• ই-পেপার

মাথায় ঋণের চাপ, তাই নামাজ শেষে বাসের নিচে ঝাঁপ!

আর্জেন্টিনার পতাকা চুরি, সমর্থকের থানায় জিডি

জামালপুর প্রতিনিধি
আর্জেন্টিনার পতাকা চুরি, সমর্থকের থানায় জিডি
সংগৃহীত ছবি

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের টাঙানো একটি পতাকা চুরির ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এক সমর্থক। গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে জিডি করেন ভুক্তভোগীরা। শনিবার (২০ জুন) জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের।

জিডি সূত্রে জানা যায়, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে সানন্দবাড়ী মধ্যপাড়া গ্রামের ‘ভেরুসেল এক্সপ্রেস’ ক্লাবের সদস্যরা টাকা তুলে প্রায় ২০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট প্রস্থের একটি আর্জেন্টিনার পতাকা তৈরি করেন। পরে সেটি এলাকার নদীর পাশের একটি খুঁটির সঙ্গে টাঙানো হয়। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পতাকাটি চুরি হয়েছে বলে তারা জানতে পারেন। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও পতাকার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে থানায় অভিযোগ করেন।

ক্লাব সদস্য টুটুল শিকদার বলেন, ‘অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করে টাকা তুলে আমরা পতাকাটি তৈরি করেছিলাম। যারা এটি চুরি করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। পতাকা হারিয়ে ক্লাবের সদস্যরা গভীরভাবে ব্যথিত। অনেকেই নিজেদের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে এতে অবদান রেখেছিল।’

সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সাতক্ষীরায় বিএনপি অফিসের সামনে থেকে ককটেল উদ্ধার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় বিএনপি অফিসের সামনে থেকে ককটেল উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী বিএনপি অফিসের সামনে থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) সকালে ককটেল দুটি উদ্ধার করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হেমায়েত আলী বাবু বলেন, শনিবার সকালে দলীয় নেতাকর্মীরা অফিসে এসে আগুন দেওয়ার বিষয়টি দেখতে পান। পরে ঘটনাস্থলের আশপাশে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল পড়ে থাকতে দেখেন তারা। এরপর বিষয়টি তাৎক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে তারা সেগুলো উদ্ধার করে।

হেমায়েত আলী আরো বলেন, ধারণা করা হচ্ছে রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা দুদলী বিএনপি অফিসে আগুন দিয়েছে। এতে অফিসের ভেতর থাকা আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, শনিবার সকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে, বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

৫ শর্তে স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা দেবেন প্রধানমন্ত্রী : নাসিক প্রশাসক

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
৫ শর্তে স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা দেবেন প্রধানমন্ত্রী : নাসিক প্রশাসক
সংগৃহীত ছবি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির জনপ্রতিনিধি ও প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে ৫টি নির্দিষ্ট শর্তকে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। 

শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকায় মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাসিক প্রশাসক বলেন, স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে জনপ্রতিনিধি বা প্রার্থী নির্বাচনে ১৫ বছর মাঠে-রাজপথে থেকে বিএনপির রাজনীতি করেছেন, জেল-জুলুম, নির্যাতন ও মামলা-মোকদ্দমার শিকার হয়েছেন, নেতাকর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন, স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে মাদক বা চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ কিংবা মামলা নেই– এই পাঁচটি শর্তের ভিত্তিতেই প্রার্থিতা দেবেন।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর হঠাৎ করে বড় বিএনপি নেতা বনে যাওয়া ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করা হবে না। এ বিষয়ে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন।

সুবিধাবাদীদের ব্যাপারে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনো সুবিধাবাদীকে সুযোগ দেওয়া যাবে না এবং তাদের ভোটও দেওয়া যাবে না। আগামী স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে বিএনপির এমন প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে হবে, যিনি এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে জেলার নেতা ও মন্ত্রীদের কাছে জোরালোভাবে দাবি উত্থাপন করতে পারবেন এবং নিজ এলাকার জন্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন।

দলীয় শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে, তাদের পরিণতি সবাই দেখেছে। আজ তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নেই। দলের বাইরে থেকে দলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে— এমন ব্যক্তিদের আর মূল্যায়ন করা হবে না।

মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, আলহাজ শাহীন হোসেন সরকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সমাজসেবক, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
 

রংপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯

রংপুর মহানগর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নির্মূল, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার আসামি, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, পরোয়ানাভুক্তসহ বিভিন্ন মামলার আসামিসহ ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ (আরএমপি)। এ সময় অভিযানে ইয়াবাও উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, মাদক ও অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং জননিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে মহানগর পুলিশের সব ইউনিটের সমন্বয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে হত্যা মামলার আসামি, মাদকসেবী, মাদক মামলার আসামি ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে নগরীর ইসলামবাগ এলাকার ফজলু মিয়ার ছেলে আসিফ মিয়া(২৪), গণেশপুর ক্লাবমোড় এলাকার মোন্নাফ(২৮), বনানীপাড়া এলাকার লিটন মিয়া (২৭) এবং লালবাগ কেডিসি এলাকার স্বপন মিয়া (৫৮) গ্রেপ্তার হন।

এছাড়া কোতোয়ালি থানা পুলিশের অভিযানে মিজানুর রহমান মনু (৩৬), দেলোয়ার হোসেন হাসান (৫৫),পরশুরাম থানা পুলিশের অভিযানে ছাদেক মিয়া (৪৫), মোখছেদুর রহমান (৭০), শাহিনুজ্জামান সাজু (৪৪), শামীম মিয়া, লিটন মিয়া (৩৪) ও মোন্নাফকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়।

হারাগাছ থানা পুলিশের অভিযানে সাইফুল ইসলাম (৩০), হিমেল (২৮), মো. আব্দুস সাত্তার মিয়া এবং মো. রবিউল ইসলাম আটক হন।

মাহিগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে শামীম আরফান বাপ্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে তাজহাট থানা পুলিশের অভিযানে লিটন মিয়া (৩৬) ও রনি মিয়া (২০) গ্রেপ্তার হন।

পুলিশ সূত্রে আরো জানা গেছে, মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধপ্রবণতা রোধ, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে মাদক ও অপরাধবিরোধী কার্যক্রম আরো জোরদার করায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, মহানগর এলাকায় অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার সব আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা কিংবা নন-এফআইআর প্রসিকিউশন গ্রহণপূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও মহানগর পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স।

পুলিশের এ অভিযানকে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মাথায় ঋণের চাপ, তাই নামাজ শেষে বাসের নিচে ঝাঁপ! | কালের কণ্ঠ