• ই-পেপার

শাহ আমানতে ১৫৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

কোনো ফলকে আমার নাম থাকবে না : এমপি মমিনুল হক

হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি
কোনো ফলকে আমার নাম থাকবে না : এমপি মমিনুল হক
ছবি: কালের কণ্ঠ

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কোনো নামফলকে নিজের নাম না রাখার নির্দেশ দিয়েছেন চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য মো. মমিনুল হক।

তিনি বলেন, ‘আজ এই মুহূর্ত থেকে সরকারি উন্নয়নমূলক যেকোনো প্রকল্পের নামফলকে আমার নাম থাকবে না। এটি আমার নির্দেশ। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় করা কাজে আমার নাম থাকবে কেন? এটা হতে পারে না।’

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে হাজীগঞ্জের বলাখাল মকবুল আহমেদ ডিগ্রি কলেজের চারতলা ভিত্তিবিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো জানান, তার কার্যকালে যেসব ফলকে নাম থাকবে, সেগুলো তিনি উদ্বোধন করবেন না।

এর আগে তিনি তার এমপির পুলিশি প্রটোকলও বাতিল করেছেন বলে জানান।

উদ্বোধন উপলক্ষে কলেজ হলরুমে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম, কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি তালুকদার আব্দুল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে আল জায়েদ হোসেন এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেনসহ অন্যরা।

শিবচরে চালু হতে যাচ্ছে পৌর শিশু পার্ক

এস.এম.দেলোয়ার হোসাইন, মাদারীপুর
শিবচরে চালু হতে যাচ্ছে পৌর শিশু পার্ক
সংগৃহীত ছবি

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় চালু হতে যাচ্ছে আধুনিক পৌর শিশু পার্ক। প্রায় ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ময়না কাটা নদীর তীরে নির্মিত এ পার্কের ৯৭ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শিশুদের মানসিক বিকাশ ও বিনোদনের জন্য আগামী মাসেই পার্কটি চালু করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, শিবচর পৌরসভার বড় দোয়ালী এলাকায় ময়না কাটা নদীর তীরে প্রায় ৫ একর জমির ওপর পার্কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রথম ধাপে ১৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণকাজ শুরু হয়। পরে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় ধাপে আরো ৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার উন্নয়নকাজ যুক্ত করা হয়। সব মিলিয়ে প্রকল্পটির ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩ কোটি টাকা। চলতি জুন মাসেই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ সংযোগসহ কিছু আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করার প্রস্তুতি চলছে।

শিশু-কিশোর ও পরিবারের সদস্যদের বিনোদনের জন্য পার্কে রাখা হয়েছে নাগরদোলা, জাম্পিং ক্যাঙ্গারু, বাম্পার কার, হ্যাপি সুইং, বিশাল যান্ত্রিক দোলনা, লাইন ডি মুভি রাইডসহ মোট ১৪টি আধুনিক রাইড। রাজধানীর বিজয়নগরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শরীফ অ্যান্ড সন্স নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে।

এখনো আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন না হলেও পার্কটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সানজিদা আক্তার লামিয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রত্যন্ত একটি এলাকায় এত বড় ও আধুনিক পার্ক নির্মাণ হবে, তা কখনো ভাবিনি। বাইরে থেকেই পার্কটির সৌন্দর্য মুগ্ধ করেছে। উদ্বোধন হলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এখানে ঘুরতে আসার ইচ্ছা রয়েছে। আমরা চাই, দ্রুত পার্কটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।

স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী জুনায়েত বলেন, ‘বিকেল হলেই বন্ধুদের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে বের হই। কিন্তু শিবচরে ভালো কোনো বিনোদনকেন্দ্র না থাকায় তেমন আনন্দ করা যায় না। নতুন এই পার্কটি চালু হলে বন্ধুদের নিয়ে নিয়মিত এখানে আসব। বিভিন্ন রাইডে চড়ব, ঘুরে বেড়াব এবং সুন্দর সময় কাটাতে পারব।’

