• ই-পেপার

টাঙ্গাইল

নদীগুলোর পানি কমছে, বাড়ছে দুর্ভোগ

  • দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট ও পানিবাহিত রোগ

৫ শর্তে স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা দেবেন প্রধানমন্ত্রী : নাসিক প্রশাসক

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
৫ শর্তে স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা দেবেন প্রধানমন্ত্রী : নাসিক প্রশাসক
সংগৃহীত ছবি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির জনপ্রতিনিধি ও প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে ৫টি নির্দিষ্ট শর্তকে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। 

শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকায় মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাসিক প্রশাসক বলেন, স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে জনপ্রতিনিধি বা প্রার্থী নির্বাচনে ১৫ বছর মাঠে-রাজপথে থেকে বিএনপির রাজনীতি করেছেন, জেল-জুলুম, নির্যাতন ও মামলা-মোকদ্দমার শিকার হয়েছেন, নেতা-কর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন, স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে মাদক বা চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ কিংবা মামলা নেই– এই পাঁচটি শর্তের ভিত্তিতেই প্রার্থিতা দেবেন।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর হঠাৎ করে বড় বিএনপি নেতা বনে যাওয়া ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করা হবে না। এ বিষয়ে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন।

সুবিধাবাদীদের ব্যাপারে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনো সুবিধাবাদীকে সুযোগ দেওয়া যাবে না এবং তাদের ভোটও দেওয়া যাবে না। আগামী স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে বিএনপির এমন প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে হবে, যিনি এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে জেলার নেতা ও মন্ত্রীদের কাছে জোরালোভাবে দাবি উত্থাপন করতে পারবেন এবং নিজ এলাকার জন্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন।

দলীয় শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে, তাদের পরিণতি সবাই দেখেছে। আজ তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নেই। দলের বাইরে থেকে দলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে— এমন ব্যক্তিদের আর মূল্যায়ন করা হবে না।

মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, আলহাজ শাহীন হোসেন সরকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সমাজসেবক, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
 

রংপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯

রংপুর মহানগর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নির্মূল, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার আসামি, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, পরোয়ানাভুক্তসহ বিভিন্ন মামলার আসামিসহ ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ (আরএমপি)। এ সময় অভিযানে ইয়াবাও উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, মাদক ও অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং জননিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে মহানগর পুলিশের সব ইউনিটের সমন্বয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে হত্যা মামলার আসামি, মাদকসেবী, মাদক মামলার আসামি ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে নগরীর ইসলামবাগ এলাকার ফজলু মিয়ার ছেলে আসিফ মিয়া(২৪), গণেশপুর ক্লাবমোড় এলাকার মোন্নাফ(২৮), বনানীপাড়া এলাকার লিটন মিয়া (২৭) এবং লালবাগ কেডিসি এলাকার স্বপন মিয়া (৫৮) গ্রেপ্তার হন।

এছাড়া কোতোয়ালি থানা পুলিশের অভিযানে মিজানুর রহমান মনু (৩৬), দেলোয়ার হোসেন হাসান (৫৫),পরশুরাম থানা পুলিশের অভিযানে ছাদেক মিয়া (৪৫), মোখছেদুর রহমান (৭০), শাহিনুজ্জামান সাজু (৪৪), শামীম মিয়া, লিটন মিয়া (৩৪) ও মোন্নাফকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়।

হারাগাছ থানা পুলিশের অভিযানে সাইফুল ইসলাম (৩০), হিমেল (২৮), মো. আব্দুস সাত্তার মিয়া এবং মো. রবিউল ইসলাম আটক হন।

মাহিগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে শামীম আরফান বাপ্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে তাজহাট থানা পুলিশের অভিযানে লিটন মিয়া (৩৬) ও রনি মিয়া (২০) গ্রেপ্তার হন।

পুলিশ সূত্রে আরো জানা গেছে, মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধপ্রবণতা রোধ, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে মাদক ও অপরাধবিরোধী কার্যক্রম আরো জোরদার করায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, মহানগর এলাকায় অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার সব আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা কিংবা নন-এফআইআর প্রসিকিউশন গ্রহণপূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও মহানগর পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স।

পুলিশের এ অভিযানকে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

যশোরে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৩ কেজির বেশি সোনাসহ আটক দুই

নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৩ কেজির বেশি সোনাসহ আটক দুই

যশোর-নড়াইল মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ৩ কেজি ৬৪২ গ্রাম ওজনের ৩১টি সোনার বারসহ ২ জন চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার রাত ২ টার দিকে বিজিবির যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর একটি বিশেষ চৌকস টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর-নড়াইল মহাসড়কে অভিযান চালায়। এ সময় যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর ১নং গেটের সামনে পাকা রাস্তার ওপরে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করে ৩১টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। অভিযানে দুইজন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়।

অভিযানে আটকদের কাছ থেকে ৩ কেজি ৬৪১ গ্রাম ওজনের ৩১টি সোনার বার, ১টি প্রাইভেটকার, ৩টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৪ হাজার ৮১৫ টাকা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সোনার আনুমানিক মূল্য ৭ কোটি ১৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯০ টাকা। এছাড়াও জব্দকৃত প্রাইভেট কারের মূল্য ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৩টি মোবাইল ফোনের দাম ৩৬ হাজার টাকা এবং নগদ ৪ হাজার ৮১৫ টাকা। সর্বমোট জব্দকৃত মালামালের সিজার মূল্য ৭ কোটি ৬৮ লাখ ৫৫ হাজার ৮০৫ টাকা।

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলার মাধ্যমে যশোর কোতয়ালী থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম এবং জব্দকৃত সোনা সরকারি ট্রেজারিতে জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান।

এ ব্যাপারে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, সীমান্ত এলাকায় সোনাসহ সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। চোরাচালানের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে বিজিবির নিয়মিত অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরো জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।

আশুলিয়ায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত পলাতক

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
আশুলিয়ায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত পলাতক
ছবি : কালের কণ্ঠ

সাভারের আশুলিয়ায় ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বিদেশ সরকার (৫৫) পলাতক রয়েছেন। গত বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের লালারটেক এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। 

‎শনিবার সকালে আশুলিয়া থানার এসআই এইচএম ইমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

‎ভুক্তভোগী শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী। অন্যদিকে ‎অভিযুক্ত বিদেশ সরকার লালারটেক এলাকার মৃত বাবু লাল সরকারের ছেলে৷ তিনি তামা-কাঁশার দোকানে কাজ করেন। পাশাপাশি বাংলা মদ বানিয়ে বিক্রি করেন বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। 

‎ভুক্তভোগী শিশুর বাবা জানান, বুধবার দুপুর দুইটা-আড়াইটার দিকে বাচ্চাদের সঙ্গে খেলাধুলা করার সময় কৌশলে বিদেশ সরকার স্থানীয় রনজিৎ সরকারের বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে যান এবং সেখানে জোরপূর্বক শিশুটিকে ধর্ষণ করে। 

‎পরের দিন দুপুরে শিশুর বাবা বিষয়টি জানতে পেরে এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ বিষয়টি শনিবার (২১ জুন) বসে মীমাংসা করে দেবেন বলে আশ্বাস দেয় স্থানীয় মাতব্বররা। ‎কিন্তু শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এলাকার কিছু যুবক ওই ধর্ষককে পিটুনি দিলে সে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে রাতেই আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। 

‎আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এইচ এম ইমন জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

নদীগুলোর পানি কমছে, বাড়ছে দুর্ভোগ | কালের কণ্ঠ