• ই-পেপার

মির্জাপুরে সাত পুলিশসহ করোনা পজিটিভ ১৪

  • ৩শ ছাড়ালো করোনা শনাক্ত

৭০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নে আবাদি জমির ঘাটতিসহ ৫ চ্যালেঞ্জ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
৭০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নে আবাদি জমির ঘাটতিসহ ৫ চ্যালেঞ্জ
ছবি: কালের কণ্ঠ

কৃষির উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশি অর্থায়ন ও বিদেশি ঋণে পরিচালিত হচ্ছে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প, যার ব্যয় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, খাদ্যশস্য উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনা, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো, কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি করা ও উন্নয়ন এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। 

বর্তমান সরকার বেশ গুরুত্ব দিয়েই এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে রূপরেখা অনুযায়ী বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে ২০২৮-এর জুন নাগাদ।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকে মোট পাঁচটি বিষয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, নতুন আবাদযোগ্য জমির ঘাটতি ও কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাওয়া। এছাড়া রয়েছে, উত্তম কৃষি চর্চায় প্রয়োজনীয় জনবল পদায়ন এর প্রত্যয়ন কার্যক্রম আরম্ভ করা, উত্তম কৃষি চর্চায় প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান না থাকা, ফিজিক্যাল কার্ডের পরিবর্তে ভার্চ্যুয়াল কার্ড সংক্রান্ত ক্রয় প্যাকেজ পুন:নির্ধারিণের জন্য ডিপিপি সংশোধন, ল্যাবরেটরিতে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলের অভাব।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রোগ্রাম অন অ্যাগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রোগ্রামের আওতায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’ এ এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলা হলরুমে সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ পার্টনার কংগ্রেস আয়োজন করে।

সদর উপজেলা কৃষি অফিসার শাহানা বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মুনসী তোফায়েল হোসেন, সদর উপজেলা সমবায় অফিসার আজিজুল হক, সদর উপজেলা বিআরডিবির চোয়ারম্যান আলী আজ্জম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে পার্টনার নানা তথ্য উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত কৃষি অফিসার সালমা সুলতানা। 

জেলার আখাউড়া উপজেলাতেও মঙ্গলবার দুপুরে পার্টনার কংগ্রেস আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপসী রাবেয়ার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ-পরিচালক মো. মোস্তফা এমরান হোসে। আয়ে এ বিষয়ে নানা তথ্য উত্থাপন করা হয়। প্রকল্পের আওতাধীন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সারাদেশেই একইভাবে পার্টনার কংগ্রেসের আয়োজন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৮ এপ্রিল প্রকল্পটি অনুমোদন হয়। ওই বছরের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিবে প্রায় ১১৫ কোটি টাকা ও বাকি প্রায় ৫৭৫ কোটি টাকা বিদেশি ঋণ থেকে ব্যয় করা হবে। আটটি বিভাগ, ১৪টি কৃষি সম্প্রসারণ অঞ্চলের ৪৯৫টি উপজেলাকে প্রকল্প এলাকার আওতায় আনা হয়েছে।

সূত্র জানায়, এ প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা হলো- উত্তম কৃষি চর্চা প্রত্যয়নসহ ফল ও সবজি আবাদী জমির পরিমাণ বৃদ্ধি করা, উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনসহ আবাদ জমির পরিমাণ বৃদ্ধি করা, দানাদার শষ্য (ধান ব্যতীত) ডাল ফসল, তেলবীজ ও উদ্যান ফসলের জাত উদ্ভাবনসহ আবাদী জমির পরিমাণ বাড়ানো, উন্নত ও দক্ষ সেচ প্রযুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন আবাদী জমি সেচের আওতায় আনা, কৃষি স্মার্ট কার্ড এর মাধ্যমে কৃষি পরিসেবা দিয়ে ডিজিটাল কৃষিসেবা সম্প্রসারণসহ আরো কিছু বিষয়। ইতিমধ্যেই উত্তম কৃষি চর্চায় লক্ষ্যমাত্রার ১০ লাখের মধ্যে দুই লাখ কৃষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ২৮ হাজার ৫৯৫টি কৃষি স্কুলের মধ্যে ১৪ হাজার বাস্তবায়িত হয়েছে। ১০টি ল্যাবরেটরি অ্যাক্রিডিটেশন এর মধ্যে দু’টির বাস্তবায়ন হয়েছে। কৃষক স্মার্ট কার্ড পলিসি২০২৫ এর খসড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এক লাখ হেক্টর জমিতে উন্নত ও দক্ষ সেচ প্রযুক্তির সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সাত হাজার ৩৮ হেক্টরে পূরণ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্র দুই লাখ হেক্টরের মধ্যে ১.৬ লাখ হেক্টর জমিতে নতুন জাত প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ৯০৫০ মেট্রিক টন ধানবীজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ৯৮২ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছে। এছাড়াও আরো কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়নের তথ্য পার্টনার কংগ্রেসে তুলে ধরা হয়।

নবীনগরে যুবলীগ নেতা ‘টাইগার সোহেল’ ফের গ্রেপ্তার, এলাকায় স্বস্তি

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
নবীনগরে যুবলীগ নেতা ‘টাইগার সোহেল’ ফের গ্রেপ্তার, এলাকায় স্বস্তি
মো. সোহেল মিয়া ওরফে টাইগার সোহেল। সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ি গ্রামের আলোচিত যুবলীগ নেতা মো. সোহেল মিয়া ওরফে টাইগার সোহেলকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে জিনোদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় স্বস্তি বিরাজ করছে।

