গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়া উপজেলায় চোর আটককে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও নারীসহ ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) রাতে উপজেলার ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার ঘাঘরকান্দা বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা ব্যাটারি চুরির অভিযোগে উপজেলার কাঠি গ্রামের মোরসালিন মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া ও ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়াকে আটক করে তাদের কার্যালয়ে আটকে রাখে।
এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাঠিগ্রামের চিতশীর গ্রামের লোকজন এসে মাদক প্রতিরোধ কমিটির কার্যালয় ভাঙচুর করে ৩ চোরকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা বলেন, আমাদের বেপারীপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে মোরসালিন, রাসেল ও আব্দুলাহ মিলে গাড়ির ব্যাটারি চুরি করে বিক্রি করে দেয়। এ খবর জানার পরে আমরা এই ৩ চোরকে আটক করে আমাদের কার্যালয়ে রেখে পুলিশকে খবর দেয়।
পরবর্তীতে কাঠিগ্রামের লোকজন এসে আমাদের ওপর হামলা ও মারধর করে কার্যালয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ওই ৩ জনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় নারীসহ ২০ আহত হয়।
গুরুতর আহত ওহাব গাজী (৬০), জালাল গাজী (৪৫), খলিল গাজী (৪৮), আরিফুল গাজী (৩০) জলিল গাজী (৪৬) ছনিয়া খানম (১৯), মাজেদা বেগম (৪৫), হান্নান বরকতউল্লাহ (৫৫), মুকুল মুন্সী (৪৮), অলি বরকতউল্লাহ (৩৫), তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ (৪৫), হাবিব মুন্সী (৪২), জাহিদুল বরকতউল্লাহকে (৩৮) উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
কাঠিগ্রামের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা কাউকে মারধর করিনি। আমাদের লোকজনকে মাদক প্রতিরোধ কমিটির লোকজন মরধর করে আহত করেছে।
কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





