• ই-পেপার

স্বামীকে পশু করে তুলল তালাকনামা!

অর্থের অভাবে হচ্ছে না চিকিৎসা

বাঁচতে চান ক্যান্সারে আক্রান্ত রাসেল, সহায়তার আবেদন

অনলাইন ডেস্ক
বাঁচতে চান ক্যান্সারে আক্রান্ত রাসেল, সহায়তার আবেদন
সংগৃহীত ছবি

মো.রাসেল আকন। কিছুদিন আগে তার ব্লাড ক্যান্সারে ধরা পড়েছে। চিকিৎসকরা বলেছেন, দ্রুত চিকিৎসা করা গেলে রাসেল বেঁচে যেতে পারেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে চিকিৎসা করা যাচ্ছে না। 

বেচেঁ থাকার লড়াইয়ে রাসেল ও তার পরিবার সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, দানশীল প্রতিষ্ঠান এবং মানবিক হৃদয়ের মানুষের কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

রাসেল বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঠালতলী গ্রামের মো. জলিল আকনের ছেলে।

রোগ: ব্লাড ক্যান্সার
চিকিৎসা: কেমোথেরাপি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য চিকিৎসা।
প্রয়োজনীয় আনুমানিক ব্যয়: প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা (চিকিংসার ধাপ ও সময় অনুয়ায়ী পরিবর্তিত হতে পারে)।

সাহায্য পাঠাতে পারেন: 
বিকাশ : ০১৯৪৫৩৯১৩৭৮ (পার্সোনাল)
ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট: মো. রাসেল আকন, ১১০১৫১০১০৮৭৩৫, ধানমন্ডি শাখা।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলা : একজনের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলা : একজনের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৯
ছবি: কালের কণ্ঠ

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বর্তমান প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর এবং জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ ৯ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন, হাফিজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফ। তার বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুরে। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টার মামলা ছাড়াও আজিজ বিভিন্ন বোমা হামলা ও জঙ্গি হামলা মামলার আসামি। এসব মামলায় তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে জেল খাটছেন। আরিফ সুরঞ্জিত সেন হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মামলার রায়ে আজিজ নাঈম নামের একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও বাকিদের খালাস দেওয়া হয়েছে।’

আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘মামলায় মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজনের আগেই অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। বাকি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। শুধু আসামি হাফিজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফ ওরফে নিমুর বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। পরে আদালত ৩০২ ধারায় তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন।’

মামলার নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরে গত ৭ এপ্রিল ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের বক্তব্য নেওয়া হয়। ওই সময় তারা আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজিজ নাঈমের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ বলেন, ‘আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। সে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব।’

রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বর থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় আসামি আজিজ নাঈমকেও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তবে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন খালাস পাওয়া বিএনপির তিন নেতা।

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘রাজনৈতিক হয়রানির জন্য গত ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের এ মামলায় আসামি করে। মামলার এজাহারে আমাদের নাম ছিল না। পরে সম্পূরক চার্জশিটে নাম ঢুকানো হয়। আজকের রায়ে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যে সাক্ষী না দেওয়ায় আমাকে একের পর এক মামলায় ফাঁসানো হয়। আমি দীর্ঘদিন কারাবন্দি ছিলাম।। যারা আমাকে হয়রানি ও নির্যাতন করেছে তারা পালিয়েছে। আমরা খালাস পেয়েছি।’

হুইপ জিকে গৌছ বলেন, ‘এই মামলায় আমাকে দেশের বিভিন্ন কারাগারে দীর্ঘদিন বন্দি থাকতে হয়। আজকে রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।’

এর আগে সকালে জামিনে থাকা প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বর্তমান সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ এবং সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর আদালতে হাজির হন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। হামলায় স্থানীয় যুবলীগের এক কর্মী নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন আহত হন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তও ওই হামলায় আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান।

ঘটনার পর দিরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

আদালত সূত্র জানা যায়, মামলার বিচারকালে ১২৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই দশক ধরে চলা বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

নৌ-পুলিশের অভিযানে ১৪ লাখ মিটার অবৈধ জাল জব্দ, গ্রেপ্তার ১৮৮

নিজস্ব প্রতিবেদক
নৌ-পুলিশের অভিযানে ১৪ লাখ মিটার অবৈধ জাল জব্দ, গ্রেপ্তার ১৮৮
সংগৃহীত ছবি

দেশের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত সাত দিনে (১৯ জুন-২৫ জুন) দেশব্যাপী পরিচালিত নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে ১৪ লাখ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সাত দিনের অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ির রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া এবং ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় অপসারণ ও ধ্বংস করা হয়েছে।

অভিযানের সময় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে প্রসিকিউশন দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশ জানায়, এসব অভিযানে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি, ৩টি বালুমহাল, ৩টি মাদক, ৩টি চাঁদাবাজি, ২টি ডাকাতি, ১টি চুরি এবং ৪টি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিজ্ঞপিতে বলা হয়, জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাছের রেণুপোনা পানিতে অবমুক্ত করা হয়েছে এবং জব্দকৃত অন্যান্য মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

নৌ পুলিশ জানিয়েছে, দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং নৌপথে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রামুতে স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু, স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ স্বজনদের

রামু(কক্সবাজার) প্রতিনিধি
রামুতে স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু, স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ স্বজনদের
ছবি: কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে ছৈয়দ হোছন (৪৯) নামে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেও পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।

নিহত ছৈয়দ হোছন খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের টেংগাডেবা রাবেতা, কালারপাড়া এলাকার মোজাফফরের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোরে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম এবং তাদের দুই সন্তানকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

নিহতের ছোট ভাই এনামুল হক অভিযোগ করে বলেন, “আমার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরকীয়াজনিত কারণে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে আমরা সন্দেহ করছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”

নিহতের বড় ভাই আব্দুস ছালাম বলেন, “আমার ভাই দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। সে সময় তার স্ত্রীর সঙ্গে আমার ছোট বোনের স্বামী আকতার কামালের সম্পর্ক ছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ কারণে আমরা তাকে সন্দেহ করছি।”

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাহুল রায় বলেন, “ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে কিছু বলা সম্ভব নয়। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।”

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।”

স্বামীকে পশু করে তুলল তালাকনামা! | কালের কণ্ঠ