ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল দাসপাড়ায় যুবক রিফাত (২৮) হত্যার ঘটনায় কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মনেক ডাকাত’ ও তার দুই সন্তানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নিহত রিফাতের বোন মুক্তা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মনেক ডাকাত, তার দুই ছেলে সুমন ও নোমানসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) ওবায়দুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নিহতের বোনের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশ তদন্ত করছে’।
এর আগে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নরসিংদীর করিমপুর এলাকায় মেঘনা নদী থেকে রিফাতের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী নৌ পুলিশ। পরদিন বুধবার ময়নাতদন্ত শেষে নিজ গ্রাম থোল্লাকান্দিতে তাকে দাফন করা হয়। নিহত রিফাতের স্ত্রী ও তিন মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত রবিবার (১৪ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল দাসপাড়ায় সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় প্রতিপক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে কনিকা দাস (৪০) নামের এক নারী আহত হন। একই ঘটনায় রিফাত নিখোঁজ হন। পরে তার মরদেহ মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।
এলাকাবাসীর দাবি, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, মাদক ব্যবসা ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই এ হামলা ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।




