• ই-পেপার

বাস-সিএনজি ও ফুট ওভারব্রিজে অগ্নিসংযোগ, তিন মামলায় আসামি ৫৭

সিলেটে হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
সিলেটে হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৪০ জনে। এদের সবাই শিশু। একই সময়ে হাম উপসর্গ নিয়ে আরো ৯২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ফলে বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮১ জনে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। তাদের দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৪০ জনে। 

মারা যাওয়া শিশুরা হলো, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বাসিন্দা পলাশ কাহেরের ৬ মাস বয়সী মেয়ে ইশিতা কাহের, একই জেলার সদর উপজেলার বড়বাড়ি সামরাবাজার এলাকার সুজিত নমঃশুদ্রের ৯ মাস বয়সী মেয়ে সুস্মিতা এবং সিলেট নগরের পীরমহল্লা এলাকার তৌহিদ আলীর ৯ মাস বয়সী মেয়ে লাবিবা।

আরো পড়ুন
খুলনায় অফিসে ঢুকে ঠিকাদারকে গুলি

খুলনায় অফিসে ঢুকে ঠিকাদারকে গুলি

 

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া ৯২ জনের মধ্যে ২৯ জন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এবং ২৫ জন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৫ জন, বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতাল পাঁচজন করে, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৪ জন, রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, পার্কভিউ মেডিক্যাল হাসপাতাল ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন করে এবং নর্থ ইস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মাউন্ট এডোরা হাসপাতাল ও দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন করে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রায় ২৮১ রোগী চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে প্রায় ৭০ জন, ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৭৭ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৪৮ জন ভর্তি রয়েছেন।

নীলফামারী

আনসার সদস্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

নীলফামারী সংবাদদাতা
আনসার সদস্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নীলফামারীতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৩২৭ জন সদস্যের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। উপহারের প্রতি প্যাকেটে ছিল পোলার চাল, প্যাকেট সেমাই, গুঁড়ো দুধ, সুজি, নুডুলস, সয়াবিন তেল ও চিনি। 

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় চত্বরে সদস্যদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের সার্কেল অ্যাডজুট্যান্ট মো. কামরুল হাসান।

এ সময় সদর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন নাহার, উপজেলা প্রশিক্ষিকা মুমতাহেনা মোস্তারীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের সার্কেল অ্যাডজুট্যান্ট মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদবীর ভাতাভোগী লিডার ও কমান্ডারদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাহিনীর তৃণমূল পর্যায়ে ঈদের আনন্দ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এজন্য তিনি মহাপরিচালকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।’

ছাত্রীর বাড়িতে মিলল শিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ, নেপথ্যে কী?

অনলাইন ডেস্ক
ছাত্রীর বাড়িতে মিলল শিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ, নেপথ্যে কী?

রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রীর বাসা থেকে মরিয়ম বেগম (৫০) নামে এক গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পৌর এলাকার নামোশংকরবাটি চৌকাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক দম্পতি ও এক স্বর্ণকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

নিহত শংকরবাটি উজ্জ্বলপাড়ার আবুল কালামের স্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বাসায় গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের প্রাইভেট পড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি।

নিহতের পরিবারের দাবি, মরিয়ম বেগমের শরীরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার লুটের উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৮ মে) সকালে মরিয়ম রুবেল নামে এক ব্যক্তির মেয়েকে পড়ানোর উদ্দেশ্যে তাদের বাসার উদ্দেশ্যে যান। তবে সারা দিন পরেও তিনি আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে তারা সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে কল পায় পুলিশ। পরে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রুবেলের বাড়ি থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই বাড়ির মালিক রুবেলের স্ত্রী সুমি ওরফে ফমির বিরুদ্ধে পূর্বেও চেতনানাশক মিশিয়ে মানুষকে অজ্ঞান করে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। একটি ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসাও হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। তদন্তের অংশ হিসেবে এক স্বর্ণকারের কাছ থেকে নিহতের কানের দুল উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় বাড়ির মালিক রুবেল, তার স্ত্রী সুমি ওরফে ফমি এবং স্বর্ণকার দীপককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটির রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত চলছে।

খুলনায় অফিসে ঢুকে ঠিকাদারকে গুলি

খুলনা অফিস
খুলনায় অফিসে ঢুকে ঠিকাদারকে গুলি
জেলার মানচিত্র

খুলনা খাদ্য পরিবহন সংরক্ষণ ঠিকাদার সমিতির সহ-সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদকে (৬২) সমিতি অফিসে ঢুকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে।

আরো পড়ুন
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে খরচ কত?

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে খরচ কত?

 

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর দেড়টার দিকে মহানগরীর জাতিসংঘ পার্কের পাশে আলহেরা জামে মসজিদের দোতলায় ঠিকাদার সমিতির অফিসে এ ঘটনা ঘটে। আহত হারুনুর রশিদ মহানগরীর খালিশপুর থানার নয়াবাটি এলাকার মৃত শেখ আব্দুর রউফের ছেলে।

আরো পড়ুন
দক্ষিণ লেবাননে বাড়ছে বিমান হামলা, এলাকা জনশূন্য হওয়ার আশঙ্কা

দক্ষিণ লেবাননে বাড়ছে বিমান হামলা, এলাকা জনশূন্য হওয়ার আশঙ্কা

 

খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নিজেদের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষ হারুনুর রশিদকে গুলি করে প্রতিপক্ষের লোকজন। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।

আরো পড়ুন
চুয়াংজি কনস্ট্রাকশন ও এক্সস্পিড গ্লোবালের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি

চুয়াংজি কনস্ট্রাকশন ও এক্সস্পিড গ্লোবালের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি

 

এ বিষয়ে খুলনা খাদ্য পরিবহন সংরক্ষণ ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক খান মোহাম্মদ রেজাউল আলম বলেন, ‘মব করে আমাদের জায়গাটি দখল করে প্রতিপক্ষ। আমরা খুলনায় ও হাইকোর্টে মামলা করি। মামলায় আমাদের পক্ষে রায় হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আমাদের আসন গ্রহণ করি। তারা কোন কোর্ট মানে না। স্বপন এসে বলে আসো গোলাগুলি করি। ওরা এসে আমাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। আমার ছেলে বাঁধা দেওয়ায় ওই গুলি সরে গিয়ে হারুনুর রশিদের পায়ে লাগে। শর্টগান দিয়ে গুলি করেছে। মানিকতলা ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী স্বপন, নিরালার ওয়েজুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গার সরদার তকিবুল ইসলাম, হাফিজ, এরশাদসহ আরও লোক ছিল। যাদের মামলার এজাহারে বলবো।’

বাস-সিএনজি ও ফুট ওভারব্রিজে অগ্নিসংযোগ, তিন মামলায় আসামি ৫৭ | কালের কণ্ঠ