চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে রাতের আঁধারে এক নারীকে নৌপথে নৌকাযোগে বিএসএফ-এর পুশইনের চেষ্টা গ্রামবাসীর সহযোগিতায় প্রতিহত করেছে বিজিবি।
সোমবার রাতে বেসামরিক মাঝিদের সহায়তায় এ চেষ্টা করে বিএসএফ বলে জানিয়েছে বিজিবি। ওই নারী সীমান্তের শূন্যরেখা বরাবর ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান নেয়। গত ১২ দিনের মধ্যে গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইনের বিএসএফ’র এটি তৃতীয় চেষ্টা। বিজিবির ওই নারীকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিরোধের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিজিবি জানায়, গত সোমবার রাত পৌনে ১১টার দিকে রোকনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ২২৫/৩ আর এর নিকট দিয়ে ৮৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আর কে ওয়াদা ক্যাম্পের সদস্যরা ওই নারীকে বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বিজিবির তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের ফলে বিএসএফ’র সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
সোমবার মধ্যরাতে দায়িত্বশীল নওগাঁ ব্যাটালিয়নের(১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, বিজিবি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সীমান্তে সার্বক্ষনিক নজরদারি ও টহল অব্যহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এ ব্যাপারে আর কোন নতুন তথ্য জানা যায়নি।
প্রসঙ্গত, মাত্র দুদিন পূর্বে গত ১৩ জানুয়ারী গভীর রাতেও একই সীমান্তে দিয়ে শিশু,নারীসহ ১৫ জনকে একই নদীপথে নৌকাযোগে পুশইনের বিজিবির চেষ্টা সীমান্তবাসীর সহায়তায় ব্যর্থ হলে ২ ঘণ্টার মাথায় তাদের ভারতে ফিরিয়ে নেয় বিএসএফ। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি গোমস্তাপুরের বাঙ্গাবাড়ী সীমান্ত দিয়ে শিশু, নারীসহ ২৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় বিএসএফ। টানা দুদিন সীমান্তে অবস্থানের পর গত ৬ জুন ওই ২৮ জনকে সীমান্ত থেকে ভারতে সরিয়ে নেয় বিজিবি। এর আগে গত ৬ এপ্রিল রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে ২ নারীকে পুশইন করে বিএসএফ। গোমস্তাপুর সীমান্ত থেকে মালদহ নিকটে হওয়ায় এই সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ বারবার পুশইনের চেষ্টা করে বলে জানিয়েছেন লে.কর্নেল মাসুম।







