• ই-পেপার

খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, পানিবন্দি ১৫ পরিবার

কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, পাশেই পড়ে ছিল বিয়ের লাল শাড়ি

অনলাইন ডেস্ক
কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, পাশেই পড়ে ছিল বিয়ের লাল শাড়ি
সংগৃহীত ছবি

যমুনা সেতু পশ্চিমপাড় সংযোগ মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের মফিজ মোড়ে মহাসড়কের পাশ থেকে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকালে যমুনা সেতু পশ্চিম থানা পুলিশ বিকৃত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে। এসময় মরদেহের পাশে একটি লাল বিয়ের শাড়ি পড়ে ছিল।

নিহত কিশোরীর নাম মুক্তা খাতুন (১৪)। সে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার পুব দেলুয়া গ্রামের আলতাব হোসেনের মেয়ে।

যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সোমবার সকালে মহাসড়কের পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। মেয়েটির পাশে বিয়ের একটি শাড়ি পড়ে ছিল।

তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সড়কে কোনো গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ওই কিশোরী মারা গেছে। দুপুরের পর মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের লোকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

বাউফল উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি কারাগারে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
বাউফল উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি কারাগারে
সংগৃহীত ছবি

মারামারি ও লুটপাটের মামলায় পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে তিনি পটুয়াখালী অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরীন করিমের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২৭ মার্চ পৌর শহরের বাজার ব্রিজের কাছে আল-আমিনের ফলের দোকানে হামলা চালিয়ে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগে আল-আমিনের বাবা ফজলুল হক মৃধা বাদী হয়ে আব্দুল্লাহ আল ফাহাদসহ স্থানীয় কয়েকজনকে আসামি করে বাউফল থানায় মামলা করেন। দীর্ঘদিন পর ওই মামলায় ছাত্রদল নেতা ফাহাদ আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন। আদালত উভয় পক্ষের শুনানী শেষে জামিন নামঞ্জুর করে ফাহাদকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট হুমায়ন কবির ও অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন। আর রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সি এস আই মো. শফিকুর রহমান।


 

দাউদকান্দিতে ইউনিয়ন আ. লীগের সহসভাপতিসহ গ্রেপ্তার ২

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
দাউদকান্দিতে ইউনিয়ন আ. লীগের সহসভাপতিসহ গ্রেপ্তার ২
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনির হোসেনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২১ জুন) রাতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার মনির হোসেন উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দৌলতপুর পূর্ব পাড়া মৃত সামছুল হকের ছেলে। অপরদিকে, উপজেলার গৌরীপুর বাজারের সামিয়া প্লাজা থেকে ১০৩ পিছ ইয়াবাসহ সোহেল মিয়া (২২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি চান্দিনা উপজেলার আম্বপুর গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে। আজ সোমবার (২২ জুন) মামলা দায়েরের পর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য মনির হোসেনকে উপজেলা দৌলতপুর থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। অপরদিকে গৌরীপুর তদন্ত কেন্দ্রে পুলিশ গোপনসংবাদের ভিত্তিতে মাদক নিয়ে যাওয়ার সময় গৌরীপুর বাজার সামিয়া প্লাজা থেকে মাদক কারবারি সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মো. আবদুল বারী বলেন, ‘আটকদের মডেল থানায় দায়েরের পর তাদেরকে আজ বিকেলে কুমিল্লা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।’

ক্যালকুলেটরে হিসাব কষে ১৫ শতাংশ ঘুষ নিলেন পিআইও!

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
ক্যালকুলেটরে হিসাব কষে ১৫ শতাংশ ঘুষ নিলেন পিআইও!
ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দের বিপরীতে ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ১৫ শতাংশ কমিশন বা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার কার্যালয়ে কয়েকজন প্রকল্প সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের সঙ্গে অর্থ লেনদেন ও কমিশন নির্ধারণসংক্রান্ত প্রায় ৪ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বাবুল চন্দ্র রায় কয়েকটি প্রকল্পের বরাদ্দের পরিমাণ ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ১৫ শতাংশ কমিশনের অঙ্ক নির্ধারণ করছেন। এক পর্যায়ে তিনি এক ইউপি সদস্যকে বলেন, ‘৩২ হাজার টাকা করে ৮ টন গম হলে মোট ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এর ১৫ শতাংশ দিলে ৩৮ হাজার টাকা হয়।’

জবাবে ওই ইউপি সদস্য বলেন, ‘স্যার, ৩৮ হাজার টাকা একটু কম করে নেন। কাজেও তেমন লাভ হয়নি।’ তখন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন, ‘মেম্বারদের কোনো দিন লাভ হয় না। আমি এতদিন পিআইও হিসেবে কাজ করছি, কোনো মেম্বারকে বলতে শুনিনি যে তার লাভ হয়েছে।’

ভিডিওর আরেক অংশে একজন ব্যক্তি একটি টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা বলে উল্লেখ করলে পিআইও ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ২৪ হাজার টাকা কমিশনের কথা বলেন। ওই সদস্য শতভাগ কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানালে বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, ‘আগে আপনাদের পরিষদে আসতে দেয়নি, এরপর থেকে আপনারাও আসতে দেবেন না, শোধবোধ।’

এ ছাড়া আরেকটি ১ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রকল্পের বিপরীতে ১৮ হাজার টাকা এবং একাধিক প্রকল্প মিলিয়ে অন্য একজনের কাছে ৫৬ হাজার টাকা দাবি করার কথাও ভিডিওতে শোনা যায়। ভিডিওর শেষদিকে কয়েকজনকে টাকা গুনতে এবং ফাইলের সামনে অর্থ রাখতে দেখা যায়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, ‘ওরা কাজ না করেই বিল নিতে এসেছিল। সে কারণেই এ ধরনের কথা হয়েছে।’

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, ‘বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হবে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, পানিবন্দি ১৫ পরিবার | কালের কণ্ঠ