• ই-পেপার

বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড দেখার জন্য সড়ক বিভাজকের ২৫টি গাছ কর্তন, থানায় মামলা

পাবনায় আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নারীর মৃত্যু

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পাবনা
পাবনায় আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নারীর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় বৃষ্টির সময় আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে খুশি (৪০) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বহলবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খুশি ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ইকরাম ডেকোরেটরের স্ত্রী।

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, দুপুরে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বাড়ির পাশের একটি আমগাছের নিচে পড়ে থাকা আম কুড়াতে যান খুশি। একপর্যায়ে বজ্রপাত হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করেন। একই দিন বাদ আসর জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বজ্রাঘাতে এক নারীর মৃত্যুর খবর পুলিশ পেয়েছি। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।

তিনি ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় ঘরের বাইরে না বের হওয়ার এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

মেঘনার এক ইলিশ সাড়ে ১১ হাজার টাকায় বিক্রি

ভোলা প্রতিনিধি
মেঘনার এক ইলিশ সাড়ে ১১ হাজার টাকায় বিক্রি
সংগৃহীত ছবি

ভোলার দৌলতখানে মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ২ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি রাজা ইলিশ ধরা পড়েছে। মাছটি স্থানীয় মাছঘাটের আড়তে নিলামে ১১ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের মাঝিরহাট মাছঘাটের একটি আড়তে মাছটি বিক্রি করা হয়। স্থানীয় আলম বেপারী মাছটি কিনে নেন।

স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয় রহমান মাঝিসহ ৭ থেকে ৮ জন জেলে দৌলতখান উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জাল ফেলেন। কয়েকঘণ্টা পর জাল তোলার সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে একটি রাজা ইলিশ উঠে আসে৷ পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী আলম মাছটি কিনে নেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো.আলম জানান, মেঘনা নদীতে সচরাচর এতো বড় ইলিশের দেখা মেলেনা। তাই কৌতুহলবশত ২ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশটি ১১ হাজার ৬০০ টাকায় কিনেছেন তিনি। মাছটি বিক্রির জন্য ঢাকা পাঠালে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা যাবে বলে আশাবাদী তিনি।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, ভোলার মেঘনা তেঁতুলিয়া নদীতে গত মার্চ-এপ্রিল দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা সফল হওয়ার সুফল পাচ্ছেন জেলেরা। এতে জেলেরা নদীতে গিয়ে বড় ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির বড় মাছ পাচ্ছেন। আমরা আশা করছি মাছের ওজন আগামীতে আরো বাড়বে।

ময়মনসিংহে কলেজ শিক্ষার্থী রবিন হত্যার বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ময়মনসিংহে কলেজ শিক্ষার্থী রবিন হত্যার বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর
ছবি : কালের কণ্ঠ

ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌর শহরের আলোচিত কলেজ শিক্ষার্থী রবিন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে গফরগাঁও সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে নিহত রবিনের বন্ধুদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের ১৫ থেকে ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত একজন সন্দেহভাজন ছাড়া অন্য কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাকলিন, আনাফ, রাইন, ইন্না ও তামান্না বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পর এত দিন পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত অপরাধীরা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। অজ্ঞাতপরিচয় আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।’

নিহত রবিনের বাবা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ, টেহা-পয়সা নাই। আসামি ধরা পড়ে না। আমার একটাই পুত আছিন। আল্লাহর কাছে বিচার চাই।’

এ বিষয়ে গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান সেখ বলেন, ‘রবিন হত্যাকাণ্ডের পর আমি এ থানায় যোগদান করেছি। ইতোমধ্যে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি এবং মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছি। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

নরসিংদীতে প্রতিনিধি
নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে এক অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধা (৬৫) মারা গেছেন। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৪টার দিকে নরসিংদী শহরের বাসাইল রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে । 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃদ্ধার সঙ্গে দুই প্যাকেট কাঁচা মাংস ও কিছু কাঁচা আম ছিল। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৃদ্ধার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কোথাও বেড়াতে বা আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন।