• ই-পেপার

গোমতী নদীর মাটি কাটা বন্ধের দাবির মানববন্ধনে হাসনাত আব্দুল্লাহ

ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৪ জনকে কারাদণ্ড

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৪ জনকে কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ইকুরিয়া  বিআরটিএতে অভিযান পরিচালনা করে আইন অমান্যকারী চারজন দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে কেরানীগঞ্জস্থ ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকা বিআরটিএ-এর আদালত-৫-এর  এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল হাই।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, বহিরাগত দালালরা আইন অমান্য করে বিআরটিএ অফিসের ভেতরে গ্রাহকদের কাছে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প্রতারণা করার দায়ে মো. আব্দুল সালাম ও মো. পিন্টু নামের দুই দালালকে ৪০ দিন এবং নুর মোহাম্মদ ও মো. ইয়াছিন আরাফাতকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএ-এর আদালত-৫-এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল হাই বলেন, বিআরটিএ অফিস থেকে দালালমুক্ত করতে আমাতের এই ঝটিকা অভিযান। সরকার দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে দালাল মুক্ত করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করে যাচ্ছ। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে আজকের এই অভিযান। এই অভিযানে চার দালালকে অপরাধের দিক বিবেচনা করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে দণ্ডপ্রাপ্ত সবাইকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অভিযানের সময় দায়িত্বরত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিআরটিএ-এর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাদারীপুরে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, যুবকের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুরে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, যুবকের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

মাদারীপুরের রাজৈরে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ মামলায় নাফিজ মোল্লা নামের এক যুবককে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে মাদারীপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক আ. স. ম শহীদুল্লাহ কায়সার এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নাফিজ মোল্লা রাজৈর উপজেলার পূর্বকান্দি শাখারপাড় গ্রামের মতিয়ার মোল্লার ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শরীফ মো. সাইফুল কবীর।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২১ মার্চ ভোরে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান নাফিজ ও তার সহযোগীরা। পরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার ও নাফিজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে ঘটনার দুদিন পর ২৩ মার্চ রাজৈর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এরপর রাজৈর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক এখতিয়ার আহম্মেদ ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ নাফিজকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন।

যুক্তিতর্ক ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি নাফিজকে ১৪ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়; যা অনাদায়ে তাকে আরো ছয় মাস কারাবাসে থাকতে হবে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আনজীবী সাইফুল কবীর। দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি নাফিজের মা শাহানা বেগমকে মুক্তি দেন বিচারক।

মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শরীফ মো. সাইফুল কবীর বলেন, এই রায়ে মামলার বাদি ন্যায় বিচার পেয়েছেন। তারা এ রায়ে সন্তুষ্ট হয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষও সন্তুষ্ট হয়েছে।

নবীনগরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ মামলা, গ্রেপ্তার ১

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
নবীনগরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ মামলা, গ্রেপ্তার ১
সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে নবীনগর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সুমন মিয়া উপজেলার চিত্রি গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৮টায় নবীনগর থানার চিত্রি গ্রামের বাসিন্দা সুমন মিয়া একই এলাকার এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীকে কৌশলে ধর্ষণ করে। এ অভিযোগ এনে ভুক্তভোগীর পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে অভিযোগপত্র দেন। পরে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশক্রমে নবীনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

দীর্ঘ চার মাস পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ২৩ জুন রাতে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের চিত্রি গ্রামের মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে অভিযানে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী গ্রেপ্তারের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামি সুমন মিয়াকে সব আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে আজ বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখ হারালেন আইনজীবী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখ হারালেন আইনজীবী
ছবি: কালের কণ্ঠ

চলন্ত ট্রেনে ছোড়া পাথরের আঘাতে ডান চোখ হারিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইনজীবী শ্যামল চন্দ্র দাস (৪৫)। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার ডান চোখটি অপসারণ করতে হয়।

বুধবার (২৪ জুন) বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হক মনা জানান, পারিবারিক কাজে তিনি ও শ্যামল চন্দ্র দাস সোমবার সকালে ঢাকায় যান। রাতে তারা তূর্ণা নিশিতা ট্রেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফিরছিলেন। ট্রেনের ‘ন’ বগিতে বসেছিলেন তারা।

রাত দেড়টার দিকে ট্রেনটি আশুগঞ্জের তালশহর রেলস্টেশন অতিক্রম করার সময় বাইরে থেকে ছোড়া একটি পাথর এসে শ্যামল চন্দ্র দাসের ডান চোখে আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে নেমে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত অস্ত্রোপচার শেষে চিকিৎসকরা তার ডান চোখটি অপসারণ করেন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম বলেন, ঘটনাটি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছেন। তবে ঘটনাস্থল সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গোমতী নদীর মাটি কাটা বন্ধের দাবির মানববন্ধনে হাসনাত আব্দুল্লাহ | কালের কণ্ঠ