• ই-পেপার

মুজিব যেখানে ব্যর্থ, জিয়া সেখানে সফল : সরওয়ার আলমগীর

ফরিদপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ফরিদপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক বৃদ্ধের (৭০) মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ৪টার দিকে ঢাকা-খুলনা রেলপথের ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুকুরিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঘটনাস্থল অতিক্রম করার সময় অজ্ঞাতপরিচয় ওই ব্যক্তি ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা রেলওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করে।

ভাঙ্গা রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাপুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মরদেহটি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পাবনায় আমবাগানে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনায় আমবাগানে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ
সংগৃহীত ছবি

পাবনার বেড়া উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর রহিম খান (৬৫) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার আমিনপুর থানার দারিয়াপুর গ্রামের একটি আমবাগান থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রহিম খান উপজেলার টাংবাড়ী গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় লেবু বিক্রেতা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকালে স্থানীয় আম ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের বাগানে শ্রমিকরা আম পাড়তে গিয়ে একটি ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি আমিনপুর থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

আমিনপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি আরো জানান, রহিম খানের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটির রহস্য উদঘাটন এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার সকালে রহিম খান বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। এর পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

রাতে মুক্তিপণ দাবি, সকালে মিলল ৮ বছরের শিশু সেঁজুতির লাশ

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
রাতে মুক্তিপণ দাবি, সকালে মিলল ৮ বছরের শিশু সেঁজুতির লাশ
সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর সেঁজুতি (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে অপহরণের পর তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সখীপুর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত সেঁজুতি সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুন বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় শনিবার রাতেই শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরিবারের একাধিক সদস্যের দাবি, রবিবার রাতে তাদের কাছে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোনকল আসে। ফোনে সেঁজুতিকে জীবিত ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মৃত সেঁজুতির মা শোভা চন্দ্র বলেন, ‘আমার অনেক শত্রু আছে। মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে আমার ছোট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে সোমবার সকালে পুলিশ উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরো বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিসহ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

মসজিদে নামাজরত যুবককে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
মসজিদে নামাজরত যুবককে কুপিয়ে হত্যা
সংগৃহীত ছবি

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মসজিদে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। রবিবার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার কাজিরহাট থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

হত্যাকাণ্ডের শিকার মো. নজরুল সরদার (৪৫)। তিনি আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদারের ছেলে। অভিযুক্ত বড় ভাই হারুন সরদার। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন সরদারের বড় ছেলে হারুন সরদার ও চতুর্থ ছেলে মজিবুর সরদারের মধ্যে জমিজমার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তৃতীয় ভাই সৌদিপ্রবাসী মো. নজরুল সরদার তার চতুর্থ ভাই মজিবুর সরদারের পক্ষে কথা বলায় ক্ষিপ্ত হনবড় ভাই হারুন সরদার। জোহরের নামাজ পড়া অবস্থায় মো. নজরুল সরদারকে এলোপাতাড়ি পেটে ও শরীরে কুপিয়ে জখম করেন হারুন। ভুক্তভোগীর ডাকচিৎকার শুনে আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কাজিরহাট থানা পুলিশের ওসি মো. সিদ্দিকুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ভাইদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এক ভাই ওপর ভাইয়ের পক্ষে কথা বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নজরুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

মুজিব যেখানে ব্যর্থ, জিয়া সেখানে সফল : সরওয়ার আলমগীর | কালের কণ্ঠ