• ই-পেপার

সময়মতো সরতে পারলেন না, ট্রেনে পা হারালেন কলা ব্যবসায়ী

মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে ভূমিকম্প

অনলাইন ডেস্ক
মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে ভূমিকম্প
ফাইল ছবি

মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) রাত ৯টা ৫৩ মিনিটে ওই ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।

সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানিয়েছেন, রাত ৯টা ৫৩ মিনিট ১৭ সেকেন্ডে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মায়ানমার-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা। এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। ঢাকার ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে এর দূরত্ব ছিল ৩৩৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে।

এ ভূমিকম্প শুধু চট্টগ্রাম অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। এতে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষতির খবর পায়নি অধিদপ্তর।

হালুয়াঘাটে ইয়াবা বিক্রি করতে এসে জনতার হাতে আটক স্বামী-স্ত্রী

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ
হালুয়াঘাটে ইয়াবা বিক্রি করতে এসে জনতার হাতে আটক স্বামী-স্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ১৪৮ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করছে জনতা। বরিবার (২৮ জুন) রাত ৮টার দিকে বাঘাইতলা বাজারে তাদের আটক করা হয়।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে আটককৃতদের কাছে থাকা ব্যাগ থেকে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১৪৮ পিছ ইয়াবা উদ্বার করে। পরে তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

আটকরা হলেন- উপজেলার জামগড়া গ্রামের মৃত ভজন শেখের ছেলে মো. বাবুল (৫৫) ও তার স্ত্রী একই গ্রামের মো. রশীদ খার মেয়ে জবেদা খাতুন (৫০)।

স্থানীয়রা জানায়, সন্ধ্যা থেকে তারা দুজন বাজারে এলোমেলোভাবে ঘোরাফেরা করছিল। স্থানীয়দের তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তাদের আটক করে ইউএনওকে ফোন করে। এরপর ইউএনও ফয়সাল আহমেদ ঘটনাস্থলে এসে তাদের কাছে থাকা ব্যাগ থেকে পলিথিনে বিশেষভাবে মোড়ানো অবস্থায় ১৪৮ পিস ইয়াবাসহ তাদেরকে থানায় নিয়ে আসে। স্থানীয়দের ধারণা তারা ইয়াবা বিক্রি করতে এখানে এসেছিল এবং কারো জন্য হয়তো অপেক্ষা করছিল।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কাছ থেকে ১৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করি।

হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলম বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কিনা সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আগামীকাল সোমবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

৬ বছরে ৬,৪০৪ ব্যাগ রক্ত সরবরাহ, ‘রক্তদানে আমরা কেন্দুয়া’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
৬ বছরে ৬,৪০৪ ব্যাগ রক্ত সরবরাহ, ‘রক্তদানে আমরা কেন্দুয়া’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
ছবি : কালের কণ্ঠ

‘জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে, রক্তদান করবো হেসে হেসে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘রক্তদানে আমরা কেন্দুয়া’-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর গত ছয় বছরে সংগঠনটি ৬ হাজার ৪০৪ ব্যাগ রক্ত রোগীদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে সংগঠনের অ্যাডমিন প্যানেলের উদ্যোগে এবং স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় কেন্দুয়া জয়হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন হাঙ্গরি টাইম রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের গত এক বছরের কার্যক্রম ও সার্বিক অর্জনের চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ২৮ জুন থেকে ২০২৬ সালের ২৮ জুন পর্যন্ত এক বছরে সংগঠনের মাধ্যমে ৬৯৭ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ ও রোগীদের সরবরাহ করা হয়েছে। একই সময়ে ৭৫০ জনের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়েছে।

সংগঠনটির তথ্যমতে, প্রতিষ্ঠার পর গত ছয় বছরে মোট ৬ হাজার ৪০৪ ব্যাগ রক্ত রোগীদের সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১১ ব্যাগ প্লাজমা ডোনেট করা হয়েছে এবং প্রায় ১৬ হাজার ৭৫০ জনের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ১৫ বারের বেশি রক্তদানকারী, গত এক বছরে সর্বোচ্চ ডোনার ম্যানেজকারী, সর্বোচ্চ সক্রিয় স্বেচ্ছাসেবী এবং সেরা মডারেটর ও অ্যাডমিনদের ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দুয়া সাবেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মুখলেছুর রহমান বাঙালী, পালা নাট্যকার ও সাংবাদিক রাখাল বিশ্বাস, মানবিককর্মী মামুনুল কবীর খান হলি এবং ‘রক্তদানে আমরা কেন্দুয়া’র অ্যাডমিন, মডারেটর ও অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী।

বক্তারা বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ মানবিক কাজ। সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়মিত রক্তদানে এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। মানবসেবামূলক এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে তারা সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথি ও স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণে কেক কেটে সংগঠনটির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ সময় করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।

আমতলীতে জনতার হাতে ডাকাত আটক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
আমতলীতে জনতার হাতে ডাকাত আটক
আটক মো. ফকির

বরগুনার আমতলীতে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় স্থানীয় জনতা ফকির (২৭) নামে এক সন্দেহভাজন ডাকাতকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। 

ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (২৮ জুন) ভোর রাত ৪টার দিকে উপজেলার মহিষকাটা বাজার এলাকায়।

পুলিশ জানায়, রবিবার ভোর রাতে ৭-৮ সদস্যের একটি দল মহিষকাটা বাজারের দক্ষিণ পাশে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি টার্গেট করে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ওই সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করে। একপর্যায়ে মো. ফকির নামে ডাকাত দলের এক সদস্যকে আটক করা হলেও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডাকাত ফকিরকে তাদের হেফাজতে আমতলী থানায় নিয়ে আসে। আটক ডাকাত মো. ফকিরের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার শম্বুকাঠি গ্রামে। তার বাবার নাম মো. রাসেল ফকির।

রবিবার সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদে আটক মো. ফকির ডাকাতির প্রস্তুতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং তার সঙ্গে থাকা সহযোগীদের সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে।

ওই ঘটনায় থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার ডাকাত ফকিরকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হুসাইন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে মো. ফকির ডাকাতির প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেছেন এবং তার সঙ্গে কারা কারা জড়িত ছিল সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তাকে আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে।

সময়মতো সরতে পারলেন না, ট্রেনে পা হারালেন কলা ব্যবসায়ী | কালের কণ্ঠ