kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

ভয়ংকর বীভৎস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি    

২৬ জুন, ২০১৯ ০৮:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভয়ংকর বীভৎস


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মন্দিরে ঘুমিয়ে থাকা এক শ্রমিকের মাথা কেটে ব্যাগে ভরে থানায় হাজির হয়েছে এক ব্যক্তি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নাসিরনগর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ বলছে, এ হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক রোগী বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম লিটন ঘোষ (৪৮)। তিনি কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলা সদরের মতিলাল ঘোষের ছেলে। নাসিরনগর উপজেলা সদরের ঘোষপাড়ার বোনজামাই নেপাল ঘোষের বাড়িতে এসেছিলেন লিটন। মাঝেমধ্যে এখানে থেকে তিনি শ্রমিকের কাজ করতেন।

আটক লবু দাস (৫০) নাসিরনগর উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়ার পরমানন্দ দাসের ছেলে। আপন চাচা মতি দাসকে খুনের ঘটনায়ও সে অভিযুক্ত। জামিনে ছাড়া পেয়ে এলাকায় থাকত সে। মাদকাসক্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবেই লবু এলাকায় পরিচিত।

নাসিরনগর থানা পুলিশ জানায়, লবু দাস থানায় এসে এক উপপরিদর্শককে (এসআই) বলে, ‘ব্যাগে কইরা মস্তক লইয়া আইছি। আরো মস্তক আনুম।’ পরে কাটা মাথাটি লবুর হাতে থাকা ব্যাগ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে। লিটনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

লিটনের বোন মিনা রানী দাস জানান, দুপুরে তাঁর ভাই তাঁদের বাড়িতে খাওয়াদাওয়া করে গৌর মন্দিরে যান। সেখানকার নাট মন্দিরে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। এরই মধ্যে খবর পান তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, পাঁচ ভাই, দুই বোনের মধ্য লিটন সবার ছোট। মাঝেমাঝে নাসিরনগর এসে তিনি শ্রমিকের কাজ করতেন।

গৌর মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল চৌধুরী জানান, লিটন নাট মন্দিরের মেঝেতে শুয়ে ছিলেন। ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসে তাঁকে খুন করে মাথা কেটে ব্যাগে ঢুকিয়ে থানায় যায় লবু। তবে কেন এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে সেটা তিনি বলতে পারেননি।

নাসিরনগর থানার ওসি মো. সাজিদুর রহমান বলেন, লিটনের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা