• ই-পেপার

রাজশাহীতে ৫ দশকে কমেছে বৃষ্টিপাত, বাড়ছে তাপমাত্রা

হবিগঞ্জে বজ্রাঘাতে ৩ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
হবিগঞ্জে বজ্রাঘাতে ৩ জনের মৃত্যু

হবিগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রাঘাতে নারীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরো ৪ জন। রবিবার (৭ জুন) সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জ, চুনারুঘাট ও বানিয়াচং উপজেলার পৃথক স্থানে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন ও শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মো. আবুল কালাম হতাহতের ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, রবিবার সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জের কাজীরগাঁও গ্রামে বাড়ির পাশে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই ওই নারীর মৃত্যু হয়। অপরদিকে বোনের বাড়িতে বেড়াতে চুনারুঘাটে এসেছিলেন রিংকু দেবনাথ। বিকেলে তিনি তার ভাগিনা পিযুষ দেবনাথকে সঙ্গে নিয়ে একটি বাড়ির ছাদে উঠে পানির ট্যাংকি পরিষ্কার করছিলেন।

এসময় বৃষ্টি শুরু হয় এবং হঠাৎ বজ্রাঘাতে তারা দুজনই ছাদ থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাদের চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিংকু দেবনাথকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত পিযুষ দেবনাথ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া একই সময়ে বানিয়াচং উপজেলার শ্রীমঙ্গলকান্দি গ্রামে বজ্রপাতে চার যুবক আহত হন। পরে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মধ্যে সুজন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড়ে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই ছাত্রের মৃত্যু

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই ছাত্রের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় পুকুরের পানিতে গোসল করতে নেমে আব্দুর রহিম (১৪) ও রাজিব হোসেন লাবিব (১৬) নামে দুই মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহেবীজোত দশমাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত আব্দুর রহিম ইউনিয়নের শিতলীহাসনা এলাকার মৃত জাকির হোসেনের ছেলে এবং লাবিব ইউনিয়নের সাহেবীজোত এলাকার আশরাফুল ইসলামের ছেলে। তারা ওই ইউনিয়নের দশমাইল নুরানি মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।

সাতমেরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি বলেন, রবিবার দুপুরে পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার দক্ষিণ সাহেবীজোত দশমাইল এলাকায় সাড়ে ১২টার দিকে একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। একপর্যায়ে তারা সাঁতার না জানায় পুকুরের গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতা পুকুরের গভীর পানি থেকে ডুবন্ত অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  

সদর থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম পুকুরের পানিতে গোসল করতে গিয়ে দুই মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আনা হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের হেফাজতে ১৩ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) ও ফরেনসিক বিভাগে নেওয়া হয়।

গতকাল চট্টগ্রাম থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধারের পর অভিযুক্ত কামরুল ইসলাম নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।   

পুলিশ সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় মাতৃছায়া একাডেমির সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৮ মে সকালে স্কুলে যাওয়ার পর সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় কামরুল ইসলাম (২৪) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, মামলার আলামত সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

ভাঙ্গায় মাদকসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ভাঙ্গায় মাদকসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাদের ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রাম থেকে আটক করা হয়। 

আটককৃতরা হলেন- মা হাজেরা বেগম (৫৮) এবং তার ছেলে সুজন মুন্সি (৩২)। 

ভাঙ্গা থানা সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক আফজাল হোসাইনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রামের সুজন মুন্সি (৩২) এবং তার মা হাজেরা বেগম (৫৮) ঘরে মাদক আছে মর্মে অভিযান চালালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তাদেরকে আটক করা হয়।

পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে সুজন মুন্সীর পরিহিত লুঙ্গির ভেতর থেকে ৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে সুজনের মা হাজেরা বেগমের হেফাজত থেকে কাগজে মোড়ানো ৩ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারায়  ভাঙ্গা থানায় মামলা হয়।

ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক আফজাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। রবিবার দুপুরে তাদের ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।