তার বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি এবাদুল করিম বুলবুলের আশ্রয় প্রশ্রয়ে যুবলীগ নেতা সোহেলের উত্থান হয়। সেসময় তিনি এমপির প্রভাবে জিনোদপুর বাজার কমিটির সভাপতিও নির্বাচিত হন।

এক পর্যায়ে তিনি এলাকায় মারামারি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক, নারী কেলেঙ্কারিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়ার পর এলাকায় নিজেকে ‘টাইগার সোহেল’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া শুরু করেন। এলাকায় তাকে মাদকের গডফাদারও বলা হয়।

আওয়ামী লীগ আমলে তিনি জিনোদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ‘সভাপতি’ প্রার্থী হওয়ারও ঘোষণা দেন।

এদিকে রাতে এলাকার একাধিক লোকজন মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে জানান, মাদকসহ নানা অপরাধের গডফাদার খ্যাত টাইগার সোহেল আবারও গ্রেপ্তার হওয়ায় গোটা এলাকায় স্বস্তি বিরাজ করছে। তার বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর।

এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম চৌধুরী রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, মো. সোহেল মিয়া ওরফে টাইগার সোহেল একজন যুবলীগ নেতা ও চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে মারামারি, মাদক, চাঁদাবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। বুধবার তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আদালতে পাঠানো হবে।

এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর স্থানীয় হাসান মিয়ার বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সোহেল মিয়া।

শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পুলিশের অভিযানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা প্রায় ৩৪ লাখ ১৫ হাজার টাকার ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য ও একটি হাইস মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে এসআই মামুন হাসান ও সঙ্গীয় ফোর্স বারইয়ারহাট পৌরসভার মেহেদীনগর এলাকায় বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি সড়কে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান পরিচালনা করেন।

এসময় একটি হায়েস মাইক্রোবাসে (ঢাকা মেট্রো-ছ-১৩-৫১৬০) শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় পণ্য চোরাচালানের সময় গাড়িটি আটক করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা কৌশলে পালিয়ে যায়। জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ১৫০ পিস হরলিক্স, ১৪৪ পিস নবরত্ন তেল, ১ হাজার ৫১২ পিস কিটক্যাট চকলেট, ১ হাজার ৪০ পিস স্নিকার্স (ছোট-বড়) এবং ২ হাজার ৫২০ পিস ডেইরি মিল্ক চকলেট। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ১৫ হাজার ২১০ টাকা। 

এ ছাড়া চোরাচালান কাজে ব্যবহৃত হায়েস মাইক্রোবাসটির আনুমানিক মূল্য ৩০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে উদ্ধারকৃত মালামালের মূল্য প্রায় ৩৪ লাখ ১৫ হাজার ২১০ টাকা। জব্দকৃত গাড়ি ও মালামাল থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, চোরাচালান প্রতিরোধে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য ও একটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। পলাতকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে মিরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাদিম হায়দার চৌধুরী বলেন, চোরাচালান দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত ও মহাসড়ক ব্যবহার করে যারা অবৈধভাবে পণ্য পরিবহন করছে, তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

৬ বছরের প্রতিবন্ধী শিশুকে শ্লীলতাহানি, ৫০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
৬ বছরের প্রতিবন্ধী শিশুকে শ্লীলতাহানি, ৫০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার লাকসামে ৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার (২৩ জুন) মো. মানিক মিয়া (৫০) নামে এক বৃদ্ধকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত ওই বৃদ্ধ উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের চন্দনা বড় বাড়ির মৃত আলী মিয়ার ছেলে। ওইদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই বৃদ্ধকে নিজ এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেন।

লাকসাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাবুদ্দিন ওই বৃদ্ধকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

লাকসাম থানা পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২১ জুন) বিকেলে বাকপ্রতিবন্ধী ওই শিশুটি বাড়ির পাশে অভিযুক্ত মো. মানিক মিয়ার দোকানের সামনে যায়। এসময় দোকানদার মানিক মিয়া শিশুটিকে ফুসলিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং শ্লীলতাহানি করে। ওই সময় বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটির মা আরেক বাড়ি থেকে ফেরার পথে ওই দোকানে শিশুটিকে কান্না করতে দেখেন। এসময় কি হয়েছে? দোকানদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দেননি। একপর্যায়ে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটি কান্না করতে করতে ওই বৃদ্ধ দোকানদারকে দেখিয়ে ইশারা ইঙ্গিতে তার মাকে শ্লীলতাহানির ঘটনাটি বুঝায়।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানালে তারা বিষয়টি আপস-মিমাংসার লক্ষ্যে অভিযুক্ত দোকানদার মো. মানিক মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে দোকানদার পালিয়ে যান। পরে তিনি এই ঘটনায় বাদি হয়ে সোমবার (২২ জুন) বিকেলে লাকসাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাইলী জানান, বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটির মা বাদি হয়ে তার ৬ বছরের মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে লাকসাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি জানান, বুধবার (২৪ জুন) গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে।

মির্জাপুরে সাত পুলিশসহ করোনা পজিটিভ ১৪ | কালের কণ্ঠ