• ই-পেপার

বেইলি সেতু ভেঙে ট্রাক খালে, অতঃপর...

মুন্সীগঞ্জে মা-মেয়েকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টায় গ্রেপ্তার ১

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সীগঞ্জে মা-মেয়েকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টায় গ্রেপ্তার ১
প্রতীকী ছবি

মুন্সীগঞ্জ শহরের জমিদারপাড়া এলাকায় মা ও মেয়েকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় যুবক মো. শান্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শহরের জমিদারপাড়া এলাকায় সৌদি আরবপ্রবাসী জনি ইসলামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন জনি ইসলামের স্ত্রী রিতা মণি ইসলাম (৩০) এবং তাদের মেয়ে জান্নাতুল ইসলাম রিধি (১১)।

আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী জনি ইসলাম জানান, স্থানীয় যুবক মো. শান্ত তাদের পূর্বপরিচিত। ঘটনার সময় তিনি বাসার ওয়াশরুমে ছিলেন। এ সময় শান্ত ঘরে প্রবেশ করে তার স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করে, পাশের কক্ষে থাকা মেয়ে রিধি চিৎকার শুরু করলে তাকেও গলায় আঘাত করা হয়। চিৎকার শুনে তিনি বেরিয়ে এসে বাধা দিলে অভিযুক্তের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এতে তিনিও সামান্য আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে শান্তকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীরা প্রতিবেশী। পূর্ববিরোধের জেরে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্ত শান্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার কারণ ও বিস্তারিত জানতে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ
প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় ওই কিশোরীকে পরিবারের লোকজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে রবিবার (১৪ জুন) সকাল পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় কোনো মামলা হয়নি।

গত ১০ জুন আশুগঞ্জ উপজেলার কলাবাগান এলাকায় ওই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পেশাগত কারণে ওই কিশোরীর পরিবার আশুগঞ্জে ভাড়াবাসায় থাকে বলে জানা গেছে।

কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১০ জুন রাত ৮টার দিকে ওই কিশোরীকে তার মা রুটি কিনতে পাঠান। দোকানে যাওয়ার পথে স্থানীয় তিন যুবক তাকে ডেকে পার্শ্ববর্তী একটি ভবনের পাঁচতলায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি কাউকে বললে তার বাবা ও পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেন। ভয়ে সে কিছু না বললেও দুদিন পর সে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে মাকে সে বিষয়টি খুলে বলে। পরে তাকে জপলা সদর হাসপাতালে আনা হয়। এ বিষয়ে তারা থানায় অভিযোগ দেবেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাক্তার রতন কুমার ঢালি জানান, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে। তার পরীক্ষা-নিরিক্ষার রিপোর্ট পেলে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আশুগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘এসআরও সংশোধন না হলে ২০৩০ সালের সৌরবিদ্যুতের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘এসআরও সংশোধন না হলে ২০৩০ সালের সৌরবিদ্যুতের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়’
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭-এ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কর ও শুল্ক সুবিধা ঘোষণার পর আশাবাদ তৈরি হলেও বাস্তবে এসব সুবিধা সীমিত সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ)। সংগঠনটির দাবি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জারিকৃত এসআরও সংশোধন না করা হলে দেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হবে এবং ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না।

রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএসআরইএ'র নেতারা এসব তথ্য জানান।

বিএসআরইএ'র সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘বাজেট-পরবর্তী এসআরও বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘোষিত সুবিধাগুলো মূলত নির্দিষ্ট কিছু সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং রেসকো মডেলে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কম্পানির জন্য প্রযোজ্য করা হয়েছে। ফলে আবাসিক, কৃষি (সোলার সেচ) ও ক্ষুদ্র বাণিজ্যিক গ্রাহকসহ বৃহৎ অংশের ব্যবহারকারী এবং খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাজারের বড় অংশ গড়ে উঠেছে আমদানিকারক, পরিবেশক, ডিলার, খুচরা ব্যবসায়ী এবং ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। কিন্তু বর্তমান প্রণোদনা কাঠামোয় তাদের জন্য কার্যকর কোনো সুবিধা রাখা হয়নি। এতে খাতসংশ্লিষ্ট হাজারো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা ও কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।’

বিএসআরইএ জানায়, বর্তমান এসআরও মূলত দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের ২০ থেকে ২২ শতাংশ অংশকে লক্ষ্য করছে, অথচ অধিকাংশ ব্যবহারকারী এর বাইরে রয়ে গেছেন। তাদের মতে, রেসকো মডেল বড় শিল্প গ্রাহকদের জন্য উপযোগী হলেও আবাসিক, কৃষি ও গ্রামীণ গ্রাহকদের জন্য কার্যকর নয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে যে সৌর প্যানেল ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বাজারে দাম কমেছে। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ সৌর পণ্যের ক্ষেত্রে বিদ্যমান শুল্ক ও কর কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। এতে বাজারে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিক চাপের মুখে পড়ছেন।

সংগঠনটি আরো অভিযোগ করে, চলতি বাজেট ও সংশ্লিষ্ট এসআরওতে সোলার ইরিগেশন, সোলার স্ট্রিট লাইট এবং ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) খাতের জন্য কার্যকর নতুন কোনো প্রণোদনা দেওয়া হয়নি। দেশে প্রায় ১৭ লাখ ডিজেলচালিত সেচ পাম্প থাকলেও সেগুলোকে সৌরচালিত ব্যবস্থায় রূপান্তরের জন্য সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা বা আর্থিক প্রণোদনার প্রতিফলন বাজেটে নেই।

বিএসআরইএর মতে, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের ‘ওয়েট-বেইজড অ্যাসেসমেন্ট’ পদ্ধতির পরিবর্তে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘ট্রানজ্যাকশন ভ্যালু’ ভিত্তিক মূল্যায়ন চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। ফলে প্রকৃত আমদানি মূল্যের তুলনায় অতিরিক্ত মূল্যায়নের কারণে প্রকল্প ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।

এছাড়া মাউন্টিং স্ট্রাকচার, লিথিয়াম সেল, ব্যাটারি প্যাক ও বিইএসএসের জন্য প্রদত্ত শুল্ক সুবিধা ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সীমিত রাখার সিদ্ধান্তেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। তাদের দাবি, দেশে এখনো এসব পণ্যের পর্যাপ্ত উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি। ফলে আগেভাগে সুবিধা প্রত্যাহার করা হলে বিনিয়োগ ও বাজার সম্প্রসারণ ব্যাহত হতে পারে।

বিএসআরইএর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর ৬৩ শতাংশই আবাসিক, কৃষি ও ক্ষুদ্র বাণিজ্যিক গ্রাহক। অথচ বর্তমান প্রণোদনা কাঠামোয় তাদের জন্য কোনো প্রত্যক্ষ সুবিধা নেই। একই সঙ্গে স্বল্পসুদে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন, পেমেন্ট সিকিউরিটি এবং বিনিয়োগ সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাজেটে নতুন কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

সংগঠনটি সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান এসআরও বহাল থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট পিক (এমডব্লিউপি) সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা অর্জন সম্ভব হবে না; বরং সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট পিক সক্ষমতা অর্জিত হতে পারে।

তবে সকল আমদানিকারক, ইপিসি প্রতিষ্ঠান, ডিস্ট্রিবিউটর এবং খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্য শূন্য শতাংশ কাস্টমস ডিউটি ও কর সুবিধা উন্মুক্ত করা হলে ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোর মাত্র ২৫ শতাংশ ছাদ ব্যবহার করেই ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ থেকে ৮ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব বলে দাবি করেছে বিএসআরইএ।

সংগঠনটি সোলার মডিউল, ইনভার্টার, ব্যাটারি স্টোরেজ, মাউন্টিং স্ট্রাকচার, ডিসি কেবল, কানেক্টর ও স্মার্ট মিটারসহ সব নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ক্ষেত্রে সমান শুল্ক সুবিধা কার্যকর, অন্তত ১০ বছরের ট্যাক্স হলিডে ও আয়কর অব্যাহতি এবং আবাসিক ও কৃষি গ্রাহকদের জন্য কর সুবিধা উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি সোলার ইরিগেশন, সোলার হোম সিস্টেম, রুফটপ সোলার ও বিইএসএসকে জাতীয় অগ্রাধিকার খাত হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিএসআরইএর সভাপতি আরো বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনো নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুবিধা নয়; এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই প্রণোদনা কাঠামো অবশ্যই সবার জন্য সমভাবে উন্মুক্ত হতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএসআরইএ'র সিনিয়র সহসভাপতি জাহিদুল আলম, সহসভাপতি এম এ তাহের, সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউর রহমান সরকার রোজেল, পরিচালক (অর্থ) নিতাই পদ সাহা, তোফায়েল আহমেদ, গ্রুপ সি ও সুপারস্টার গ্রুপসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রৌমারী সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি

রাজিবপুর - রৌমারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
রৌমারী সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি
সংগৃহীত ছবি

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তে নারী-শিশুসহ ছয়জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে‌ছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বা‌হিনী (বিএস‌এফ)। শনিবার (১৪ জুন) ভোর ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে ভারতের ঝালুর চর বিএসএফ ক্যাম্প থেকে তাদের সীমান্তে নিয়ে আসা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুশইনের জন্য আনা ওই ছয়জন বর্তমানে ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রায় ৫০ গজ ভেতরে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিল। বিষয়টি সীমান্ত এলাকার বা‌সিন্দা‌দের মা‌ঝে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।

এদি‌কে, খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গয়টাপাড়া বিওপির ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীও সম্ভাব্য পুশইন প্রতিরোধে বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে নজরদারি জোরদার করেছেন।

বি‌জি‌বি সূত্র জানায়, বিজিবি সদস্যরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

স্থানীয় ইউপি সদস‌্য সোনা মিয়া ব‌লেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে লোকজনকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই গয়টাপাড়া সীমান্তে যেকোনো ধরনের পুশইন ঠেকাতে আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।’

গয়টাপাড়া বিওপির ক্যাম্পের হাবিলদার মাসুদ রানা বিষয়‌টি নিশ্চিত করে তি‌নি ব‌লেন, ‘যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।’