• ই-পেপার

এডাস্ট ও আল বুখারী ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

উৎসবমুখর আয়োজনে শেষ হলো সিএনবিএল পুল অ্যান্ড স্নুকার র‍্যাংকিং টুর্নামেন্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
উৎসবমুখর আয়োজনে শেষ হলো সিএনবিএল পুল অ্যান্ড স্নুকার র‍্যাংকিং টুর্নামেন্ট
সংগৃহীত ছবি

ক্লাব নটরডেমিয়ান্স বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিএনবিএল) উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিএনবিএল পুল অ্যান্ড স্নুকার র‌্যাংকিং টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫৭ জন সদস্যের অংশগ্রহণে আয়োজিত টুর্নামেন্টটি ৯-বল পুল ও ১০-রেড বল স্নুকার এই দুই বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ক্লাবের ফাদার পিশোটো ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত হয় এ অনুষ্ঠান।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ। তিনি বলেন, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন ক্লাব সদস্যদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতি দৃঢ় করার পাশাপাশি নিজেদের প্রতিভা ও দক্ষতা প্রদর্শনের চমৎকার সুযোগ তৈরি করে। ভবিষ্যতে নিয়মিত এমন টুর্নামেন্ট আয়োজনের আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে ক্লাবের ৫৭ জন সদস্যের অংশগ্রহণে টুর্নামেন্টটি ৯-বল পুল এবং ১০-রেড বল স্নুকার- এই দুই ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৯-বল পুল টুর্নামেন্টে প্রথম হয়েছেন ফাহিম ফিরোজ (ব্যাচ ২০০২), দ্বিতীয় তানিম মো. মাশরুর আলম (ব্যাচ ২০০২) এবং তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন ফরহাদ হোসেন (ব্যাচ ২০০৫)।

এ ছাড়া ১০-রেড বল স্নুকার টুর্নামেন্টে প্রথম হয়েছেন তানিম মো. মাশরুর আলম (ব্যাচ ২০০২), দ্বিতীয় হয়েছেন ফরহাদ হোসেন (ব্যাচ ২০০৫) এবং তৃতীয়তে জায়গা করে নিয়েছেন আশওয়ার হোসেন (ব্যাচ ১৯৯৮)।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানটি সফলভাবে পরিচালনা করেন সিএনবিএল’র কার্যনির্বাহী কমিটির (ক্রীড়া) সদস্য আবু সালেহ মো. সায়েম। অনুষ্ঠানে ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, খেলোয়াড় ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে হাম প্রতিরোধ ও সচেতনতাবিষয়ক আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে হাম প্রতিরোধ ও সচেতনতাবিষয়ক আলোচনা
সংগৃহীত ছবি

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি (এসইইউ)-এর ফার্মেসি বিভাগ এবং সাউথইস্ট ফার্মেসি ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হাম সচেতনতা ও প্রতিরোধ বিষয়ে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় যার শিরোনাম ছিল ‘মিজলস অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড প্রিভেনশন : ন্যাশনাল হেলথ এক্সপার্টদের ক্রিটিক্যাল রিভিউ’।

প্যানেল আলোচনায় দেশের খ্যাতনামা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। এদের মধ্যে ছিলেন বারডেমের শিশু রোগ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবিদ হোসেন মোল্লা, আইইডিসিআর-এর পরিচালক ড. কাজী আহমেদ জাকি, আইইডিসিআর-এর সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমান এবং আইসিডিডিআর,বি-এর সিনিয়র ডিরেক্টর ড. মুস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আলো ক্লিনিকসের টিম লিডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. মো. সাইদুর রহমান।

সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা ২০২৬ সালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রাদুর্ভাব, এর কারণ এবং জনস্বাস্থ্যের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বক্তারা ভবিষ্যতে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা, রোগের প্রাদুর্ভাবের নজরদারি বৃদ্ধি এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. মোফাজ্জল হোসেন, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ইশরাত জাহান বুলবুল এবং বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা উপস্থিত ছিলেন। সমাপনী বক্তব্য রাখেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ইন্সটিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (আইআরটি)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. হাসনাত এম. আলমগীর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা এই সেমিনারে অংশ নেন।

দেশব্যাপী প্লাম্বারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জেডআই গ্রুপ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দেশব্যাপী প্লাম্বারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জেডআই গ্রুপ
সংগৃহীত ছবি

দেশব্যাপী নিরাপদ পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্লাম্বারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জেডআই গ্রুপ। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পানি পরিশোধন যন্ত্র ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের ইনস্টলেশন, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

