• ই-পেপার

পান্নার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করল ভারত

৯ লাখ টাকায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বানানোর অভিযোগ!

দেবীদ্বারের ইউপি চেয়ারম্যান-সচিবের বিরুদ্ধে জন্ম সনদ জালিয়াতির বিস্ফোরক অভিযোগ

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
৯ লাখ টাকায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বানানোর অভিযোগ!

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে টাকার বিনিময়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের অবৈধভাবে বাংলাদেশের জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ব‍্যাপারে ৬নং ফতেহাদ ইউপি’র ১নং ওয়ার্ড সদস‍্য মো. নুরুল ইসলাম নুরু মেম্বার জানান, সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদ ও মুবিনা খাতুন তার ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা। ওরা এখনো এলাকায়ই অবস্থান করছেন। 

ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মো. সালাহ উদ্দিন রুহুল এবং ইউপি সচিব মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে রেজিস্ট্রার জেনারেল (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন) কার্যালয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

গত ৭ জুলাই ২০২৬ স্থানীয় বাসিন্দা শফিউল আলম অভিযোগটি দায়ের করেন। একই সঙ্গে অভিযোগের অনুলিপি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং কুমিল্লার জেলা প্রশাসকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন রুহুল ও ইউপি সচিব মো. নজরুল ইসলাম যোগসাজশ করে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা গোষ্ঠীর তিনজনকে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান করেছেন। এর বিনিময়ে প্রতিটি নিবন্ধনের জন্য ৩ লাখ টাকা করে মোট ৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন— সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদ, বাবা রফিকুল ইসলাম, মা নুরজাহান। তার জন্ম তারিখ ১৪ মার্চ ১৯৯৮। জন্ম নিবন্ধনের রেজিস্ট্রেশন তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০২৫ এবং সনদ ইস্যুর তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০২৫।

দ্বিতীয় ব্যক্তি মুবিনা খাতুন, তার বাবা মোহাম্মদ কাশেম, মা নুরজাহান। জন্ম তারিখ ১০ ডিসেম্বর ১৯৭৮। জন্ম নিবন্ধনের রেজিস্ট্রেশন তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০২৫ এবং সনদ ইস্যুর তারিখ ৭ জুলাই ২০২৫।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদ ও মুবিনা খাতুনের মায়ের নাম একই অর্থাৎ নুরজাহান হলেও তাদের বাবার নাম ভিন্ন। একই দিনে তাদের জন্ম নিবন্ধনের রেজিস্ট্রেশন করা হলেও তথ্যের এই অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী।

তৃতীয় ব্যক্তি হাফিছা। তার বাবা ফোরকান আহমদ, মা পাখিজা আক্তার। জন্ম তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০০৫। জন্ম নিবন্ধনের রেজিস্ট্রেশন তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০২৫। তবে সনদ ইস্যুর তারিখে ১ জানুয়ারি ০০০১ উল্লেখ রয়েছে।

অভিযোগকারী দাবি করেছেন, এই তিনজনের কেউই ফতেহাবাদ ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা নন। তাদেরকে অবৈধভাবে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে জন্ম নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে তিনটি জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সরকারের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন যাচাইকরণ (Birth and Death Verification) ওয়েবসাইটে পরীক্ষা করা হলে দেখা যায়, মুবিনা খাতুন ও সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদের জন্মস্থান কক্সবাজার দেখাচ্ছে। তবে হাফিছার জন্মস্থান কুমিল্লা প্রদর্শিত হচ্ছে।

লিখিত অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধনের সরকারি সার্ভারের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড শুধুমাত্র চেয়ারম্যান ও সচিবের নিয়ন্ত্রণে থাকে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা অবৈধভাবে জন্ম নিবন্ধন প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে দাবি করা হয়েছে, সুষ্ঠু তদন্ত হলে এ ধরনের আরো বহু ভুয়া জন্ম নিবন্ধনের তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

এ বিষয়ে ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন রুহুল বলেন, তিনি ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করলেও জন্ম নিবন্ধনের ইউজার এক্সেস পান ১৬ জানুয়ারি ২০২৫ সালে। তার দাবি, অভিযোগে উল্লেখিত জন্ম সনদগুলো তার সময়ে তৈরি হয়নি। অভিযোগ দায়েরের আগে এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না। করা বা কিভাবে এ জন্ম নিবন্ধন করা হলো তাও তিনি বলতে পারেন না। তবে জন্ম সনদের ইস্যুর তারিখ অনুযায়ী ঘটনাগুলো তার দায়িত্বকালেই হয়েছে বলে অভিযোগকারী দাবি করেছেন।

অভিযোগকারী শফিউল আলম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সব অবৈধ জন্ম নিবন্ধন বাতিল করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

নিরাপত্তাজনিত কারণে নিজের নাম-ঠিকানা গোপন রাখার জন্যও প্রশাসনের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন অভিযোগকারী।

চার বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে অটোরিকশা চালক আটক

নোয়াখালী প্রতিনিধি
চার বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে অটোরিকশা চালক আটক

নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আবু বকর সিদ্দিক ওরফে সুমন (৪৩) নামে এক অটোরিকশা চালককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার চাটখিল পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত সুমন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের লক্ষ্মীধরপাড়ার কংসি বাড়ির আবুল কালামের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক।

স্থানীয় অধিবাসীরা জানায়, রবিবার চাটখিল পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে চার বছর বয়সী এক শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে অটোচালক সুমনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি পাশের একটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে ফুটেজ দেখে স্থানীয়রা অভিযুক্তের পরিচয় নিশ্চিত করেন। 

সোমবার দুপুরে অটোরিকশা চালক সুমন ওই এলাকায় আবার গেলে স্থানীয়রা তাকে চিনে ফেলেন। পরে তাকে ঘিরে ধরে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে চাটখিল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

জানতে চাইলে চাটখিল থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ জানান, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার সকালে সুমনকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে।

তিস্তার পানি বাড়লেও আপাতত বন্যার শঙ্কা নেই

নীলফামারী সংবাদদাতা
তিস্তার পানি বাড়লেও আপাতত বন্যার শঙ্কা নেই
সংগৃহীত ছবি

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে রাতে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে শুরু করেছে। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় নীলফামারীর ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ০৮ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টা ও ৯টায় পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক ১০ সেন্টিমিটার। পরে দুপুর ১২টা, বিকেল ৩টা এবং সন্ধ্যা ৬টায় তা কমে ৫২ দশমিক ০৮ সেন্টিমিটারে নেমে আসে। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার নির্ধারিত।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, রবিবার রাত থেকে পানি বাড়লেও সোমবার সকাল থেকে ধীরে ধীরে তা কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ৭ থেকে ৮ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি বাড়ার আশঙ্কা নেই।

তিনি আরো বলেন, পুরো বর্ষা মৌসুমে তিস্তার পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়। ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি ব্যারাজের উজান অংশে সাধারণত ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা অবস্থান করে। তাই অস্বাভাবিক বা তীব্র ঢল না হলে নীলফামারী অংশে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা কম। তবে ব্যারাজের ভাটির নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

হত্যার পর আলমারির ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখা হয় হাত-পা বাঁধা লাশ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
হত্যার পর আলমারির ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখা হয় হাত-পা বাঁধা লাশ
সংগৃহীত ছবি

ঝালমুড়ি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে তার কানের সোনার দুল ছিঁড়ে নিয়ে হাত ও পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে তার লাশ আলমারির ড্রয়ারের মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই হত্যাকারী ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে ইট দিয়ে থেঁতলে হত্যার পর তার বাড়িঘর ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করেছে। 

সোমবার (২০ জুলাই) রাত  ৯টার দিকে পুলিশ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রাম থেকে ওই ছাত্রী ও ঝালমুড়ি বিক্রেতার লাশ উদ্ধার করেছে।

নিহত স্কুলছাত্রীর নাম ফারজানা ইয়াসমিন (৯)। সে কালীগঞ্জ উপজেলার কাশিবাটি গ্রামের কৃষক ও ভ্যানচালক এনামুল হকের মেয়ে ও ৪১নং কাশীবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। নিহত ঝালমুড়ি বিক্রেতার নাম সুরাইয়া আক্তার। সে একই গ্রাম কাশিবাটির আমিরুল ইসলামের স্ত্রী ও লুৎফর রহমানের মেয়ে।

নলতা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ এমাদুল ইসলাম ও ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল কাদের খোকন জানান, কাশিবাটি গ্রামের আমিরুল ইসলামের স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার প্রতিদিন কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রি করে। সোমবার সকালে ফারজানা ইয়াসমিনকে আগে স্কুলে আসতে বলে সুরাইয়া আক্তার। সে অনুযায়ী ফারজানা সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্কুলে এলে সুরাইয়া তাকে ডেকে নিয়ে ঝালমুড়ি খাওয়ানোর জন্য বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে তার হাত ও পা বেঁধে কানে থাকা সোনার কানের দুল ছিঁড়ে নিয়ে শ্বাসরোধ করে  হত্যা করে লাশ আলমারির ড্রয়ারে রেখে দেয়। দুপুরে ফারজানা বাড়িতে না যাওয়ায় তার বাবা ও স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকে।

একপর্যায়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফারজানার গলা কাটা লাশ ঝালমুড়ি বিক্রেতা সুরাইয়া আক্তারের বাড়ির আলমারির ড্রয়ার থেকে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সুরাইয়াকে আটক করে ইট দিয়ে থেঁতলে হত্যা করে। এসময় তার বাড়িঘর ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। গ্রামবাসী এতই ক্ষুব্ধ ছিল যে, পুলিশ সোমবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত  ফারজানা ও সুরাইয়া আক্তারের লাশ উদ্ধার করতে পারেনি। রাত ৯টার পর অতিরিক্ত পুলিশ এসে ফারাজানা ও সুরাইয়ার লাশ উদ্ধার করে।

নিহত ফারজানার খালা মরিয়ম বেগম জানান, তার বোনঝিকে (বোনের মেয়ে) সোনার দুলের জন্য হত্যা করেছে সুরাইয়া।

কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার পুতুল বলেন, ফারজানাকে  সোমবার সকাল ৮টা ৩১ মিনিটে স্কুল থেকে সুরাইয়া ডেকে নিয়ে যায়। যাহা স্কুলের সিসি ক্যামেরা দেখে নিশ্চিত হওয়ার পর বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পুলিশকে অবহিত করা হয়।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ৮টায় ফারজানাকে স্কুল থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে বিকেলে তিনিসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। স্কুলছাত্রী ফারজানার হাত ও পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ ঝালমুড়ি বিক্রেতা সুরাইয়ার ঘরের আলমারির ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখে। তবে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সুরাইয়াকে ইট দিয়ে থেঁতলে মেরে ফেলে ও তার ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ফারজানা ও সুরাইয়ার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। 

পান্নার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করল ভারত | কালের কণ্ঠ