• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, সম্পর্ক জোরদার নিয়ে আলোচনা

দেশে বর্তমানে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে : পরিবেশমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দেশে বর্তমানে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে : পরিবেশমন্ত্রী

দেশে বর্তমানে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে নরসিংদী-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মোট বনভূমির পরিমাণ ২৩ লাখ হেক্টর, যা বাংলাদেশের মোট ভৌগোলিক আয়তনের ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ।’

তিনি বলেন, দেশের বন ও বনভূমি সংরক্ষণের জন্য সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানান, বন ও বনভূমি রক্ষায় টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সুন্দরবন ও অন্যান্য সংরক্ষিত এলাকায় সাইবার ট্র্যাকার প্রযুক্তির মাধ্যমে স্মার্ট প্যাট্রোলিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বলেন, বন ও বনভূমির রক্ষণাবেক্ষণ, পর্যবেক্ষণ এবং বন-সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সহ-ব্যবস্থাপনা (কো-ম্যানেজমেন্ট) ও অংশীদারিত্বমূলক বন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে বন সংরক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সহ-ব্যবস্থাপনা ও যৌথ বন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে বন ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।’

এছাড়া রাজস্ব ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ব্যাপকভাবে চারা উৎপাদন ও বনায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃক্ষ আচ্ছাদন বৃদ্ধি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের লক্ষ্যে দেশের সংরক্ষিত এলাকার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বন ও বনভূমির সুরক্ষা এবং ব্যবস্থাপনা জোরদারে ডিজিটাল ম্যাপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান, বন্যপ্রাণী দিবস পালন এবং ওয়াইল্ডলাইফ অলিম্পিয়াডের মতো কর্মসূচি আয়োজন ও প্রচার করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন, ২০২৬-এর ৬(৪) ধারার আওতায় বন বিভাগের চিহ্নিত অগ্রাধিকারভিত্তিক বনভূমির জরিপ, সীমানা নির্ধারণ এবং রেকর্ড হালনাগাদের কাজ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
 

১৪ উড়োজাহাজ কিনতে মার্কিন বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে : বিমানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
১৪ উড়োজাহাজ কিনতে মার্কিন বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে : বিমানমন্ত্রী

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ২০৩৫ সালের মধ্যে বহরের উড়োজাহাজ সংখ্যা ৪৭টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের দশম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।

মন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লিট এক্সপ্যানশন প্ল্যান ২০২৬-২০৩৫ অনুযায়ী ২০৩৫ সালে সংস্থাটির বহরে মোট ৪৭টি উড়োজাহাজ প্রয়োজন হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার জন্য বোয়িং কম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। পাশাপাশি বিমানের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মিশ্র বহর (মিক্সড ফ্লিট) গঠনের অংশ হিসেবে আরো উড়োজাহাজ সংযোজনের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

সরকারের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আগামী এক দশকে জাতীয় বিমান সংস্থাটির বহরে উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটবে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

লিখিত উত্তরে মন্ত্রী আরো জানান, গত ১৫ বছরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস মোট ৯টি উড়োজাহাজ কিনে বহরে যুক্ত করেছে। এর মধ্যে ২০১৯ সালে বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের দুটি, ২০২০ ও ২০২১ সালে ড্যাশ ৮-৪০০ মডেলের পাঁচটি এবং ২০২১ সালে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের দুটি উড়োজাহাজ ক্রয় করা হয়।

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

অনলাইন ডেস্ক
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর পর অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে ব্রিটিশ সরকারের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান তিনি। সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে করা এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বর্তমান সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হওয়ার আশা ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ খাতে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এছাড়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে ব্রিটিশ বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়, যা দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান সংসদ সদস্যদের কেউ ঋণখেলাপি নন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বর্তমান সংসদ সদস্যদের কেউ ঋণখেলাপি নন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নেই। যারা আছেন তারা ঋণগ্রস্ত হতে পারেন, তবে ঋণখেলাপি নন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ বৃহস্পতিবার বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের পয়েন্ট অব অর্ডারে দেওয়া এক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইন অনুযায়ী, যেমন রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডারসহ অন্যান্য বিধিমালায়, যদি কেউ আদালত কর্তৃক ঋণখেলাপি হিসেবে সাব্যস্ত বা ঘোষিত হন, তবে তিনি অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন। এমপি পদে মনোনয়ন দিতে পারেন না। সেটি স্পষ্ট বিধান।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচিত হয়ে সংসদে আসার অর্থ হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হয় ঋণগ্রস্ত হতে পারেন, কিন্তু ঋণখেলাপি নন। এখন কেউ যদি দাবি করেন যে এই সংসদে ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তা কোনোভাবেই আইনগত ব্যাখ্যার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাদের কারো বিরুদ্ধে ব্যাংক বা অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মামলা থাকলেও, সেগুলো হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। আদালত থেকে নিষ্পত্তির পর এবং বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর তিনি আর ঋণখেলাপি থাকেন না এবং তারা নির্বাচিত হয়ে সংসদে এসেছেন। সুতরাং এটিকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলা সঠিক নয় এবং এটি মানহানিকর বক্তব্য। আমি মনে করি, এটি এক্সপাঞ্জ করা উচিত। 

অন্যদিকে, নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদে নির্বাচনের আগেও ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, ঋণখেলাপিদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের পরেও আমি আমার প্রথম অধিবেশনের বক্তব্যে এইখানে অনেক সংসদ সদস্য তাদের কত কত ঋণখেলাপি রয়েছে সেই সংখ্যা আমি উল্লেখ করেছি, তাদের সম্মানার্থে নাম প্রকাশ করিনি।

তিনি আরো বলেন, এখন যদি সংসদে এতগুলো ঋণখেলাপি থাকে, তাহলে এই সংসদকে তো ঋণখেলাপিদের সংসদ বলবে, বা সরকারদলীয় লোকেরা যারা মেজরিটি, টু-থার্ড মেজরিটি করেছে তারা ঋণখেলাপিদের সংসদে নিয়ে এসেছে, এটা সাধারণ মানুষ এটা স্বাভাবিকভাবেই বলবে।