• ই-পেপার

নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাবে রাসিক : মেয়র

জুলাই শহীদের অনুদানের টাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন বাবা, দুর্দশায় মা

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই শহীদের অনুদানের টাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন বাবা, দুর্দশায় মা
মোহাম্মদ আব্দুল মতিন

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ছেলের অনুদানের টাকা দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে শহীদ শেখ শাহরিয়ার বিন মতিনের বাবা মোহাম্মদ আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত রাজধানীর মতিঝিলে একটি প্রতিষ্ঠানে সেলস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। তার প্রথম স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৫)। এই দম্পতির একমাত্র ছেলে ছিলেন শেখ শাহরিয়ার বিন মতিন। এ ছাড়া তাদের ১০ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই আব্দুল মতিন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নিয়ে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শেখ শাহরিয়ার বিন মতিন। গুলি তার ডান চোখের পাশ দিয়ে ঢুকে মাথা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ জুলাই তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জুলাই শহীদ ছেলের ভাতার অনুদানের টাকা থেকে ৭ লাখ টাকার কাবিন ও সোয়া ৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার দিয়ে গত ২৯ মে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আব্দুল মতিন।

এ ঘটনার খবর পেয়ে অভিমানে গত ২ জুন একমাত্র মেয়ে শেখ মুমতাহিনা বিনতে মতিনকে (স্মাইল) নিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন মমতাজ বেগম। তবে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আত্মহত্যা থেকে বিরত রাখেন।

এরপর বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ ছাড়া আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে জুলাই শহীদ ছেলে শাহরিয়ারের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বেশ অর্থবিত্তের মালিক হয়ে যান।

শহীদ শাহরিয়ারের মা মমতাজ বেগম বলেন, সন্তান হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই আমার অনুমতি ছাড়াই আব্দুল মতিন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। আমার জানামতে বিয়েতে সোয়া ৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার কেনার সামর্থ্য তার নেই। আমার শহীদ ছেলের রক্তের দাগ শুকানোর আগেই সরকারের দেওয়া অনুদানের টাকায় তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।

আব্দুল মতিনের প্রথম স্ত্রী বলেন, আমার ছেলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর পর থেকেই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য আমাকে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। তিনি বারবার বলেছিলেন, আমার বংশ রক্ষার জন্য দ্বিতীয় বিয়ে করতে হবে।

মমতাজ বেগম অভিযোগ করেন, আবদুল মতিন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ একমাত্র ছেলে শাহরিয়ারের মৃত্যুকে পুঁজি করে নানা ধান্ধাবাজি ও প্রতারণা শুরু করেন। বারবার নিষেধ করার পরেও তিনি কোনো কথাই শুনতে চাননি। দুই বউয়ের ভরণপোষণের সামর্থ্য তার নেই। 

তিনি বলেন, আমি ২২ বছর তার সঙ্গে কাটিয়েছি। তার আর্থিক অবস্থা ভালো না।

তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, শহীদ পরিবারকে দেওয়া সরকারি বরাদ্দের এককালীন ৩০ লাখ টাকা তিনি আমার সই জালিয়াতি করে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু আমি সচেতন থাকায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। শুধু তাই নয়, আমার শহীদ ছেলের নাম ভাঙিয়ে আব্দুল মতিন বিভিন্ন সময় মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। আমার এখন একটাই চাওয়া, মেয়েটাকে বড় করার আগে যেন আল্লাহ আমাকে নিয়ে না যায়। এ ঘটনার আমি সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

অভিযোগ অস্বীকার করে শহীদ শাহরিয়ারের বাবা মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বলেন, আমার বংশ রক্ষার জন্য আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি। বিশেষ করে আমার মায়ের অনুরোধে আমি বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি। এ ছাড়া বিয়ে করার আগে প্রথম স্ত্রী আমাকে দ্বিতীয় বিয়ে করার অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু তিনি এখন তা অস্বীকার করছেন।

