• ই-পেপার

ভিসার কঠিন নিয়ম

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তা

  • বিকল্প হিসেবে অধিকাংশই ঝুঁকছে ইউরোপে দেশে গবেষণা ও মান বাড়ানোর তাগিদ

ঢাবির বিজয় একাত্তর হলে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির বিজয় একাত্তর হলে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলে ওয়াশরুম ব্যবহারকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে একই হলের আরেক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, নারী অতিথিরা ওয়াশরুমে থাকায় বাধা দেওয়া নিয়ে ২ জনের মধ্যে কেবল উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। এ ঘটনায় পরস্পরবিরোধী অভিযোগ ওঠায় প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন।

রবিবার (২০ জুলাই) রাত ১২টার দিকে বিজয় একাত্তর হলের গেস্টরুম-সংলগ্ন ওয়াশরুমের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আহমেদ শাহরিয়ার নীড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। অন্যদিকে অভিযুক্ত আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর বিচার চেয়ে হল প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নীড়।

লিখিত অভিযোগে আহমেদ শাহরিয়ার নীড় উল্লেখ করেন, ‘তিনি গেস্টরুম-সংলগ্ন ওয়াশরুম ব্যবহার করতে গেলে মাহফুজ তাকে বাধা দেন এবং অন্য ওয়াশরুম ব্যবহার করতে বলেন। অন্যগুলো তালাবদ্ধ থাকায় তিনি ফিরে এলে মাহফুজ ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মাহফুজ তাকে বলেন, ‘তুই আজকে সারা রাত মুতবি না। এখানে দাঁড়িয়ে থাকবি। আমি তোর সিনিয়র, আমি তোর বাপ।’ এ ছাড়া তাকে রুমে গিয়ে ‘গেস্টরুম’ করার হুমকি দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে শারীরিকভাবে মারধর করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন মাহফুজ। নীড়ের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

মারধরের অভিযোগ ও ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন আবদুল্লাহ আল মাহফুজ। তিনি বলেন, রবিবার রাতে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে ক্যাম্পাসের কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী গেটম্যানের অনুমতি নিয়ে হলপাড়ায় আসেন। তারা ওই ওয়াশরুমটি ব্যবহার করছিলেন। এ সময় নীড় তাড়াহুড়ো করে ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলা হয়। কিন্তু তিনি জোর করে ভেতরে যেতে চাইলে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। মারধরের অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করে মাহফুজ বলেন, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে এবং তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরদিন ভোরে কয়েকজন তার কক্ষে গিয়ে মারধরের চেষ্টাও করে। প্রকৃত ঘটনা জানতে তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার দাবি জানান।

ঘটনার আংশিক প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে রাশেদ নামে এক শিক্ষার্থী হলের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে জানান, তিনি অভিযুক্ত মাহফুজকে গালাগাল ও হুমকি দিতে শুনেছেন। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী শিক্ষার্থী জানান, তারা অনুমতি নিয়ে ওয়াশরুম ব্যবহার করার সময় এক শিক্ষার্থী জোর করে প্রবেশ করতে চান। অপেক্ষা করতে বললে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন, যা থেকে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোয় তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলে জানান এবং প্রয়োজনে তদন্ত কমিটির কাছে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা বলেন।

অভিযুক্ত মাহফুজের বিষয়ে ঢাবি ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মো. মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ বলেন, ‘মাহফুজের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ডাকসু নির্বাচনের সময় তিনি সাদিক কায়েমকে সমর্থন করেছিলেন মাত্র।’ ছাত্রশিবির সব ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে উল্লেখ করে তিনি সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

সার্বিক বিষয়ে বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. স ম আলী রেজা বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ পাওয়ায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৪-৫  কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজে শব্দ না থাকায় এবং ঘটনার কিছু অংশ ওয়াশরুমের ভেতরে ঘটায় তা দেখে পুরো ঘটনার স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নিয়ে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করবে।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি পলিন, সম্পাদক নাফিস

অনলাইন ডেস্ক
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি পলিন, সম্পাদক নাফিস
সংগৃহীত ছবি

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ৯২ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে শাহারিয়ার হোসেন পলিনকে এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন নাফিস ইমতিয়াজ।

শনিবার (১৮ জুলাই) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. আবু হোরায়রা ও সাধারণ সম্পাদক এম রাজিবুল ইসলাম তালুকদার (বিন্দু) এ কমিটির অনুমোদন দেন।

কেন্দ্রীয় নেতারা আশা প্রকাশ করেন, নব অনুমোদিত কমিটি সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে এবং সারা দেশে ছাত্রদলের সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরো শক্তিশালী করবে।

