• ই-পেপার

বিএনপি থেকে পদ হারালেন বাবা-ছেলে

রাজবাড়ীতে প্রেমের ফাঁদে ডেকে প্রবাসী যুবককে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
রাজবাড়ীতে প্রেমের ফাঁদে ডেকে প্রবাসী যুবককে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে দেখা করার কথা বলে পদ্মা নদীর তীরের নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে এক প্রবাসী যুবকের কাছ থেকে মোটরসাইকেল, আইফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার (২০ জুন) সকালে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলো—জেলা শহরের ধুঞ্চি ২৮ কলোনি গ্রামের বাবুর ছেলে মো. রাতুল (২২), রতনের ছেলে শুভ (২২), লালচাঁদের ছেলে সানি (২৩), বিন্দুপাড়ার রানা (২৩), সালাউদ্দিন কসাইয়ের ছেলে অনিক (২৫) এবং অজ্ঞাতনামা আরো ২-৩ জন।

মামলার বাদী আজমির হোসেন (২৮) চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, সৌদি আরবে অবস্থানকালে এক বন্ধুর মাধ্যমে রাজবাড়ীর তাসমিন আক্তার অধরা নামে এক তরুণীর সঙ্গে আজমিরের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১০ জুন তিনি দেশে ফেরেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ১৮ জুন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অধরার ডাকে রাজবাড়ী শহরের মুরগি ফার্ম এলাকায় দেখা করতে আসেন আজমির। পরে তারা পদ্মা নদীর তীরবর্তী গোদার বাজার এলাকায় যান। সকাল পৌনে ৯টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের চর ধুঞ্চি দীপদারতলা এলাকায় অবস্থানকালে কয়েকজন যুবক সেখানে উপস্থিত হয়।

বাদীর অভিযোগ, ওই সময় তাদের মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয় এবং তার কাছ থেকে একটি আইফোন-১৫ প্রো, ৯ হাজার ৩০০ টাকা ও একটি ইয়ামাহা আর-১৫ মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে অভিযুক্তরা হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এজাহারে আরো বলা হয়, স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, অধরা ও তার সহযোগীরা কৌশলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিভিন্ন যুবককে নির্জন স্থানে ডেকে এনে সংঘবদ্ধভাবে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটিয়ে আসছে।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তার ও ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়েছে।

খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ কাল

খুলনা অফিস
খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ কাল
ছবি: কালের কণ্ঠ

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন দাবিতে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে আগামীকাল শনিবার ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার দুপুর ২টায় এ সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সমাবেশ সফল করতে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

১১ দলের নেতারা আশা করছেন, এই জনসমাবেশ খুলনার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। জাতীয় নির্বাচনের পর খুলনায় বিরোধী জোটের বড় সমাবেশ হতে যাচ্ছে এটি।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

সমাবেশে আরো বক্তব্য দেবেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শাইখুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সোবহানী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।

সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোবারক হোসাইন বলেন, ‘বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। খুলনা বিভাগের ১০টি জেলা ও উপজেলা থেকে ১১ দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সফল সমাবেশ আয়োজনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। জনগণের বিভিন্ন দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে ১১ দলের নেতাকর্মীরা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণা, সভা-সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। সমাবেশ বাস্তবায়নে গঠিত ১৭টি উপ-কমিটি দফায় দফায় বৈঠক করে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। দুই লক্ষাধিক পোস্টার, ১০ লক্ষাধিক লিফলেট, ৫ সহস্রাধিক ফেস্টুন ঝুলানো হয়েছে বিভাগজুড়ে। নেতৃবৃন্দদেরকে স্বাগত জানিয়ে খুলনা মহানগরীর ৫টি প্রবেশদ্বারে ১৭টি তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে।

সমাবেশে খুলনা মহানগরীর পাশাপাশি খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, যশোর, নড়াইল, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও মাগুরা জেলার লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম
ঘটবে। সবমিলিয়ে এ সমাবেশ হবে স্মরণকালের বিশাল সমাবেশ। শনিবার নগরবাসী সেই বিশাল সমাবেশের সাক্ষী হতে যাচ্ছে। শনিবারের সমাবেশের প্রস্তুতি দেখতে শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে সার্কিট হাউজ মাঠের মঞ্চ তৈরি কার্যক্রম পরিদর্শন করেন, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এবং খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলালসহ ১১ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ।
 

গাজীপুরে ফল মেলার উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
গাজীপুরে ফল মেলার উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’—এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ‘কাঁঠালের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত গাজীপুরেও শুরু হয়েছে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬। দেশীয় ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি, সংগ্রহের পর ক্ষতি হ্রাস, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্প্রসারণ, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ফল রপ্তানির সম্ভাবনা তুলে ধরতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় বৈচিত্র্যময় দেশীয় ফলসহ ৩৪ রকমের ফল প্রদর্শন করা হয়। মেলার বিশেষ আকর্ষণ ছিল ৩৫ কেজি ওজনের কাঁঠাল।

শুক্রবার (১৯ জুন) গাজীপুর সদর উপজেলা চত্বরে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং গাজীপুরের যৌথ আয়োজনে ‘ফল মেলা ২০২৬’ এবং কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া মন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

ভিডিও কনফারেন্সে তথ্যমন্ত্রীকে গাজীপুরের একটি ঐতিহ্যবাহী ও বিশাল ৩৫ কেজি ওজনের কাঁঠাল প্রদর্শন করে ফলটির অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া জানান, কাঁঠালকে  প্রক্রিয়াজাত করে সঠিকভাবে বাজারজাত করতে পারলে ২০০০ কোটি টাকার একটি বাজার তৈরি হবে।

জেলা প্রশাসক আরো জানান, কাঁঠাল ও কাঁঠালজাত পণ্য আমরা বিদেশে রপ্তানির চেষ্টা করছি। আমাদের এই কাঁঠালের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার একটি বাজার রয়েছে। 

ফল মেলার গুরুত্ব তুলে ধরে গাজীপুরের তিনি বলেন, ‘ফল মেলা অত্যন্ত দরকারি একটি আয়োজন। এদেশের মানুষ আস্তে আস্তে নিজেদের ঐতিহ্য ভুলে যাচ্ছে। এই ফল মেলার মূল উদ্দেশ্যই হলো মানুষকে দেশীয় ফলের সঙ্গে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়া ও চেনানো; যাতে এই ফলগুলো আরো বেশি ব্যবহার হয় এবং মানুষ এগুলোর পুষ্টিগুণ ও গুণাগুণ সম্পর্কে জানতে পারে। এর পাশাপাশি যাতে করে এই ফলগুলো ব্যবহার করে আমরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের স্বদেশীয় ফুল, ফল ও গাছপালাকে সংরক্ষণ ও ধারণ করতে হবে। আমরা যাতে আমাদের অরিজিন বা রুটকে (শেকড়) হারিয়ে না ফেলি, সেজন্য এগুলোকে টিকিয়ে রাখা ও সংরক্ষণ করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সাজ্জাত হোসেনের সভাপতিত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপপরিচালক (গাজীপুর) মো. রফিকুল ইসলাম খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মঈন খান এলিস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার জন্য বিদেশের মুখাপেক্ষী হওয়ার প্রয়োজন নেই : ত্রাণমন্ত্রী

নীলফামারী সংবাদদাতা.
তিস্তা মহাপরিকল্পনার জন্য বিদেশের মুখাপেক্ষী হওয়ার প্রয়োজন নেই : ত্রাণমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ১২ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা লাগবে। এটার জন্য আমি মনে করি বিদেশের মুখাপেক্ষী হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের জিওবি ফান্ড থেকে এটা করতে পারব। এটার মেয়াদ আছে দশ বছর। দুই স্তরে কাজ হবে। সুতরাং প্রতি বছর ২ থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও আমরা করতে পারব। তবে প্রযুক্তির ব্যাপারে আমাদের দেশীয় যারা আছেন তাদের সঙ্গে হয়তো বহির্বিশ্বের আরো উচ্চতর যারা জ্ঞান রাখেন এই ব্যাপারে তাদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এখন সমস্যাটা দেখা দিয়েছে যে আমরা দিয়ে উজান থেকে পানি কতটুকু পাবো সেটা কিন্তু এখনো আমাদের কাছে যথেষ্ট সন্দেহের কারণ। পানি চুক্তি ছাড়া আমাদের কাক্সিক্ষত পানি পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। বর্ষাকালে প্রচুর পানি হয়। শুকনা মৌসুমে যদি পানি আমরা না পাই তাহলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে এটা কোন কার্যকর কার্যকরী ভূমিকা রাখবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই জায়গাটি অ্যাড্রেস করছেন। উনি বলছেন যে, যাতে পানির রিজার্ভার তৈরি করা যায় ডিজাইনের মধ্যে সেটাকে গুরুত্ব দিতে বলছেন উনি। যাতে বর্ষাকালে আমরা পানি ধরে রাখতে পারি।’

এক মাসের মধ্যে টেকনিক্যাল কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর মহাপরিকল্পনার মূল কার্যক্রম শুরু হবে জানিয়ে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘কিছু লোক দেখতেছি, তারা আবার আন্দোলনের কর্মসূচি দিচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন যে আমরা আন্দোলন করলাম, তাদের চেহারা তো আমি একদিনও পাইনি। এখন এরা দেখছে যে কাজ রেডি হয়ে যাচ্ছে। তাই ওরা আন্দোলন করে ক্রেডিট নিতে চায়। তারা কই ছিল এতদিন। তিস্তার চরে যখন সাধারণ মানুষ নিয়ে আমাদের নেতৃবৃন্দ আন্দোলন করছে তাদের তো আমরা একদিনও সাথে পায়নি।’

এর আগে মন্ত্রীরা তিস্তা প্রধান সেচ খাল, জলঢাকার ধাইজান নদী, চারালকাটা নদী ও দিনাজপুর সেচ খাল পরিদর্শন করেন। এসময় পানি সম্পদ সচিব ড. এ.কে.এম শাহাবুদ্দিন সহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গঠিত ৯ সদস্যের কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি থেকে পদ হারালেন বাবা-ছেলে | কালের কণ্ঠ