তিনি আরো বলেন, আমি আলফা গ্রুপের মতিঝিল শাখায় সেলস ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছি। বিয়ে করার মতো সামর্থ্য আমার আছে। ছেলের অনুদানের টাকা দিয়ে বিয়ে করতে হবে, বিষয়টি এমনও নয়। বিয়ে করার পর আমি প্রথম স্ত্রীকে আনতে পাঁচবার বাসায় গিয়েছি। মেয়ের সঙ্গেও দেখা করতে পারিনি। সবশেষ অন্য একজনের মাধ্যমে তাদের বাসায় প্রবেশ করি। কিন্তু আমাকে অসম্মান করে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এখন সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী আল নূর আয়াস বলেন, জুলাই শহীদ শাহরিয়ার বিন মতিনের বাবার দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি শুনেছি। তবে, বিষয়টি মেনে নেওয়ার মতো না। ছেলেকে যদি সত্যিই তিনি ভালোবাসতেন, তাহলে তিনি এমন একটি কাজ করতেন না। তাদের একটি মেয়েও রয়েছে। তিনি চাইলেই মেয়েটাকে নিয়েই সংসার করে যেতে পারতেন।

সিরাজগঞ্জে বিধবা নারীর ঘরে ইমাম, আটক শেষে সমঝোতায় বিয়ে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জে বিধবা নারীর ঘরে ইমাম, আটক শেষে সমঝোতায় বিয়ে
সংগৃহীত ছবি

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় মসজিদের ইমাম এক বিধবা নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর সমঝোতার মাধ্যমে বিয়ে দিয়েছে গ্রামবাসী।

শনিবার (২৭ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের দেড়াগাঁতি মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রাম্য সালিসে রবিবার বিকেলে ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা জানান, বিবাহিত সেলিম রেজা দেড়াগাঁতি (টাঙ্গাইল পাড়া) মধ্যপাড়া জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ওই নারীর স্বামীর মৃত্যুর পর উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠে। তারা মোবাইলে যোগাযোগ রক্ষা করতেন।

শনিবার রাতে একই এলাকার মৃত আল আমিনের স্ত্রী মোছা. শানু বেগমের ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় গ্রামবাসী ইমামকে আটক করেন। রবিবার স্থানীয় মাতব্বর ও গ্রামবাসী সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। সেখানে উভয় পক্ষের সম্মতিতে ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর ইমাম তার নতুন স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে যান।

সম্পর্কের কথা স্বীকার করে সেলিম রেজা ও শানু বেগম বলেন, সম্পর্কের কারণেই ইমাম রাতে বাড়িতে এসেছিলেন। ধরা পড়ার পর উভয়পক্ষের সম্মতিতে গ্রামবাসী তাদের বিবাহ দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে রায়গঞ্জ থানার ওসি মো. আহসানুজ্জামান বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কোনো পক্ষ অভিযোগ না করায় ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়নি।

শিবচরে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

মাদারীপুর প্রতিনিধি
শিবচরে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন
সংগৃহীত ছবি

প্রচণ্ড গরমে যখন জনজীবন নাভিশ্বাস, তখন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে অতিরিক্ত লোডশেডিং। মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় চাহিদার তুলনায় প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গ্রাম থেকে শহর সবখানেই মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। কোথাও এক থেকে দুই ঘণ্টা, আবার কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। ফলে ব্যাহত হচ্ছে লেখাপড়া, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসাসেবা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

জানা যায়, শিবচর পৌর অঞ্চলে এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর নিয়ম করে লোডশেডিং করা হলেও গ্রাম অঞ্চলগুলোর অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ। বেশিরভাগ সময় থাকে না বিদ্যুৎ। কোথাও এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর পর দেওয়া হয় বিদ্যুৎ। আবার কখনো টানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা থাকে না বিদ্যুৎ। এতে চরম দুর্ভোগে রয়েছে সাধারণ মানুষ। আবাসিক এলাকার বাসিন্দাসহ বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল ক্ষুদ্র মাঝারি ব্যবসায়ীরা। বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল গৃহস্থালি কাজে ব্যাঘাত ঘটায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসা বাড়ি ও বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি অফিসে নষ্ট হচ্ছে কর্ম ঘণ্টা।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিস বলছে, শিবচর উপজেলায় ১ লাখ ৬ হাজার বিদ্যুতের গ্রাহক রয়েছে। এসব গ্রাহকের বিদ্যুৎ চাহিদা ৩৫ মেগাওয়াট। এ চাহিদার তুলনায়  সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৬ থেকে ১৭ মেগাওয়াট যা অর্ধেকের কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। তাই এলাকাভিত্তিক সমন্বয় করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এক এলাকায় এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকলে পরের ঘণ্টায় ওই এলাকার বিদ্যুৎ দিয়ে অন্য এলাকায় লোডশেডিং দেওয়া হয়।

পৌর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, এভাবে আর কতদিন চলবে? প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। আমরা নিয়মিত বিদ্যুতের বিল দিই, কিন্তু প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পাই না। দিনে-রাতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

লোডশেডিংয়ের কারণে বিপাকে পড়েছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ভ্যানচালকরাও। স্থানীয় ভ্যানচালক রফিক বলেন, রাতে ঠিকমতো ব্যাটারি চার্জ দিতে পারি না। তাই সকালে বের হলেও দুপুরের আগেই ভ্যান বন্ধ করে বাড়ি ফিরতে হয়। আগে ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা আয় হইতো, এখন ৩০০ টাকাও হয় না। সংসারে বউ-বাচ্চা নিয়ে খুব কষ্টে আছি।

এদিন দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা যায়, লোডশেডিংয়ে শিশু, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ নানা বয়সের রোগীরা খুব কষ্টে আছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগী খবির মিয়া বলেন, হাসপাতালে আইছি সুস্থ হইতে, কিন্তু কারেন্ট না থাকায় গরমে মনে হয় দমই বন্ধ হইয়া যাইব। সারাক্ষণ ঘেমে থাকি, চোখে ঘুম আসে না। এই কষ্টে রোগ ভালো হওয়ার বদলে আরো বাড়তাছে।

এ বিষয়ে শিবচর পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার অভিলাষ চন্দ্র পাল বলেন, শিবচরে ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। তার মধ্যে পাচ্ছি ১৬ থেকে ১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আমরা চাহিদার অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ পাচ্ছি। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর লোডশেডিং দিয়ে সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা করছি। তবে পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। 

পাওনা টাকার বিরোধে সরাইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
পাওনা টাকার বিরোধে সরাইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১
ছবি: কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে রবিবার (২৮ জুন) রাতে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে হওয়া সংঘর্ষে মো. খাদিম নামে একজন নিহত হয়েছন। সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রাতে সংঘর্ষ হওয়ায় টর্চ লাইটের আলো ব্যবহার করা হয়।

নিহত খাদিম মিয়া উপজেলার ধরন্তি গ্রামের শামসুল হকের ছেলে। সংষর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজন সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

উপজেলার কালিকচ্ছ বাজারে কালিকচ্ছ ইউনিয়নের সূর্যকান্দি ও ধরন্তি গ্রামের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, সূর্যকান্দি গ্রামের মোশাররফ মিয়া ধরন্তী গ্রামের খাদিম মিয়া, আলাল ও আশিকের কাছে মাছের পার্টি বিক্রির এক লাখ টাকা পাওনা ছিল। রবিবার সন্ধ্যায় মোশারফ মিয়া ধরন্তি  গ্রামের আলাল ও আশিক এর কাছে পাওনা টাকা ফেরত চায়। এসময় মোশারফকে জানানো হয় যে খাদিম মিয়া টাকা দিতে বারণ করেছেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর থেকে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে রাতে সূর্যকান্দি ও ধরন্তি গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে একজন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়। 

সংঘর্ষের কারণে সরাইল-নাসিরনগর আঞ্চলিক কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সংঘর্ষে একজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাবে রাসিক : মেয়র | কালের কণ্ঠ