• ই-পেপার

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় খুন হন গার্মেন্টকর্মী মিম, গ্রেপ্তার ১

ক্রিকেটার নাঈমকে নির্যাতন : তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় বাড়ল ৪ দিন

অনলাইন ডেস্ক
ক্রিকেটার নাঈমকে নির্যাতন : তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় বাড়ল ৪ দিন

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন নির্দিষ্ট সময়ে জমা পড়েনি। প্রতিবেদন জমা দিতে আরো ৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী কমিটিকে ২২ জুন প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে ১৩ জুন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবস, অর্থাৎ ১৮ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন সিএমপি কমিশনার।

শুক্রবার (১৯ জুন) কমিটির প্রধান সিএমপির উপকমিশনার (পশ্চিম) আলমগীর হোসেন বলেন, ক্রিকেটারকে মারধরের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট ২৯ জনের সঙ্গে কথা বলেছে। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। যে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নাঈম হাসানকে তল্লাশি ও আটক করা হয়েছিল, সেই তথ্যটি কোন সংস্থা বা উৎস থেকে এসেছে, তা খুব গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ জন্য বাড়তি সময় চাওয়া হয়েছে। জড়িতদের সবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

গত ১২ জুন রাতের ফ্লাইটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে নামেন নাঈম হাসান। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসার উদ্দেশে রওনা হন। এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় লালখান বাজার এলাকায় পুলিশ অটোরিকশা থামিয়ে চালকের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র নেয়।

গাড়ি থেকে নামিয়ে নাঈম হাসানকে লাঠি ও পাইপ দিয়ে মারধর করেন খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও পুলিশের সোর্স সোহেল। এক পর্যায়ে নাঈমকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেও তাঁকে হেনস্তা করা হয়। পরে বিসিবি কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে থানা থেকে ছাড়া পান নাঈম। এ ঘটনায় এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরদিন রাতে খুলশী থানার ওসি আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়। এ ছাড়া গ্রেপ্তার করা হয় পুলিশের সোর্স সোহেল হোসেন সরকারকে। তাঁকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে হামলা এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের ঘটনায় পুলিশের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গত শনিবার ওই মামলায় তাঁকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।

ঘটনার পর নাঈম হাসানের চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও ফরিদারপাড়া এলাকায় গিয়ে তাঁকে মারধরের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন সিএমপি কমিশনার শওকত আলী।

দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রবাসীসহ নিহত ৩

হত্যায় যারা জড়িত, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে : এমপি বকুল

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতনিধি
হত্যায় যারা জড়িত, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে : এমপি বকুল

আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটা ও গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, ‘হত্যায় যারা জড়িত, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে। প্রতিটি হত্যার হিসাব কড়ায় গন্ডায় দিতে হবে। প্রত্যেকটি লাশের জবাব দিতে হবে।’

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের গোবিনাথপুরে স্থানীয় আলাল মুন্সি ও নাজিম উদ্দিন গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত তিনজনের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে এক সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

এমপি বকুল আরো বলেন, ‘একটি পক্ষ প্রতিশোধ নিতে এবং মানুষ হত্যার জন্য এলাকায় এসেছিল। তারা এলাকায় উঠার জন্য আসেনি। তারা আমাদের মুখে চুনকালি দিতে এসেছিল। আপনারা লাঠিসোটা নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হউন। বাইরে থেকে কোনো সন্ত্রাসী আসলে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখবেন এবং পুলিশের হাতে তোলে দেবেন। রায়পুরার চরাঞ্চলের ৮টি ইউনিয়নে কাউকে অন্যায় প্রশ্রয় দেইনি এবং ভবিষ্যতেও দেব না।’

জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার ও দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এলাকার বাইরে অবস্থান করছিলেন আলাল মুন্সি ও জবা মেম্বার। গত ১৬ জুন ভোরে তারা স্পিডবোট যোগে নিলক্ষা ইউনিয়নে প্রবেশ করে। এসময় ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারীদের সহযোগিতায় নাজিম উদ্দিন সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। জবাবে নাজিম উদ্দিনের অনুসারীরাও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষ আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র এবং বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ব্যবহার করেছে বলে জানান স্থানীয়রা। ভোর থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ ওই ইউনিয়নের হরিপুর ও দড়িগাঁ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক দফায় সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নাজিম উদ্দিন সমর্থক অনিক (২০) নামে এক যুবক নিহত হন। সংঘর্ষের পর থেকেই আলাল মুন্সির সমর্থক প্রবাসফেরত কাউছার মিয়া, আব্দুল লতিফ ও মোটরসাইকেল মেকানিক বুলবুল মিয়া নিখোঁজ ছিলেন। ঘটনার এক দিন পর (১৭ জুন) দুপুরে নরসিংদীর মাধবদী থানার চরদিঘলদী ইউনিয়নের জিৎরামপুর এলাকার মেঘনা নদী থেকে টেঁটাবিদ্ধ কাউছার মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার দুই দিন পর (১৮ জুন) সকালে নিলক্ষার গোবিনাথপুর এলাকার মেঘনা নদী থেকে আব্দুল লতিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এনিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুই প্রবাসী কাউছার, লতিফসহ তিনজন নিহত হয়েছে। একই ঘটনায় এখনো নিখোঁজ আছেন বুলবুল মিয়া। 

রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রবীর কুমার ঘোষ জানান, ‘হত্যায় জড়িতদের ধরতে অভিযান চলমান আছে। এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। নিহত অনিকের মা বাদী হয়ে ৩০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছে। অন্য দুটি হত্যার ঘটনায় এখনো থানায় মামলা হয়নি।’

তিনি আরো বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিখোঁজ বুলবুলের সন্ধানে তার পরিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করছে। পুলিশ তার সন্ধানে কাজ করছে। বর্তমানে উপজেলার নিলক্ষা এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

রাজশাহী

খাবার দিতে দেরির জেরে দুই রেস্তোরাঁয় হামলা-ভাঙচুর, আহত পুলিশ

রাবি প্রতিনিধি
খাবার দিতে দেরির জেরে দুই রেস্তোরাঁয় হামলা-ভাঙচুর, আহত পুলিশ
ছবি: কালের কণ্ঠ

খাবার কেনাকে কেন্দ্র করে রাজশাহীতে একই মালিকানাধীন দুটি রেস্তোরাঁয় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত পৌনে ১১টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকার ‘বাংলা টিফিন’ ও ‘বঙ্গভোজ’ রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় দুর্বৃত্তদের হাতে লাঠি, ছুরি, রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়। এ ঘটনায় মতিহার থানার এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আহত কনস্টেবলের নাম ফয়েজ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিনোদপুরের বাংলা টিফিনে খাবার কিনতে যান স্থানীয় রমজান। খাবার পরিবেশনে বিলম্ব হওয়ায় হোটেলের এক কর্মচারী ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এর কিছুক্ষণ পর রমজানের অনুসারীরা ছুরি, চাপাতিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাংলা টিফিন এবং মণ্ডলের মোড় এলাকার বঙ্গভোজ রেস্তোরাঁয় হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় চারটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে কনস্টেবল ফয়েজ আহত হন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে বসে চা খাচ্ছিলাম। হঠাৎ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন এসে বাংলা টিফিনে ভাঙচুর শুরু করে। তাদের সবার হাতে লাঠি, ছুরি ও চাপাতি ছিল। তারা চারটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, সম্ভবত খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে এক কর্মচারীর সঙ্গে এক ক্রেতার কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। আমরা তখন বাংলা টিফিনের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। কিছুক্ষণ পর শোরগোল শুনে এগিয়ে গিয়ে দেখি, কয়েকজন দোকানের কর্মচারীদের বাইরে এনে কার সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে, তা জানতে চাইছেন। অভিযুক্ত কর্মচারীকে না পেয়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালান।

এ বিষয়ে বাংলা টিফিন ও বঙ্গভোজের মালিক মুর্শেদ সাকিল বলেন, আমি বর্তমানে বাইরে আছি। আমার দুটি প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক হামলা হয়েছে। যতদূর জেনেছি, স্থানীয় কিছু লোক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে আপাতত বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না। আমি বিব্রত ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

ঘটনার বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবীর বলেন, স্থানীয় রমজান নামের এক নেতা বাংলা টিফিনে খাবার কিনতে যান। তাকে একটি খাবারের প্যাকেট দেওয়া হয় এবং আরেকটি প্যাকেট প্রস্তুত করতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগবে বলে জানানো হয়। এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করি। কিন্তু এর আগেই তার অনুসারীরা দলবেঁধে বাংলা টিফিন ও বঙ্গভোজ রেস্তোরাঁয় হামলা চালায়।

এক পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি বলেন, ঘটনার সময় একাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এসময় ফয়েজ নামের এক কনস্টেবল আহত হন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে স্থানীয় রমজানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বেতাগীতে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৬ কর্মী আটক

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বেতাগীতে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৬ কর্মী আটক
ছবি: কালের কণ্ঠ

বরগুনার বেতাগী উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের প্রস্তুতিকালে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে উপজেলার ফেরিঘাট এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিস্তম্ভ ‘দুর্জয় বেতাগী ভাস্কর্যের’ আশপাশে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় রাত ৮টায় বেতাগী থানার পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হয়, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ফেরিঘাট এলাকায় জড়ো হয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বেতাগী থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বেশ কয়েকজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও ৬ জনকে আটক করতে পারে পুলিশ।

আটক যুবকরা হলেন উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের মাহবুব মোল্লার ছেলে মাহিম (১৭), হারুন মিয়ার ছেলে মো. সিফাত (১৯), বশির হাওলাদারের ছেলে পারভেজ (২০), তালগাছিয়া গ্রামের মনজুরুল হোসেনের ছেলে নাঈম (১৭), দক্ষিণ হোসনাবাদের বাসিন্দা শিপন মোল্লার ছেলে শাহীন (১৯), খলিলুর রহমানের ছেলে তাওহিদ (১৮)।

এসময় তাদের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের কিছু হ্যান্ড বিল ও পতাকা জব্দ করা হয়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় বেতাগী থানায় সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন-অর-রশিদ হাওলাদার বলেন, আগস্ট মাসকে সামনে রেখে ছাত্রলীগ কর্মীরা বেতাগী ফেরিঘাট এলাকার দুর্জয় ভাস্কর্যের সামনে এসে জড়ো হতে শুরু করেন। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে এই ৬ জনকে আটক করা হয়। তবে এসময় কয়েকজন পালিয়ে গেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোনো সাংগঠনিক পদে থাকার বিষয়টি স্বীকার করেনি। তাই তারা ছাত্রলীগের কোনো পদে রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আটকদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় খুন হন গার্মেন্টকর্মী মিম, গ্রেপ্তার ১ | কালের কণ্ঠ