জেডআই গ্রুপের পক্ষে জানানো হয়, দেশে নিরাপদ পানির চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে পানি পরিশোধন যন্ত্র এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের ব্যবহার। তবে দক্ষ প্রযুক্তিবিদ ও প্রশিক্ষিত প্লাম্বারের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকরা কাঙিক্ষত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ZI GROUP দেশব্যাপী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা আধুনিক ওয়াটার পিউরিফায়ার ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট সিস্টেমের ইনস্টলেশন, ত্রুটি নির্ণয়, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ একদিকে যেমন নিরাপদ পানি প্রযুক্তির বাজার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে, অন্যদিকে প্রশিক্ষিত প্লাম্বারদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। ফলে তাদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে। এছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত দক্ষ সেবাকর্মী গড়ে ওঠায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের ইনস্টলেশন এবং বিক্রয়োত্তর সেবা সহজলভ্য হবে। এতে গ্রাহকরা কম খরচে দ্রুত ও মানসম্মত সেবা পাবেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ZI GROUP-এর এই উদ্যোগ দেশের পানি খাতে টেকসই উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দক্ষতা উন্নয়নের সমন্বয়ে পরিচালিত এই কর্মসূচি দেশের পানি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ZI GROUP-এর প্রতিনিধি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু ব্যবসা সম্প্রসারণ নয়, বরং দেশের জন্য একটি দক্ষ সেবা নেটওয়ার্ক তৈরি করা। আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে প্রশিক্ষিত জনবল গড়ে উঠুক, যাতে মানুষ সহজে নিরাপদ পানির প্রযুক্তিগত সেবা পেতে পারে।’

আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল ২০২৬

৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়ন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়ন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি
সংগৃহীত ছবি

তিন দিনের উত্তেজনা, লড়াই আর হাজারো তরুণের উচ্ছ্বাস শেষে ৩০ জুন  রাতে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে পর্দা নামল আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল ২০২৬-এর। গ্র্যান্ড ফাইনালে শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নিয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

তবে এই আসরের সবচেয়ে বড় অর্জন কেবল চ্যাম্পিয়নের ট্রফিতে সীমাবদ্ধ নয়। ঢাকার ৩২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে একই মঞ্চে নিয়ে আসাটাই ছিল এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় সাফল্য। ভিন্ন ক্যাম্পাস, ভিন্ন জার্সি, কিন্তু খেলার প্রতি ভালোবাসা আর দলগত স্পিরিট ছিল একই সুতোয় বাঁধা। আমা কফির এই আয়োজনের মাধ্যমে শুধু একটি ফুটসাল টুর্নামেন্ট নয়, বরং এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিভা, স্পোর্টসম্যানশিপ ও স্বপ্নকে একসঙ্গে উদযাপন করার সুযোগ পেয়েছে।

২৮ জুন থেকে শুরু হওয়া নকআউট পর্বের ১৬টি ম্যাচে প্রতিটি দল যেভাবে নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে, স্টেডিয়ামজুড়ে তৈরি হয়েছিল এক অন্যরকম আবহ। এই আয়োজন সফল করতে এবং ম্যাচ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন  বাফুফে।

ফাইনাল ম্যাচটি জিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়ায় স্টেডিয়ামের বাইরেও দেশজুড়ে অসংখ্য মানুষ এই উৎসবের ভাগীদার হতে পেরেছেন। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি পেয়েছে পাঁচ লাখ টাকা, রানার্সআপ শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি পেয়েছে দুই লাখ টাকা । সেরা গোলরক্ষক, সর্বোচ্চ গোলদাতা আর সেরা খেলোয়াড় এই তিনটি বিশেষ স্বীকৃতিও তুলে দেওয়া হয় খেলোয়াড়দের হাতে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আবুল খায়ের গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ মামুন এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিমসহ বাফুফের পদস্থ কর্মকর্তারা। তাঁদের উপস্থিতি এই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় আসরকে দিয়েছে বাড়তি একটি মাত্রা। 

ফাইনালের আগে আলোক প্রদর্শনী, ফ্ল্যাশ মব আর লাইভ সংগীতের মধ্য দিয়ে পুরো স্টেডিয়াম পরিণত হয়েছিল এক প্রাণবন্ত উৎসবে। ক্যাম্পাস ট্যুর, জার্সি রিভিল আর ট্রফি ট্যুর দিয়ে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, আমা কফির উদ্যোগে সেই যাত্রা পরিপূর্ণতা পেয়েছে। ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়, শত শত খেলোয়াড় আর হাজারো সমর্থককে একই ছাদের নিচে এনে আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল ২০২৬ প্রমাণ করল- তরুণরা শুধু স্বপ্ন দেখে না, সুযোগ পেলে সেটা সত্যি করেও দেখায়।