• ই-পেপার

ভিজিডি তালিকায় ধনীদের নাম

জাতীয় পুরস্কার পেলেন চা শ্রমিক জেসমিন

মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
জাতীয় পুরস্কার পেলেন চা শ্রমিক জেসমিন
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় চা দিবস উপলক্ষে ‘শ্রেষ্ঠ চা পাতা চয়নকারী’ ক্যাটাগরিতে জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৬ অর্জন করেছেন ইস্পাহানি কম্পানির নেপচুন চা বাগানের স্থায়ী শ্রমিক জেসমিন আক্তার। ২০২৫ সালে তিনি মোট ২৫ হাজার ৬২১ কেজি চা পাতা চয়ন করে এ স্বীকৃতি অর্জন করেন।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে অতিথিদের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন জেসমিন আক্তার। তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নেপচুন চা বাগানের শ্রমিক।

এর আগে সকালে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, এনডিসি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, বাংলাদেশীয় চা সংসদের সভাপতি কামরান টি রহমান এবং টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি শাহ মঈনুদ্দিন হাসান।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল, বাংলাদেশ বটলিফ টি ফ্যাক্টরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নিয়াজ আলী চিশতী এবং চা শ্রমিক নেত্রী সনতকি রায়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে চা চাষের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বর্তমানে দেশের ১৬০টিরও বেশি চা বাগান এবং হাজার হাজার ক্ষুদ্র চা বাগান দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাংলাদেশের চা বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা দেশের জন্য গর্বের বিষয়।

মুজিবুর রহমান বলেন, চা শিল্পের অগ্রগতির পেছনে শ্রমিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের ন্যায্য মজুরি, উন্নত আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।

তিনি আরো বলেন, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ বাংলাদেশের চা শিল্পের প্রাণকেন্দ্র। এ অঞ্চল শুধু চায়ের জন্যই পরিচিত নয়, সবুজ চা বাগান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, হাইল হাওর এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির কারণে পর্যটন শিল্পেরও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

চা শিল্পকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মুজিবুর রহমান বলেন, উন্নত জাতের চা উৎপাদন, গবেষণা, আধুনিক কারখানা, উন্নত প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব চা চাষ নিশ্চিত করতে হবে।

জাতীয় চা পুরস্কারের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়া হয়। ‘একরপ্রতি সর্বোচ্চ উৎপাদনকারী চা বাগান’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগান। ‘সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন চা উৎপাদনকারী বাগান’ হিসেবে সম্মাননা অর্জন করে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মধুপুর চা বাগান।

‘শ্রেষ্ঠ চা রপ্তানিকারক’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায় দি কনসোলিডেটেড টি অ্যান্ড ল্যান্ডস কম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। ‘শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্রায়তন চা উৎপাদনকারী’ হিসেবে সম্মাননা পান পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মো. মতিয়ার রহমান।

‘শ্রমিক কল্যাণের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ চা বাগান’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ইস্পাহানি মির্জাপুর চা বাগান। ‘বৈচিত্র্যময় চা পণ্য বাজারজাতকরণের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান/কম্পানি’ এবং ‘দৃষ্টিনন্দন ও মানসম্পন্ন চা মোড়কজাতকরণে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান/কম্পানি’—উভয় ক্যাটাগরিতেই জাতীয় চা পুরস্কার অর্জন করে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট লিমিটেড।

এ ছাড়া ‘শ্রেষ্ঠ বটলিফ চা কারখানা’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায় পঞ্চগড়ের সুপ্রিম টি লিমিটেড।
 

রংপুরে পাটক্ষেতে মিলল নিখোঁজ শিশুর মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরে পাটক্ষেতে মিলল নিখোঁজ শিশুর মরদেহ
সংগৃহীত ছবি

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর সানজিদা (৯) নামের এক মাদরাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর করানীপাড়া এলাকায় ডালিয়া ক্যানেলের পাশের একটি পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সানজিদা ভীমপুর এলাকার সাইদুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবার সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাড়ির পাশেই অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল সানজিদা। একপর্যায়ে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন। পরে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালানো হলেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

শনিবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক ও পথচারী ডালিয়া ক্যানেলের পাশের একটি পাটক্ষেতে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন সেখানে ছুটে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি সানজিদার বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে তারাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে মরদেহ উদ্ধারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