শিবচর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের খান বলেন, ‘শিবচরে বিনোদনের তেমন কোনো স্থান নেই। এই পৌর শিশু পার্ক চালু হলে উপজেলাবাসীর বিনোদনের খোরাক হবে। তাই এটি দ্রুত চালুর দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি প্রতিটি রাইডের ফি যেন সাধারণের নাগালের মধ্যে থাকে, সে ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

শিবচর পৌরসভার প্রশাসক শাইখা সুলতানা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন দিনরাত সমানতালে কাজ করছেন। জুনের মধ্যেই প্রকল্পের সব কাজ সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশাবাদী। এরপর দ্রুত পার্কটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।’
 
মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মিজ মর্জিনা আক্তার বলেন, ‘এখন শেষ মুহূর্তের কার্যক্রম চলছে। শুধু বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া বাকি। আর জুলাইয়ে এটি উদ্বোধনের পরিকল্পনা করছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’

শিশু জায়ান হত্যা

খুঁজতে সহযোগিতা করা প্রতিবেশীরাই ‘খুনি’

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
খুঁজতে সহযোগিতা করা প্রতিবেশীরাই ‘খুনি’

মাত্র পাঁচ বছরের শিশু। নাম মো. জায়ান। বাড়ির সামনে খেলতে বের হয়েছিল প্রতিদিনের মতোই। কিন্তু সেই বের হওয়াই হয় জীবনের শেষযাত্রা। পরিবারের একমাত্র সন্তানকে ঘিরে দুই দিনের উৎকণ্ঠা, কান্না আর অপেক্ষার অবসান ঘটে এক হৃদয়বিদারক পরিণতিতে। পরিত্যক্ত ডোবায় মেলে তার বস্তাবন্দি মরদেহ।

চট্টগ্রামের পটিয়ায় সংঘটিত এই নির্মম হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারকে নয়, পুরো জনপদকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। মুক্তিপণের লোভে অপহরণ, এরপর হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন একই এলাকার এক পরিবারের তিন সদস্য। আরো চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো শিশুটিকে খুঁজে বের করার নামে অভিযুক্তরাই পরিবারের সঙ্গে দিন-রাত খোঁজাখুঁজির অভিনয় করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে। গ্রেপ্তার তিন জন হলেন–সাইফুদ্দিন (৩৯), শাহানুর আক্তার (৩৫), সাদিয়া সুলতানা নিহা (১৯)।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহান ও ওয়াসিফা নামে আরো দুজনকে আটক করা হলেও প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

নিখোঁজ থেকে মুক্তিপণের চিরকুট
গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে পটিয়া পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দারখীল পূর্বপাড়া এলাকায় বাড়ির সামনে খেলছিল শিশু জায়ান। কিছুক্ষণ পর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। প্রথমে পরিবারের ধারণা ছিল, হয়তো সে পুকুরে পড়ে গেছে। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। ঘরের বিছানায় পাওয়া যায় হাতে লেখা একটি চিরকুট। সেখানে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং পরিবারের একটি মোবাইল ফোন আনলক অবস্থায় নির্দিষ্ট স্থানে রেখে যেতে বলা হয়। এই চিরকুটই পরে হয়ে ওঠে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের প্রধান সূত্র। হাতের লেখা মিলিয়ে বেরিয়ে আসে ভয়ঙ্কর তথ্য।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা চিরকুটের হাতের লেখা, স্থানীয় তথ্য, সন্দেহভাজনদের গতিবিধি এবং প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান একত্রে বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা দ্রুত সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করেন।

পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে পটিয়া থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যৌথ অভিযানে একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয় জায়ানের মরদেহ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে জায়ানকে দাফন করা হয়। জানাজায় অংশ নেন হাজারো মানুষ। 

এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে নিহত শিশুর পিতা মো. শাহজাহান বাদী হয়ে পটিয়া থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় সাদিয়া সুলতানা নিহা, তার বাবা সাইফুদ্দিন ও মা শাহানুর আক্তারকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরো ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

যারা খুঁজছিল, তারাই ছিল হত্যাকারী
নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরাই সবচেয়ে বেশি তৎপরতা দেখাচ্ছিল। তারা বিভিন্ন স্থানে গিয়ে শিশুটিকে খোঁজার কাজে অংশ নেয়, পরিবারকে সান্ত্বনা দেয় এবং আশপাশে অনুসন্ধান চালায়।

এ ঘটনায় শোকাহত এক স্বজন বলেন, আমরা ভাবতেই পারিনি, যারা আমাদের সঙ্গে সারারাত জায়ানকে খুঁজেছে, তারাই ওকে মেরে ফেলেছে। টাকার জন্য একটা নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। এই তথ্য প্রকাশের পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ আরো তীব্র হয়ে উঠেছে।

একটি পরিবারের সব স্বপ্ন শেষ
জায়ান ছিল তার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। শিশুটির মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই শত শত মানুষ তাদের বাড়িতে ভিড় করেন। মায়ের আহাজারি আর বারবার জ্ঞান হারানোর দৃশ্য উপস্থিত মানুষকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। অন্যদিকে নির্বাক হয়ে বসে ছিলেন বাবা। সন্তান হারানোর এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয় বলেও মন্তব্য করেন স্বজনরা।

স্থানীয়রা জানান, একটি পরিবার শুধু সন্তান হারায়নি, হারিয়েছে তাদের ভবিষ্যৎ, স্বপ্ন আর বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় অবলম্বন।

পটিয়াজুড়ে ক্ষোভ, বিচার দাবিতে বিক্ষোভ
ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচার এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। মিছিলটি পটিয়া থানার সামনে গিয়ে শেষ হয়।

নিহত জায়ানের মামা মো. ওয়াজেদ আলী জিসান বলেন, আমরা তাদের দাবির তিন লাখ টাকা দিতে রাজি হয়েছিলাম। প্রয়োজনে আরো বেশি টাকা দিতে প্রস্তত ছিলাম। কিন্তু অপহরণকারীদের পক্ষ হতে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি। আমরা সারাদিন অপেক্ষা করে উপায় না পেয়ে রাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নিয়েছি।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনায় আর কারা জড়িত ছিল এবং অপহরণের পর কীভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে এসব বিষয় উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে রিমান্ড চাওয়া হবে।

পটিয়ার ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়
মুক্তিপণের লোভে অপহরণ, বিশ্বাসের আড়ালে প্রতারণা, আর শেষ পর্যন্ত নিষ্পাপ এক শিশুর নির্মম মৃত্যু জায়ান হত্যাকাণ্ড এখন পটিয়ার মানুষের বিবেককে নাড়া দেওয়া এক বেদনাদায়ক অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে। আইনের বিচার একদিন সম্পন্ন হবে, অপরাধীরা শাস্তিও পাবে। কিন্তু যে শিশুটি প্রতিদিন বিকেলে বাড়ির সামনে খেলত, বাবা-মায়ের কোলজুড়ে হাসি ছড়াত, সেই ছোট্ট জায়ান আর কখনো ফিরে আসবে না। তার শূন্যতা বহন করে বেঁচে থাকতে হবে একটি পরিবারকে, আর এই বেদনা মনে করিয়ে দেবে লোভ যখন মানবতাকে গ্রাস করে, তখন সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় নিরপরাধীদের।

বাঘায় ‘ট্রান্সমিটার চুরি করতে গিয়ে’ বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ১ জনের মৃত্যু

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি
বাঘায় ‘ট্রান্সমিটার চুরি করতে গিয়ে’ বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ১ জনের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌর সভার হামিদকুড়া বিলে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সমিটার চুরি করার সময় বিদ্যুৎস্পর্শে মামুন আলী (৪০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাঘা থানার ওসি সিরাজুল হক। মৃত আড়ানী পৌর এলাকার গোচর গ্রামের আব্দুল ভাদুর ছেলে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সৃত্রে জানা যায়, মামুন বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌর সভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হামিদকুড়া বিলে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সমিটির চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যান। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। শুক্রবার (১৯ জুন) বেলা ১১টায় পল্লী বিদ্যুতের খুঁটির পাশে তার মরদেহ দেখে এলাকার লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

বাঘা থানার ওসি সিরাজুল হক জানান, মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে।

শাহ আমানতে ১৫৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ | কালের কণ্ঠ