<p style="text-align: justify;">চট্টগ্রামে কলেজছাত্র আশফাক কবির সাজিদ হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজনের ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন আইমান, এনায়েত উল্লাহ, মিশকাতুল কায়েস ও এনামুল হক।</p> <p style="text-align: justify;">বিষয়টি নিশ্চিত করে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবুল আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, কলেজছাত্র আশফাক কবির সাজিদ (১৭) হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেছি, এখনও শুনানি হয়নি। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।</p> <p style="text-align: justify;">এর আগে গত ১২ এপ্রিল রাতে চকবাজার থানার ডিসি রোড এলাকার মৌসুমি আবাসিকের একটি নির্মীয়মাণ ভবনের লিফটের খালি জায়গা থেকে সাজিদের লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, পূর্ব বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p> <div class="d-flex justify-content-center"> <div class="col-12 col-md-10 position-relative" data-id="1673102"><strong>আরো পড়ুন</strong> <div class="card"> <div class="row"> <div class="col-4 col-md-3"><img alt="ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর" class="img-fluid rounded-start m-0 w-100" height="66" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/2026/04/18/1776502549-72de1dae05468edcacdb99fc02beb977.jpg" width="100" /></div> <div class="col-8 col-md-9"> <p class="p-1 m-0 lh-sm">ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর</p> </div> </div> </div> <a class="stretched-link" href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/04/18/1673102" target="_blank"> </a></div> </div> <p style="text-align: justify;">মৃত আশফাক কবির সাজিদ চট্টগ্রাম নগরের বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার আবুল হাশেম খন্দকারের ছেলে। তারা বাকলিয়া ডিসি রোডে একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।</p> <p style="text-align: justify;">মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১২ তারিখ বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সাজিদকে তার বন্ধু ফারদিন হাসান মুঠোফোনে কল দিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার মোড়ে ডেকে নেয়। সেখানে কথা বলার সময় আইমন, অনিক, মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন সাজিদকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।</p> <p style="text-align: justify;">পরে বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে সাজিদ কৌশলে তাদের হাত থেকে বাঁচতে দৌড়ে চকবাজার থানার ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিকের আমিন অ্যান্ড হাসান ম্যানশনের ৮ তলা ভবনের ভেতর প্রবেশ করেন। ভেতর থেকে ভবনের গেট আটকে দিয়ে সে অষ্টম তলায় উঠে যায়। পেছনে ধাওয়া করা তরুণরা ভবনের সামনে অবস্থান নেয়।</p> <p style="text-align: justify;">এক পর্যায়ে দারোয়ানকে বলে তারা গেট খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর অষ্টম তলায় উঠে সাজিদকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং লিফটের খালি জায়গায় (নিচে) ফেলে দেয়। এসময় স্থানীয়রা সাজিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে ৯৯৯ নম্বরে কল দেন। পরে পুলিশ গিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p>