স্থানীয়রা জানান, সানজিদা শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের শিশু ছিল। তার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল ছাত্তার বলেন, ‘গতকাল বিকেল থেকে মেয়েটিকে খুঁজছিল পরিবার। আমরাও খোঁজাখুঁজিতে অংশ নিয়েছিলাম। সকালে পাটক্ষেতে তার মরদেহ পাওয়ার খবর শুনে হতবাক হয়ে যাই।’

আরেক বাসিন্দা রহিমা বেগম বলেন, ‘ছোট্ট মেয়েটি সবার আদরের ছিল। তার মৃত্যুতে পুরো গ্রাম শোকে স্তব্ধ। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানাই।’

তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা
ছবি : কালের কণ্ঠ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কঠোর অবস্থান নেওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাদের ভারতে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ।

শনিবার (২০ জুন) সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকা সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। বিকেল ৪টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

স্থানীয় ও বিজিবি সূত্র জানায়, সকাল ৭টার দিকে চার শিশু, ১১ নারী ও পাঁচ পুরুষসহ মোট ২০ জনকে চৌকা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেয় এবং সীমান্তে শক্ত অবস্থান নেয়।

এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সমঝোতার পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শূন্যরেখার ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থানরত ওই ২০ জনকে বিএসএফের ১১৯ ব্যাটালিয়নের সুখদেবপুর ক্যাম্পের মাধ্যমে ভারতের ভেতরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ রুহুল আমীন বলেন, পুশ ইনের খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত গ্রামবাসী সীমান্ত এলাকায় জড়ো হন। তারা বিজিবির প্রতি সমর্থন জানান এবং ঘটনার প্রতিবাদ করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবি সদস্যরা গ্রামবাসীদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশও সহযোগিতা করেন।

ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. বাদশাহ জানান, ঘটনার একপর্যায়ে বিএসএফ ও বিজিবি সদস্যরা কয়েক গজ দূরত্বে মুখোমুখি অবস্থান নেন। বিএসএফ সদস্যরা বিজিবিকে সরে যেতে বললেও বিজিবি সদস্যরা দৃঢ়ভাবে জানিয়ে দেন, ‘এক পা-ও সরব না।’ পরে প্রথমে পুশ ইনের জন্য আনা ব্যক্তিদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায় বিজিবি। শেষ পর্যন্ত বিএসএফ তাদের নিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরে যায়।

বিকেলে সীমান্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয় বলে জানান স্থানীয়রা।

উল্লেখ্য, চলতি মাসে এর আগে জেলার গোমস্তাপুর সীমান্তে তিন দফায় ৪৪ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় বিএসএফ।

অ্যাম্বুল্যান্সে মাদক পাচারচেষ্টা, ফেনীতে আটক ২

ফেনী প্রতিনিধি
অ্যাম্বুল্যান্সে মাদক পাচারচেষ্টা, ফেনীতে আটক ২
সংগৃহীত ছবি

ফেনীর পরশুরামে অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করে ভারতীয় মদ পাচারের সময় দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় অ্যাম্বুল্যান্স থেকে ১১৭ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (২০ জুন) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরশুরাম-ফেনী সড়কের সমিতি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরশুরাম মডেল থানা পুলিশ তাদের আটক করে।

আটকরা হলেন উপজেলার পশ্চিম সাহেবনগর চৌধুরী বাড়ি এলাকার আশ্রাফ আলীর ছেলে ও অ্যাম্বুল্যান্স চালক জসিম উদ্দিন (৫১) এবং পরশুরাম পৌরসভার দক্ষিণ কোলাপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে মিনহাজুর রহমান ওরফে অমি (২১)।

পুলিশ জানায়, একটি অ্যাম্বুল্যান্সে মাদক পরিবহনের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় গাড়ির ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা পাঁচটি কার্টনে থাকা ১১৭ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মদের পরিমাণ ৮৭ দশমিক ৭৫ লিটার। জব্দ করা মদের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘অ্যাম্বুল্যান্সের ভেতরে অভিনব কৌশলে মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। অভিযান চালিয়ে ১১৭ বোতল ভারতীয় মদসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

ভিজিডি তালিকায় ধনীদের নাম | কালের কণ্ঠ