব বাস নেই। নিজেদের স্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করা হয়েছে। এতে সাধারণ পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টির সমাধান সম্ভব ছিল।

তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক এমডি মাহবুবউল্লাহ তপন এবং বর্তমান এমডি শাহজালাল লিটনের মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সাড়া দেননি।

আড়াই ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাস চলাচল

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
আড়াই ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাস চলাচল
ছবি: কালের কণ্ঠ

মালিকানা-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ডাকা ধর্মঘটের কারণে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাস চলাচল আবারও স্বাভাবিক হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে দুপুরে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ব্যানারে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, মালিকদের মধ্যে একটি বিরোধের জেরে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। পরে প্রশাসনের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যার সমাধান করা হয়। এরপর বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বন্ধন পরিবহনের এক পরিচালক জানান, কোম্পানির একটি বাসের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে মঙ্গলবার রাতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও মহানগর বিএনপির নেতা মাহবুবউল্লাহ তপন মিশনপাড়া এলাকায় বাসটি আটকে দেন। এর প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে বন্ধন পরিবহনের বর্তমান পরিচালক শাহাদাত খান লিটন ও এমডি দেলোয়ার হোসেনের অনুসারীরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেন বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, যারা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন, তাদের অনেকেরই নিজস্ব বাস নেই। নিজেদের স্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করা হয়েছে, এতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদেরও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক এমডি মাহবুবউল্লাহ তপন এবং বর্তমান এমডি শাহাদাত খান লিটনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

২ বছরে ৫ বার বদলি পুলিশ কর্মকর্তা রাকিবুল

ফরিদপুর প্রতিনিধি
২ বছরে ৫ বার বদলি পুলিশ কর্মকর্তা রাকিবুল
পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম।

ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৩ দিনের মাথায় পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামকে খুলনা রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে। 

পুলিশ সদর দপ্তরের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বদলির কারণ হিসেবে শুধু ‘প্রশাসনিক কারণ’ উল্লেখ করা হলেও ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের ভেতরে-বাইরে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ডিবি হেফাজতে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলমান থাকায় এই বদলিকে ঘিরে নানা প্রশ্নও উঠেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে ২৯ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনে ফরিদপুর জেলা পুলিশে কর্মরত পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামকে প্রশাসনিক কারণে খুলনা রেঞ্জে বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

একই প্রজ্ঞাপনে আগামী ৮ জুলাইয়ের মধ্যে তাকে বদলীকৃত কর্মস্থলে যোগদানের জন্য ছাড়পত্র গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় ৯ জুলাই থেকে তাকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে।

জানা গেছে, রাকিবুল ইসলাম গত ১৫ জুন ট্যুরিস্ট পুলিশ রাঙামাটি থেকে ফরিদপুর জেলা পুলিশে যোগদান করেন। এরপর ২৫ জুন ডিবির তৎকালীন ওসি আলমগীর হোসেনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। পরের দিন ২৬ জুন তাকে ডিবির ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৩ দিনের মাথায় বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এই আকস্মিক বদলির পেছনে কোনো প্রশাসনিক কারণ নাকি চলমান তদন্তের প্রভাব রয়েছে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা চলছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুন ফরিদপুরের মধুখালী থানার একটি ঘটনায় ইসতিয়াক আহমদ প্রান্ত নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়। পরের দিন ২৪ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর ২৫ জুন তৎকালীন ডিবি ওসি আলমগীর হোসেনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। পরে রাকিবুল ইসলামকে ডিবির ওসি করা হয়। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি বিশেষ তদন্ত দল।

পুলিশের একাধিক সূত্রের দাবি, তদন্তকারী দল যখন ফরিদপুরে আসে, তখন রাকিবুল ইসলাম সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, এই বিষয়টি হয়তো যথাযথভাবে বিবেচনায় আসেনি। ফলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মূল্যায়নে কোনো ভুল-বোঝাবুঝি তৈরি হয়ে থাকতে পারে। যদিও এ বিষয়ে কোনো প্রশাসনের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

বদলির বিষয়ে রাকিবুল ইসলাম বলেন, ফরিদপুরে যোগদানের পর থেকে বদলির আগ পর্যন্ত তিনি মাত্র কয়েকটি কর্মদিবস দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময়ে তিনি কোনো অভিযান পরিচালনা করেননি এবং কোনো অবৈধ বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডেও জড়িত ছিলেন না। তাই প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে তাকে বদলি করায় বিষয়টি তিনি নিজেই বুঝতে পারছেন না। 

তিনি আরো জানান, গত দুই বছরে তাকে ৫ বার বদলি করা হয়েছে। ঢাকা রেঞ্জ থেকে বরিশাল রেঞ্জ, পরে আবার ঢাকা রেঞ্জ, এরপর ট্যুরিস্ট পুলিশ, পুনরায় ঢাকা রেঞ্জ এবং সর্বশেষ খুলনা রেঞ্জে বদলি করা করা হলো। বার বার বদলির কারণে তিনি ও তার পরিবার চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ফাতেমা ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তরের। বদলির কারণ সম্পর্কে তারাই ভালো বলতে পারবেন।’

সিল-সই জালিয়াতি, কম্পিউটার ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
সিল-সই জালিয়াতি, কম্পিউটার ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে জমির জাল কাগজপত্র তৈরি এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তার সিল-সই জাল করে সংরক্ষণের অভিযোগে এক কম্পিউটার ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দণ্ডাদেশ দেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম আবু সাইদ হোসেন লাভলু (২৮)। তিনি উপজেলার শরিফেরহাট খন্দকারপাড়া এলাকার মৃত জহরত আলীর ছেলে।

উপজেলা ভূমি অফিস সংলগ্ন এলাকায় কম্পিউটারের ব্যবসার আড়ালে আবু সাইদ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে এসএ, আরএস ও সিএস খতিয়ানসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসংক্রান্ত কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করে আসছিলেন।

সম্প্রতি এক কৃষক নামজারির আবেদন করতে গিয়ে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে একটি খতিয়ান জমা দেন। খতিয়ানটি দেখে সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তিনি খতিয়ানটি কোথা থেকে সংগ্রহ করেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিলে বিষয়টি তদন্তে আসে।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে আবু সাইদের কম্পিউটার দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বিভিন্ন জাল খতিয়ান, সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত সিল এবং জাল সিল তৈরির উপকরণ এবং অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় প্রমাণসহ আটক হওয়ার পর আবু সাইদ অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, আবু সাইদ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে এসএ, আরএস ও সিএস খতিয়ানসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসংক্রান্ত কাগজপত্র তৈরি করে তাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জাল সিল ও সই ব্যবহার করে আসছিলেন। অভিযোগের সত্যতা ও অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আইন অনুযায়ী তাকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।