দুগ্ধ ও গরুর মাংস উৎপাদন ব্যবস্থা আধুনিকায়নে বাকৃবিতে আন্তর্জাতিক কর্মশালা

বাকৃবি প্রতিনিধি
দুগ্ধ ও গরুর মাংস উৎপাদন ব্যবস্থা আধুনিকায়নে বাকৃবিতে আন্তর্জাতিক কর্মশালা
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দুগ্ধ ও গরুর মাংস উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, পুষ্টিমান বৃদ্ধি, ও টেকসই খামার ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে ‘ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন ডেইরি অ্যান্ড বিফ প্রোডাকশন সিস্টেমস : নিউট্রিশন, ফিড ব্যালান্সিং, ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।

বাকৃবির ডেইরি সায়েন্স বিভাগ ও পশু পুষ্টি বিভাগের যৌথ আয়োজনে আন্তর্জাতিক কর্মশালাটি চলবে আগামী ২১ জুলাই পর্যন্ত। কর্মশালাটির গ্লোবাল অ্যাকাডেমিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কানেকটিকাট এবং অস্ট্রেলিয়ার জেমস কুক বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেইরি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ড. মো. বয়জার রহমান।

এছাড়া কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. পিয়েত্রো চেলি, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কানেকটিকাটের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস উদ্দিন এবং বাকৃবির পশু পুষ্টি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শফিকুর রহমান শিশির।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘এ ধরনের আন্তর্জাতিক কর্মশালা তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য শেখা, নতুন জ্ঞান অর্জন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করে। এর মাধ্যমে তারা বুঝতে পারবে দেশের ডেইরি ও বিফ উৎপাদন ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের চাহিদা ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নত করা যায়।’

তিনি কর্মশালার আয়োজকদের প্রশংসা করে বলেন, ‘এ কর্মশালায় গঠনমূলক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে গবেষণা, শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতা আরো জোরদার হবে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার ফলাফল বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে, যা দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দুগ্ধ ও গরুর মাংসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে স্নেহভরে শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে ধরলেন ডিসি

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ
স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে স্নেহভরে শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে ধরলেন ডিসি
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে ধরে প্রশ্ন করছেন জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা।

একটি আন্তরিক আলিঙ্গন, আর কয়েকটি স্নেহভরা প্রশ্ন—তাতেই ফুটে উঠল একজন জেলা প্রশাসকের মানবিক আচরণ। তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বুকে জড়িয়ে তার লেখাপড়ার খোঁজ নিলেন মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা। আজ সোমবার দুপুরে শিবালয় উপজেলার তেওতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনকালে ডিসি এমন আন্তরিক আচরণ উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মন ছুঁয়ে যায়। এ সময় তিনি প্রতিটি ক্লাসে শিক্ষকদের পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের  শিক্ষা কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টির মাঝেই শিবালয় উপজেলার তেওতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শন আসেন মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক। এ সময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার বিষয়ে খোঁজ নেন তিনি। প্রতি ক্লাসে ৩ জন করে শিক্ষার্থী ইংরেজিতে সাবলীলভাবে তাকে অভ্যার্থনা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার বিষয়ে তুলে ধরেন। গ্রামের একটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় এমন অগ্রগতি দেখে তিনি ১০ জন শিক্ষার্থীকে বই উপহার দেন। বাকিদের চকোলেট দিয়ে পড়ার জন্য উৎসাহিত করেন। পরে পঞ্চম শ্রেণির ৭০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন জাতের ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ ও বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন তিনি।

00

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জেলা শহর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেভাবে স্মার্টলি লেখাপড়া করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাদের সঙ্গে শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলে আমার ভালো লেগেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গ্রামের শিক্ষার্থীরা সাবলীলভাবে ইংরেজিতে কথা বলেছে এবং পাঠ্যবইয়ের বিষয়বস্তু সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছে। বিষয়টি আমাকে সত্যিই খুব বেশি মুগ্ধ করেছে। বিদ্যালয়ের সব ছেলে-মেয়েকে যত্ন করে পাঠদানের জন্য শিক্ষকদেরও বিশেষ  ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

পুরো জেলার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিসি নাজমুন আরা আরো বলেন, ‘আমি এখনো সন্তুষ্টি নই। তবে ৭টি উপজেলার ইউএনওদের নির্দেশ দিয়েছি যাতে তারা নিয়মিত স্কুলগুলোতে ভিজিট করেন। যাতে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান আরো উন্নতি হয়।’

পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউএনও মনিষা রানী কর্মকার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান, শিবালয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহফুজা খান ইউসুফজী, থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলামসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী।