• ই-পেপার

ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানা উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী

মোংলায় কুমিরের আক্রমণে নারী জেলে নিহত

মোংলা প্রতিনিধি
মোংলায় কুমিরের আক্রমণে নারী জেলে নিহত
প্রতীকী ছবি

মোংলার সুন্দরবনের জয়মনি এলাকায় কুমিরের আক্রমণে এক নারী জেলে নিহত হয়েছেন। 

বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে সহযাত্রী নারী জেলেরা। 

পঞ্চাশোর্ধ সেলিনা বেগম উপজেলার চিলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জয়মনি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল শেখের স্ত্রী। 

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তা মো. হামিদুর রহমান জানান, বুধবার বিকেলে সুন্দরবনের শ্যালা নদীর লঞ্চ ঘাট এলাকায় নেট জাল টেনে মাছ ধরছিল জেলে সেলিনা বেগম। এ সময় তার সাথে আর দুই নারী জেলে সহযাত্রী ছিল। তখন হঠাৎ একটি কুমির সেলিনাকে টেনে নিয়ে যায়।

তিনি আরো জানান, সহযাত্রী অপর দুজন কাঠের লাঠি দিয়ে কুমিরটিকে আঘাতের একপর্যায়ে সেলিনাকে ছাড়াতে সক্ষম হন। তবুও তাকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। 

ময়মনসিংহে নির্মীয়মাণ ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
ময়মনসিংহে নির্মীয়মাণ ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত
প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহ নগরের কলেজ রোড এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ ভবন থেকে পড়ে দুজন নির্মাণশ্রমিক নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ জুন) বিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত একজনের নাম মাসুদ (৩০), অপরজনের নাম এখনও জানা যায়নি। 

স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, কলেজ রোড এলাকায় একটি বহুতল ভবনের লিফট স্থাপনের কাজ করার সময় নিহত এ দুই শ্রমিক আটতলা থেকে নিচে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, নিহতদের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। ভবন নির্মাণ কাজের সুবাদে তারা ময়মনসিংহে বসবাস করছিলেন।

রায়পুরায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি
রায়পুরায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

নরসিংদীর রায়পুরায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় নিখোঁজের একদিন পর কাউছার মিয়া (৩৫) নামে প্রবাসফেরত এক ব্যক্তির টেঁটাবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে নরসিংদীর মাধবদী থানার জিতরামপুর এলাকার মেঘনা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত কাউছার মিয়া রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের বীরগাঁও এলাকার শাহ আলমের ছেলে। তিনি তিন মাস আগে সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। তিনি আলাল মুন্সির অনুসারী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সির অনুসারীদের মধ্যে মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর থেকেই কাউছার নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন বুধবার দুপুরে নরসিংদীর মাধবদী থানার জিতরামপুর এলাকার মেঘনা নদী থেকে  তার টেঁটাবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের ধারণা, সংঘর্ষের সময় টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার পর প্রতিপক্ষের লোকজন তার মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, নিলক্ষা ইউনিয়নের সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ থাকা কাউছার মিয়ার মরদেহ মাধবদী থানার চরাঞ্চলের মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।

তিনি আরো বলেন, ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

কমিটিতে স্থান না পাওয়ায় যুবদল নেতার ক্ষোভ প্রকাশ

মো. নুরে আলম
কমিটিতে স্থান না পাওয়ায় যুবদল নেতার ক্ষোভ প্রকাশ
সংগৃহীত ছবি

লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটিতে স্থান না পাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন সাবেক জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুমন চৌধুরী। দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং দলের দুঃসময়ে রাজপথে থাকা সত্ত্বেও কমিটিতে তাকে রাখা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। 

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও অবদানের কথা তুলে ধরে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বিচার চান তিনি।

ওই ভিডিওতে সুমন চৌধুরী দাবি করেন, তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এই দীর্ঘ সময়ে হরতাল, অবরোধসহ দলের প্রতিটি কঠিন কর্মসূচিতে অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। এমনকি পুলিশের ভয়ে নিজ বাড়িতে ঘুমানোর সুযোগ না থাকায় দিনের পর দিন মানবেতর জীবনযাপন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন সুমন।

সুমন বলেন, ‘আমি দলের জন্য ঘাম ঝরিয়েছি, রাজপথে গুলি খেয়েছি। আমার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দলের প্রতি আমার নিবেদনের কথা বাবা জানতেন। আমাকে কমিটিতে মূল্যায়ন না করায় তিনি চরম মানসিক কষ্ট পেয়েছিলেন, যা তার স্ট্রোকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমার বাবা আজ বেঁচে নেই, কিন্তু আমার ওপর অবিচার করা হয়েছে।’

কমিটি থেকে বাদ পড়ার পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণ করা হোক। যদি প্রমাণ করতে পারেন তাহলে আমি যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নেব। কিন্তু আমাকে কেন বাদ দেওয়া হলো, সেটি জানতে চাই।’

সুমন জানান, জেলা যুবদলের বর্তমান সভাপতি হুমায়ূন কবিরসহ স্থানীয় নেতাদের আহ্বানে তিনি সব সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।

এ বিষয়ে তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এ ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার দাবি করেছেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে পদবঞ্চিত হওয়ার পর থেকে জেলা যুবদলের তৃণমূলসহ বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।