kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

মাতামুহুরীর তীরে ৫ কোটি টাকায় বসছে সিসি ব্লক

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

৩ জুলাই, ২০২০ ০৯:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাতামুহুরীর তীরে ৫ কোটি টাকায় বসছে সিসি ব্লক

অবশেষে মাতামুহুরী নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কবল থেকে মুক্ত হতে চলেছে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার কোচপাড়া অংশের ৩০০ মিটার এবং লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ২০০ মিটার এলাকা। নদীতীরের এই দুই অংশে বসানো হচ্ছে তিন সাইজের সর্বমোট ৭১ হাজার ৩৬৬টি সিসি ব্লক। প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নেওয়া এই প্রকল্পের কাজ কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হলে নদীর ভাঙন এবং পৌরসভা এবং লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের বিশাল এলাকা বন্যামুক্ত থাকবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ইতোমধ্যে কোচপাড়া অংশে সিসি ব্লক বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। এখানে এখন চলছে উপরিঅংশের বেড়িবাঁধে মাটি কাটার কাজ। পৌরসভার বিশাল অংশ রক্ষায় মেয়র আলমগীর চৌধুরীর বিশেষ উদ্যোগে এই প্রকল্প হাতে নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের চিরিঙ্গা শাখা কর্মকর্তা (এসও) মো. শাহ আরমান সালমান কালের কণ্ঠকে জানান, মাতামুহুরী নদীর ভাঙনরোধে ৫০০ মিটারে সিসি ব্লক বসানোর জন্য প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান স্টার লাইট এন্ড অর্ণা কর্পোরেশন (জেভি) এই প্রকল্পের কাজ শুরু করে।

তিনি জানান, কাজের অগ্রগতির মুহূর্তে গতবছর ব্যাপক বৃষ্টিপাত ও মাতামুহুরী নদীতে নেমে আসা উজানের পাহাড়ি ঢলের তাণ্ডবে প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ৫০০ মিটার পয়েন্টে নদীর তীর সংরণের এই কাজটি ভালভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরিকৃত সিসি ব্লকের গুণগত মান ঠিক রয়েছে কী-না তা পরীক্ষা করতে ল্যাবে পাঠানো হয়। নির্মিত ব্লকের মান ঠিক থাকায় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্চ পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ টিম সরেজমিন পরিদর্শন শেষে নদীর তীরে ব্লক বসানোর কাজও শুরু হয়েছে।

কাজটি সম্পন্ন হওয়ায় শোকরিয়া জ্ঞাপন করে চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, ‘মাতামুহুরী নদীতীরের কোচপাড়া অংশের বিশাল এলাকা প্রতি বছর ভয়াবহ ভাঙনের কবলে পড়ে। এতে অনেকেই হারিয়েছেন বসতভিটা। তাই আমার বিশেষ তদবির ছিল এই প্রকল্পটি গ্রহণ করার ক্ষেত্রে। কাজটি কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হলে চলতি বর্ষা মৌসুমে এলাকার মানুষ উপকৃত হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা