• ই-পেপার

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলা, আহত ৩

বাবাকে হারানো সেই ইকনের পাশে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাবাকে হারানো সেই ইকনের পাশে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন
সংগৃহীত ছবি

বাবাকে হারানো এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইসমাইল ইকনের পাশে দাঁড়িয়েছে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ইসমাইল ইকনের হাতে নগদ অর্থ, চেক ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় তিনি সংগ্রাম করে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসমাইল ইকনের বিষয়ে জানতে পেরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে জেলা প্রশাসন সব সময় থাকবে। ইতোমধ্যে তাকে নগদ অর্থ, চেক ও খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে তার পড়ালেখা চালিয়ে যেতে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

এদিকে, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কাইসার কামাল, বাগেরহাটের লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনও ইসমাইল ইকন ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের দেওয়া আর্থিক ও মানবিক সহায়তা পরিবারটিকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস জুগিয়েছে।

এইচএসসি শিক্ষার্থী ইসমাইল ইকন বলেন, আমাকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে সহযোগিতা করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তিনি পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংকের চাকরিতে ছুটির ব্যবস্থা করে দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। 

প্রসঙ্গত, বাবার মৃত্যুর শোক বুকে নিয়েই ইকনের ব্যাংকের এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন এবং এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার সংগ্রামের গল্প দেশজুড়ে আলোচনায় আসে। সংবাদটি প্রকাশের পর সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও হৃদয়বান মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তাদের সহায়তায় ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন ইসমাইল ইকন ও তার পরিবার।

পটিয়া

চারদিকে বন্যার ক্ষত, ৬২ গ্রামীণ সড়ক বিধ্বস্ত

২৮ কোটি টাকার ক্ষতি  টেকসই সংস্কার দাবি

কাউছার আলম, পটিয়া (চট্টগ্রাম)
চারদিকে বন্যার ক্ষত, ৬২ গ্রামীণ সড়ক বিধ্বস্ত
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার একটি গ্রামীণ সড়ক। সম্প্রতি তোলা। ছবি: সংগৃহীত

বন্যার পানি নেমে গেছে। কিন্তু দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়ার গ্রামীণ জনপদে রেখে গেছে গভীর ক্ষত। কোথাও সড়কের অর্ধেক অংশ নদীগর্ভে বিলীন, কোথাও ধসে পড়েছে কালভার্ট। আবার কোথাও পিচ উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। 

সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় উপজেলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অধীন সড়ক নেটওয়ার্ক। 

এলজিইডির সবশেষ প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, উপজেলাজুড়ে ৬২টি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩১ কিলোমিটার। এ ছাড়া ৮টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ টাকার অংকে প্রায় ২৮ কোটি।

সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, যেসব সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত, সেসব সড়ক এখন দুর্ঘটনার ফাঁদে পরিণত হয়েছে। কোথাও ইট বিছিয়ে মানুষ চলাচল করছে, কোথাও বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা। বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থী, কৃষক, দিনমজুর, ব্যবসায়ী সবাই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

কুসুমপুরা ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. আবদুল করিম বলেন, ‘বন্যার সময় সড়ক ভেঙে যাওয়ার পর এখনো কোনো স্থায়ী সংস্কার হয়নি। অ্যাম্বুলেন্স দূরের কথা, সিএনজিও ঢুকতে পারে না। অসুস্থ মানুষকে কাঁধে করে নিতে হয়েছে।’ 

আশিয়া ইউনিয়নের গৃহবধূ রাশেদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে স্কুলে যায়। রাস্তার মাঝখানে বড় বড় গর্ত। প্রতিদিন ভয় নিয়ে ওকে স্কুলে পাঠাই।’

কচুয়াই ইউনিয়নের কৃষক আবদুল হামিদ বলেন, ‘আমাদের সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে পারছি না। রাস্তার কারণে পরিবহন ভাড়া বেড়েছে। এতে লাভের বদলে লোকসান গুণতে হচ্ছে।’

স্থানীয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় বাজারে পণ্য আনা-নেওয়া ব্যাহত হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি সাধারণ মানুষকেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার করা না হলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও স্থানীয় অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা দ্রুত বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে স্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু করার দাবি জানান।

এলজিইডি কর্মকর্তারা বলছেন, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতুর বিস্তারিত তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে সব ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের কারণে বাজারে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। পরিবহন খরচ বেড়েছে, সময়ও লাগছে দ্বিগুণ। এতে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে কৃষক।

স্থানীয় প্রকৌশলী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের ঘটনা বাড়ছে। অথচ অনেক গ্রামীণ সড়ক এখনো পুরনো নকশায় নির্মিত। ফলে প্রতিবছর একই ধরনের ক্ষয়ক্ষতির পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। তারা ভবিষ্যতের জন্য উঁচু বাঁধ, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং জলবায়ু-সহনশীল নকশায় সড়ক নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। 

পটিয়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) তন্ময় নাথ বলেন, ‘বন্যায় ৬২টি সড়ক ও ৮টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২৮ কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে।’ 

উপজেলা প্রকৌশলী আরো বলেন, ‘ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। যেসব স্থানে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন, সেখানে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বরাদ্দ পেলেই স্থায়ী সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।’

জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ, ২ সদস্যকে দিলেন চাকরি

উত্তরাঞ্চল রিপোর্টার, মাল্টিমিডিয়া
জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ, ২ সদস্যকে দিলেন চাকরি
ছবি: কালের কণ্ঠ

পঞ্চগড়-২ (বোদা-দেবীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ নিজের সরকারি বেতনের অর্থ থেকে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি দুই পরিবারের দুই সদস্যকে চাকরির ব্যবস্থা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

জানা গেছে, নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পাওয়া সরকারি বেতনের একটি অংশ জেলার ছয়টি জুলাই শহীদ পরিবারের মধ্যে চারটি পরিবারকে নিয়মিত প্রদান করে আসছেন। এসব পরিবারকে প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের পরিদর্শন কক্ষে অফিস সহায়ক নিয়োগের ক্ষেত্রে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এরই ধারাবাহিকতায় তার সুপারিশে বোদা ও দেবীগঞ্জ উপজেলার সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষে দুই জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যে বোদা উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষে অফিস সহায়ক হিসেবে সাকোয়া ইউনিয়নের জুলাই শহীদ সুমনের বোন যোগদান করেছেন। একইভাবে দেবীগঞ্জ উপজেলার পরিদর্শন কক্ষে অফিস সহায়ক হিসেবে মারেয়া ইউনিয়নের জুলাই শহীদ আবু সাইদের ছেলে মামুন ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শহীদ পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিমন্ত্রী দায়িত্বশীল ও মানবিক নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ শাহ বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের নির্দেশনা ও সুপারিশে জুলাই শহীদ আবু সাইদের ছেলে মামুন ইসলামকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’

বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সুপারিশে জুলাই শহীদ সুমনের বোনকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘আমরা যেমন ১৯৭১-এর চেতনাকে ধারণ করি, তেমনি ২০২৪-কেও ধারণ করি। সেই জায়গা থেকে শপথ নেওয়ার পর সরকারি সম্মানী (বেতন) থেকে জেলার ছয়টি জুলাই শহীদ পরিবারের মধ্যে চারটি পরিবারকে প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে সহায়তা দিচ্ছি। পাশাপাশি দুই পরিবারের দুই সদস্যকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অফিস সহায়ক পদে চাকরির ব্যবস্থা করেছি।’
 

ফরিদপুরে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুরে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
ছবি: কালের কণ্ঠ

ফরিদপুরের সালথায় ৯ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শওকত মিয়া (৩৮) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আবুল বাসার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি উপস্থিতি ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২২ মে বিকেলে সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ৯ বছরের ওই শিশুটি বাড়ির পাশে নিজেদের শাক-সবজির (ডাটা) ক্ষেত দেখতে গিয়েছিল। এসময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা প্রতিবেশী শওকত শিশুটিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে পাশের একটি নির্জন পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটিকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের 'ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার' (ওসিএসি)-এ ভর্তি করায়। ঘটনার পরেরদিন শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সালথা থানায় শওকতকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর সালথা থানা পুলিশ আসামি শওকত মিয়াকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় সাক্ষী গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে দীর্ঘ ৬ বছর পর আদালত আজ বৃহস্পতিবার এ রায় প্রদান করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট অর্চনা দাস বলেন, ‘একটি অবুঝ শিশুকে নির্যাতন করে যে নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, আজকের এই রায়ের মাধ্যমে তার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই শাস্তি সমাজে অপরাধীদের মনে ভীতি সঞ্চার করবে এবং শিশু সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট।’

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলা, আহত ৩ | কালের কণ্ঠ